
তবিবর রহমান, যশোর

যশোর-৩ (সদর) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়া নিয়ে দ্বন্দ্বের সূত্রপাত। এবার দু’জনই পেয়েছেন নৌকা প্রতীক। কিন্তু দ্বন্দ্ব মেটেনি তাদের। স্বতন্ত্র প্রার্থীর ওপর ভর করে জিইয়ে রেখেছেন বিরোধ। আর স্বতন্ত্র প্রার্থীদের কাছে ধরাশায়ী হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছেন দু’জনই। একজন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার। অন্যজন ব্যবসায়ী ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব কাজী নাবিল আহমেদ।
২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-৩ আসনে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার দৌড়ে ছিলেন দু’জন। স্থানীয় পর্যায়ে দুই প্রার্থীর সমর্থকদের উত্তেজনার অবসান ঘটে। কাজী নাবিল আহমেদ পান নৌকা প্রতীক। বিরোধ গড়ায় ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও। ওই নির্বাচনেও দলীয় প্রতীক পান কাজী নাবিল আহমেদ। ২০২০ সালে যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনের সংসদ সদস্য মারা গেলে ভাগ্যের চাকা ঘুরে শাহীন চাকলাদারের। ওই আসনে উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পান তিনি।
পৃথক দুই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও নাবিল-শাহীনের দ্বন্দ্বের অবসান হয়নি। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফের দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন তারা। এবার দ্বন্দ্বের বর্হিপ্রকাশ ঘটেছে স্বতন্ত্র প্রার্থী ঘিরে। দলীয় মনোনয়ন পেয়েও স্বতন্ত্র প্রার্থীর চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি নাবিল-শাহীন।
যশোর-৬ আসনে শাহীন চাকলাদারের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কেশবপুর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান এইচ এম আমির হোসেন। আর যশোর-৩ আসনে কাজী নাবিল আহমেদের প্রতিদ্বন্দ্বী সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহিত কুমার নাথ।
জেলা আওয়ামী লীগের সূত্রে বলছে, যশোরে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে শাহীন চাকলাদারের অনুসারী হিসেবে পরিচিতরা নিয়মিত কেশবপুরে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন। সদর উপজেলার বাসিন্দা ও ভোটার হলেও দলীয় প্রার্থী কাজী নাবিল আহমেদের গণসংযোগে দেখা যাচ্ছে না তাদের। তাদের একজন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহারুল ইসলাম। তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহিত কুমার নাথের নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিচ্ছেন। জেলা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে শাহীন চাকলাদারের অনুসারী হিসেবে পরিচিত শাহারুল ইসলাম।
দলীয় সূত্রগুলো বলছে, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান বিপু দলীয় প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারে নেই। জেলা আওয়ামী লীগের একাংশের অবস্থান দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে।
সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহারুল ইসলাম বলেন, ‘কেন্দ্র থেকে এবার স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে নিষেধ করা হয়নি। নেতাকর্মীদেরও ভোট দিতে নিষেধ করা হচ্ছে না। অর্থাৎ স্বাধীনভাবে প্রার্থী হতে ও ভোট দিতে বলা হচ্ছে। এজন্য জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক থাকা মোহিত কুমার নাথের পক্ষে ঈগল প্রতীকে ভোট করছি।’
দলীয় প্রার্থী ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য কাজী নাবিল আহমেদের অনুসারী হিসেবে পরিচিত সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বিপুল। তিনি বলেন, ‘শাহীন চাকলাদারের ইন্ধনে মোহিত নাথ স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। তাই চাকলাদারের লোকজন মোহিতের প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন। আবার সদর আসনের বড় বড় পদধারী নেতারাও কেশবপুরে প্রচারণা করছেন।’
মোহিত কুমার নাথ তার অনুসারী হলেও নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার পরামর্শ দেননি বলে দাবি করেছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার। তিনি বলেন, ‘মোহিত স্বতন্ত্র হয়েছেন এটা তার ব্যক্তিগত বিষয়। যারা দলের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে তারা আমার ও দলেরও কেউ না।’
স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের মাঠে নামিয়েছেন বলে দাবি করেছেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহিত কুমার নাথ। তিনি বলেন, ‘নেত্রী স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে কোন ধরনের বারণ করেননি। বরং কেন্দ্রে ভোটার আনাই মূল উদ্দেশ্য। স্থানীয় আওয়ামী লীগ আমার সঙ্গে আছে।’
কাজী নাবিল আহমেদের অনুসারী হিসেবে পরিচিত জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মেহেদী হাসান মিন্টু। তিনি বলেন, ‘সদরের একটি পক্ষ নৌকার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। এতে কিছুটা প্রভাব পড়বে। তবে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সকল ষড়যন্ত্রের জবাব দেয়া হবে।’
অন্য দিকে যশোর-৬ আসনে শাহীন চাকলাদারের সঙ্গে নেই কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের একটি অংশ। ২০২০ সালের যারা শাহীন চাকলাদারের প্রচার প্রচারণায় অংশ নিয়েছিলেন তারা এখন তার বিরুদ্ধে। উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আমির হোসেন ছিলেন তাদের একজন। এবার তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন নৌকার প্রার্থী শাহীন চাকলাদারের বিরুদ্ধে।
কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গাজী গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে কেশবপুরের মানুষ নির্যাতিত ছিলো। সবার দাবির পরিপ্রেক্ষিতে যশোর থেকে শাহীন চাকলাদারকে এনে আমরা নির্বাচিত করি। কিছুদিন কেশবপুরের মানুষ ভালো থাকলেও আবারও পূর্বের চেহেরায় ফিরেছে। তৃণমূলের নেতাকর্মীরা শাহীনের অনুসারীদের কাছে নির্যাতিত। তাই তারা পরিবর্তন চান।’
স্বতন্ত্র প্রার্থী এইচ এম আমির হোসেন বলেন, ‘সরকারের যে উন্নয়ন, সেটা কেশবপুর বাসী বঞ্চিত হয়েছে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি না পাওয়াতে। প্রতিবার অন্য জায়গার বাসিন্দাকে এখানে প্রার্থী করা হয়। নির্বাচিত হয়ে তারা কেশবপুরে সময় দিতে পারে না। তাই জনগণের দাবিতে আমি প্রার্থী হয়েছি।’
তবে ভিন্ন কথা বলেছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার। তিনি বলেন, ‘আমি নির্বাচিত হয়ে যে পরিমাণ উন্নয়ন করেছি, সেই উন্নয়নের কারণেই মানুষ আবারও নৌকায় ভোট দেবে।’

যশোর-৩ (সদর) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়া নিয়ে দ্বন্দ্বের সূত্রপাত। এবার দু’জনই পেয়েছেন নৌকা প্রতীক। কিন্তু দ্বন্দ্ব মেটেনি তাদের। স্বতন্ত্র প্রার্থীর ওপর ভর করে জিইয়ে রেখেছেন বিরোধ। আর স্বতন্ত্র প্রার্থীদের কাছে ধরাশায়ী হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছেন দু’জনই। একজন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার। অন্যজন ব্যবসায়ী ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব কাজী নাবিল আহমেদ।
২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-৩ আসনে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার দৌড়ে ছিলেন দু’জন। স্থানীয় পর্যায়ে দুই প্রার্থীর সমর্থকদের উত্তেজনার অবসান ঘটে। কাজী নাবিল আহমেদ পান নৌকা প্রতীক। বিরোধ গড়ায় ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও। ওই নির্বাচনেও দলীয় প্রতীক পান কাজী নাবিল আহমেদ। ২০২০ সালে যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনের সংসদ সদস্য মারা গেলে ভাগ্যের চাকা ঘুরে শাহীন চাকলাদারের। ওই আসনে উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পান তিনি।
পৃথক দুই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও নাবিল-শাহীনের দ্বন্দ্বের অবসান হয়নি। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফের দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন তারা। এবার দ্বন্দ্বের বর্হিপ্রকাশ ঘটেছে স্বতন্ত্র প্রার্থী ঘিরে। দলীয় মনোনয়ন পেয়েও স্বতন্ত্র প্রার্থীর চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি নাবিল-শাহীন।
যশোর-৬ আসনে শাহীন চাকলাদারের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কেশবপুর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান এইচ এম আমির হোসেন। আর যশোর-৩ আসনে কাজী নাবিল আহমেদের প্রতিদ্বন্দ্বী সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহিত কুমার নাথ।
জেলা আওয়ামী লীগের সূত্রে বলছে, যশোরে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে শাহীন চাকলাদারের অনুসারী হিসেবে পরিচিতরা নিয়মিত কেশবপুরে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন। সদর উপজেলার বাসিন্দা ও ভোটার হলেও দলীয় প্রার্থী কাজী নাবিল আহমেদের গণসংযোগে দেখা যাচ্ছে না তাদের। তাদের একজন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহারুল ইসলাম। তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহিত কুমার নাথের নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিচ্ছেন। জেলা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে শাহীন চাকলাদারের অনুসারী হিসেবে পরিচিত শাহারুল ইসলাম।
দলীয় সূত্রগুলো বলছে, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান বিপু দলীয় প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারে নেই। জেলা আওয়ামী লীগের একাংশের অবস্থান দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে।
সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহারুল ইসলাম বলেন, ‘কেন্দ্র থেকে এবার স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে নিষেধ করা হয়নি। নেতাকর্মীদেরও ভোট দিতে নিষেধ করা হচ্ছে না। অর্থাৎ স্বাধীনভাবে প্রার্থী হতে ও ভোট দিতে বলা হচ্ছে। এজন্য জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক থাকা মোহিত কুমার নাথের পক্ষে ঈগল প্রতীকে ভোট করছি।’
দলীয় প্রার্থী ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য কাজী নাবিল আহমেদের অনুসারী হিসেবে পরিচিত সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বিপুল। তিনি বলেন, ‘শাহীন চাকলাদারের ইন্ধনে মোহিত নাথ স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। তাই চাকলাদারের লোকজন মোহিতের প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন। আবার সদর আসনের বড় বড় পদধারী নেতারাও কেশবপুরে প্রচারণা করছেন।’
মোহিত কুমার নাথ তার অনুসারী হলেও নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার পরামর্শ দেননি বলে দাবি করেছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার। তিনি বলেন, ‘মোহিত স্বতন্ত্র হয়েছেন এটা তার ব্যক্তিগত বিষয়। যারা দলের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে তারা আমার ও দলেরও কেউ না।’
স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের মাঠে নামিয়েছেন বলে দাবি করেছেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহিত কুমার নাথ। তিনি বলেন, ‘নেত্রী স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে কোন ধরনের বারণ করেননি। বরং কেন্দ্রে ভোটার আনাই মূল উদ্দেশ্য। স্থানীয় আওয়ামী লীগ আমার সঙ্গে আছে।’
কাজী নাবিল আহমেদের অনুসারী হিসেবে পরিচিত জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মেহেদী হাসান মিন্টু। তিনি বলেন, ‘সদরের একটি পক্ষ নৌকার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। এতে কিছুটা প্রভাব পড়বে। তবে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সকল ষড়যন্ত্রের জবাব দেয়া হবে।’
অন্য দিকে যশোর-৬ আসনে শাহীন চাকলাদারের সঙ্গে নেই কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের একটি অংশ। ২০২০ সালের যারা শাহীন চাকলাদারের প্রচার প্রচারণায় অংশ নিয়েছিলেন তারা এখন তার বিরুদ্ধে। উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আমির হোসেন ছিলেন তাদের একজন। এবার তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন নৌকার প্রার্থী শাহীন চাকলাদারের বিরুদ্ধে।
কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গাজী গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে কেশবপুরের মানুষ নির্যাতিত ছিলো। সবার দাবির পরিপ্রেক্ষিতে যশোর থেকে শাহীন চাকলাদারকে এনে আমরা নির্বাচিত করি। কিছুদিন কেশবপুরের মানুষ ভালো থাকলেও আবারও পূর্বের চেহেরায় ফিরেছে। তৃণমূলের নেতাকর্মীরা শাহীনের অনুসারীদের কাছে নির্যাতিত। তাই তারা পরিবর্তন চান।’
স্বতন্ত্র প্রার্থী এইচ এম আমির হোসেন বলেন, ‘সরকারের যে উন্নয়ন, সেটা কেশবপুর বাসী বঞ্চিত হয়েছে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি না পাওয়াতে। প্রতিবার অন্য জায়গার বাসিন্দাকে এখানে প্রার্থী করা হয়। নির্বাচিত হয়ে তারা কেশবপুরে সময় দিতে পারে না। তাই জনগণের দাবিতে আমি প্রার্থী হয়েছি।’
তবে ভিন্ন কথা বলেছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার। তিনি বলেন, ‘আমি নির্বাচিত হয়ে যে পরিমাণ উন্নয়ন করেছি, সেই উন্নয়নের কারণেই মানুষ আবারও নৌকায় ভোট দেবে।’

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকাল থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মৃত শিশুদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করেনি।
১৬ ঘণ্টা আগে
বন্ধুদের এমন অভিনব উদ্যোগকে ঘিরে অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথি ও স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়। অনেকেই বিষয়টিকে সময়োপযোগী উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন। অতিথিদের মাঝে হাস্যরস আর আলোচনা— দুটিই ছিল চোখে পড়ার মতো।
১ দিন আগে
বগুড়া সদর উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন এবং একটি পৌরসভার ২১টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত এই আসন। উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী রেজাউল করিম (বাদশা) ধানের শীষ, জামায়াতের আবিদুর রহমান (সোহেল) দাঁড়িপাল্লা এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির প্রার্থী আল আমিন তালুকদার ফুলকপি প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ দিন আগে
জানা গেছে, মাদারীপুর সদর উপজেলার পোকরারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাজারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাউজদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, করদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ পাঁচটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নিম্নমানের খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে।
২ দিন আগে