
বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি

শুল্ক ছাড়াই ভারতের হরিয়ানা থেকে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে মহিষের একটি বড় চালান আমদানি হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ জুন) বিকেলে কয়েকটি ভারতীয় ট্রাকে বাছুরসহ ৯৫টি মুরবাহ জাতের মহিষ আসে বেনাপোল বন্দরে।
কাস্টমস ও বন্দর সূত্রে জানা গেছে, মহিষগুলো ঢাকার সাভারের বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের খামারে নিজস্ব গবেষণার কাজে ব্যবহৃত হবে। গবেষণার জন্য ভারতের হরিয়ানার মুরবাহ জাতের ৪৫টি মা মহিষ, ৫টি পুরুষ মহিষ ও ৪৫টি বাছুর আমদানির দরপত্র দেওয়া হয়। তবে আমদানিকৃত মহিষ কোনো অবস্থাই খামারের বাইরে অন্যত্র স্থানান্তর বা ব্যবহার অথবা বিক্রি করা যাবে না। ঢাকার তোপখানা এলাকার তামাম কর্পোরেশন নামের একটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মহিষগুলো ভারত থেকে আমদানি করে। ভারতের হরিয়ানার রপ্তানিকারক খাসা মুরাহ বাফেলো ফার্ম।
মহিষের চালানের আমদানি মূল্য ঘোষণা দেওয়া হয়েছে এক লাখ ৯ হাজার ২৫০ মার্কিন ডলার। যা বাংলাদেশি টাকায় দাম পড়েছে এক কোটি ৩৩ লাখ ২৮ হাজার ৫০০ টাকা। প্রতিটি মহিষের দাম পড়েছে বাংলাদেশি টাকায় দুই লাখ ৬৬ হাজার ৫৭০ টাকা। এসব মহিষের কোনো আমদানি শুল্ক নেই। তবে প্রাণিসম্পদ বিভাগের ছাড়পত্র নিতে হবে।
শার্শা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. তপু কুমার সাহা বলেন, মহিষগুলো সাভারের প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটে নিয়ে যাওয়া হবে। প্রাথমিকভাবে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে মহিষগুলো ভালো পাওয়া গেছে। প্রাণিসম্পদ বিভাগের সরকারি শুল্ক আদায় করে যথাযথভাবে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমস কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা আশরাফ আলী মহিষ আমদানির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মহিষগুলো বেনাপোল কাস্টমস হাউজ থেকে খালাস নিতে তিশা এন্টারপ্রাইজ নামের একটি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মঙ্গলবার দুপুরে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করেছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে শুল্কায়ন করার পর খালাস দেওয়া হবে।

শুল্ক ছাড়াই ভারতের হরিয়ানা থেকে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে মহিষের একটি বড় চালান আমদানি হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ জুন) বিকেলে কয়েকটি ভারতীয় ট্রাকে বাছুরসহ ৯৫টি মুরবাহ জাতের মহিষ আসে বেনাপোল বন্দরে।
কাস্টমস ও বন্দর সূত্রে জানা গেছে, মহিষগুলো ঢাকার সাভারের বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের খামারে নিজস্ব গবেষণার কাজে ব্যবহৃত হবে। গবেষণার জন্য ভারতের হরিয়ানার মুরবাহ জাতের ৪৫টি মা মহিষ, ৫টি পুরুষ মহিষ ও ৪৫টি বাছুর আমদানির দরপত্র দেওয়া হয়। তবে আমদানিকৃত মহিষ কোনো অবস্থাই খামারের বাইরে অন্যত্র স্থানান্তর বা ব্যবহার অথবা বিক্রি করা যাবে না। ঢাকার তোপখানা এলাকার তামাম কর্পোরেশন নামের একটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মহিষগুলো ভারত থেকে আমদানি করে। ভারতের হরিয়ানার রপ্তানিকারক খাসা মুরাহ বাফেলো ফার্ম।
মহিষের চালানের আমদানি মূল্য ঘোষণা দেওয়া হয়েছে এক লাখ ৯ হাজার ২৫০ মার্কিন ডলার। যা বাংলাদেশি টাকায় দাম পড়েছে এক কোটি ৩৩ লাখ ২৮ হাজার ৫০০ টাকা। প্রতিটি মহিষের দাম পড়েছে বাংলাদেশি টাকায় দুই লাখ ৬৬ হাজার ৫৭০ টাকা। এসব মহিষের কোনো আমদানি শুল্ক নেই। তবে প্রাণিসম্পদ বিভাগের ছাড়পত্র নিতে হবে।
শার্শা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. তপু কুমার সাহা বলেন, মহিষগুলো সাভারের প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটে নিয়ে যাওয়া হবে। প্রাথমিকভাবে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে মহিষগুলো ভালো পাওয়া গেছে। প্রাণিসম্পদ বিভাগের সরকারি শুল্ক আদায় করে যথাযথভাবে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমস কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা আশরাফ আলী মহিষ আমদানির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মহিষগুলো বেনাপোল কাস্টমস হাউজ থেকে খালাস নিতে তিশা এন্টারপ্রাইজ নামের একটি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মঙ্গলবার দুপুরে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করেছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে শুল্কায়ন করার পর খালাস দেওয়া হবে।

রাজধানীর গ্রিন রোডে গ্রিন লাইফ হাসপাতালে আগুন লেগেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট।
১৭ ঘণ্টা আগে
বর্ণিল পোশাক ও ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্র নিয়ে কয়েক হাজার পাহাড়ী-বাঙালি এই উৎসবে যোগ দেন, যেখানে চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরাসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ফুটিয়ে তোলা হয়।
২ দিন আগে
তিনি বলেন, সরকারি নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় গত ৪ মার্চ থেকে কারখানাটির উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। পরে ৩১ মার্চ সন্ধ্যায় পুনরায় গ্যাস সংযোগ পাওয়ার পর কারখানাটি চালুর প্রক্রিয়া শুরু হয়।
২ দিন আগে
নওগাঁর আত্রাইয়ে চলন্ত ট্রেন থেকে নামতে গিয়ে এমরান মিয়া (২৫) নামে এক পুলিশ কনস্টেবলের দুই পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। আজ সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে আত্রাই রেলস্টেশনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
৩ দিন আগে