
খুলনা ব্যুরো

১২ দিন বয়সী সন্তানকে নিয়ে কারাগারে থাকা আলোচিত মা শাহজাদীর জামিন আবেদন আবারও নামঞ্জুর করেছেন আদালত। ফলে মুক্তি পাননি শাহজাদী। অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাদের বর্তমানে কারাগার থেকে প্রিজন সেলে নিয়ে রাখা হয়েছে।
সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে খুলনা অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে শাহজাদী ও তার মা নার্গিস বেগমের জামিন আবেদন করা হয়। বিচারক মো. আনিসুর রহমান সে আবেদন নামঞ্জুর করেন।
আইনজীবী শেখ রফিকুজ্জামান বলেন, মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) খুলনা মহানগর দায়রা জজ আদালতে জামিনের আবেদন করার চেষ্টা করব। মূলত মানব পাচারের মামলায় নিম্ন আদালতে জামিনের এখতিয়ার নেই। মঙ্গলবার মহানগর আদালতে বাদীর আবেদনও তুলে ধরব। আশা করি জামিন হয়ে যাবে।
এর আগে কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়ায় রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে চিকিৎসকদের পরামর্শে মায়ের সঙ্গে ওই সন্তানকে প্রিজন সেলে পাঠানো হয়েছে। দুজনকে হাসপাতালের পৃথক কেবিনে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
মামলার এজাহার ও শাহজাদীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, বাগেরহাটের রামপালের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম ও ফকিরহাটের মেয়ে শাহজাদীর সংসারে চারটি সন্তান, সবাই মেয়ে। শাহজাদী ফের গর্ভধারণ করলে স্বামী ও তার পরিবারে পক্ষ থেকে পুত্রসন্তানের প্রত্যাশার চাপ ছিল। বলা হয়েছিল, আবার মেয়ে হলে বিবাহ বিচ্ছেদ করবেন সিরাজুল।
গত ১১ সেপ্টেম্বর রাতে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান জন্ম দেন শাহজাদী। তার এই সন্তানটিও মেয়ে। শুনেই হাসপাতাল ছেড়ে যান সিরাজুল। পরে আর তিনি হাসপাতালে যাননি, পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগও রাখেননি। নানামুখী চাপে দিশেহারা শাহজাদী ১৫ সেপ্টেম্বর দুপুরে একই হাসপাতালে জন্ম নেওয়া আরেক রোগীর ছেলে সন্তান চুরি করেন।
নবজাতক চুরির খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ ওই দিন সন্ধ্যায় চুরি যাওয়া নবজাতকটি উদ্ধার করে। আটক করা হয় শাহজাদীর মা নার্গিস বেগমকে।
এ ঘটনায় শাহজাদী ও তার মাকে আসামি করে মানব পাচার আইনে মামলা করেন চুরি যাওয়া শিশুর বাবা মির্জা সুমন। ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে নার্গিস বেগমকে তার নবজাতক কন্যাসন্তানকেসহ কারাগারে পাঠানো হয়।

১২ দিন বয়সী সন্তানকে নিয়ে কারাগারে থাকা আলোচিত মা শাহজাদীর জামিন আবেদন আবারও নামঞ্জুর করেছেন আদালত। ফলে মুক্তি পাননি শাহজাদী। অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাদের বর্তমানে কারাগার থেকে প্রিজন সেলে নিয়ে রাখা হয়েছে।
সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে খুলনা অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে শাহজাদী ও তার মা নার্গিস বেগমের জামিন আবেদন করা হয়। বিচারক মো. আনিসুর রহমান সে আবেদন নামঞ্জুর করেন।
আইনজীবী শেখ রফিকুজ্জামান বলেন, মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) খুলনা মহানগর দায়রা জজ আদালতে জামিনের আবেদন করার চেষ্টা করব। মূলত মানব পাচারের মামলায় নিম্ন আদালতে জামিনের এখতিয়ার নেই। মঙ্গলবার মহানগর আদালতে বাদীর আবেদনও তুলে ধরব। আশা করি জামিন হয়ে যাবে।
এর আগে কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়ায় রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে চিকিৎসকদের পরামর্শে মায়ের সঙ্গে ওই সন্তানকে প্রিজন সেলে পাঠানো হয়েছে। দুজনকে হাসপাতালের পৃথক কেবিনে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
মামলার এজাহার ও শাহজাদীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, বাগেরহাটের রামপালের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম ও ফকিরহাটের মেয়ে শাহজাদীর সংসারে চারটি সন্তান, সবাই মেয়ে। শাহজাদী ফের গর্ভধারণ করলে স্বামী ও তার পরিবারে পক্ষ থেকে পুত্রসন্তানের প্রত্যাশার চাপ ছিল। বলা হয়েছিল, আবার মেয়ে হলে বিবাহ বিচ্ছেদ করবেন সিরাজুল।
গত ১১ সেপ্টেম্বর রাতে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান জন্ম দেন শাহজাদী। তার এই সন্তানটিও মেয়ে। শুনেই হাসপাতাল ছেড়ে যান সিরাজুল। পরে আর তিনি হাসপাতালে যাননি, পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগও রাখেননি। নানামুখী চাপে দিশেহারা শাহজাদী ১৫ সেপ্টেম্বর দুপুরে একই হাসপাতালে জন্ম নেওয়া আরেক রোগীর ছেলে সন্তান চুরি করেন।
নবজাতক চুরির খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ ওই দিন সন্ধ্যায় চুরি যাওয়া নবজাতকটি উদ্ধার করে। আটক করা হয় শাহজাদীর মা নার্গিস বেগমকে।
এ ঘটনায় শাহজাদী ও তার মাকে আসামি করে মানব পাচার আইনে মামলা করেন চুরি যাওয়া শিশুর বাবা মির্জা সুমন। ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে নার্গিস বেগমকে তার নবজাতক কন্যাসন্তানকেসহ কারাগারে পাঠানো হয়।

স্থানীয়রা জানায়, সাদুল্যাপুর উপজেলায় মঙ্গলবার দুপুরের দিকে গাইবান্ধা-সাদুল্যাপুর সড়কের মন্দুয়ার তেলের পাম্প সংলগ্ন এলাকায় ওই কাভার্ড ভ্যানটি একটি সিএনজিকে পাশ কাটাতে গিয়ে অপর একটি অটোরিকশার সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খায়। এ সময় অটোরিকশার দুই যাত্রী নিহত ও ৪ যাত্রী আহত হন।
১৯ ঘণ্টা আগে
রাজশাহীর কাকরামারি সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচারের সময় একটি দুর্লভ কষ্টি পাথরের মূর্তি উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
২১ ঘণ্টা আগে
ডিসি মাসুদ বলেন, শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা কাটাকাটির সময় দুপক্ষের বাড়াবাড়ির কারণে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় ডিউটিতে থাকা পুলিশের চার সদস্যকে ক্লোজড করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১ দিন আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মমতাজ পারভীন তার দুই যমজ মেয়ে ও ভাগনেকে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে ঢাকাগামী 'নীলফামারী ট্রাভেলস' নামক একটি বাস তাদের সজোরে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই মা ও মেয়ের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক মনিরুল ইসলাম গুরুতর আহত হলেও মমতাজের অপর কন্যা মুবাশ্বিরা ভাগ্যক্রম
১ দিন আগে