
বাগেরহাট প্রতিনিধি

সুন্দরবনে পেশাজীবীদের অপহরণ ও চাঁদাবাজির অভিযোগে বনদস্যু বাহিনীর প্রধান হান্নান ও তার সাত সহযোগীকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করেছে কোস্টগার্ড। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুটি একনলা বন্দুক ও তিনটি দেশি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতভর বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার খেয়াঘাট ও বাঁশতলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে কোস্টগার্ড তাদের গ্রেপ্তার করে। বৃহষ্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বাগেরহাটের মোংলা কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
গ্রেপ্তার সাতজন হলেন— মো. হান্নান শেখ (৬৫), মো. রেজাউল শেখ (৫৩), শেখ মো. কামাল উদ্দিন (৫৪), সুরত মল্লিক (৪৭), মো. আবু তালেব খান (৪৭), মো. হোসেন আলী শেখ (৫৫) ও মো. হাবিবুর রহমান (৫৫)। তাদের বাড়ি বাগেরহাট ও খুলনা জেলার বিভিন্ন এলাকায়।
মোংলা কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের অপারেশন কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার অনিক মাহমদের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বুধবার রাতে বনদস্যু বাহিনীর প্রধান হান্নান ও তার সহযোগীরা ডাকাতি করতে সুন্দরবনে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে— গোপন সূত্রে এমন খবর পেয়ে কোস্টগার্ডের একটি দল বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার খেয়াঘাটে গিয়ে বাহিনীর প্রধান হান্নান ও তার পাঁচ সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে।
পরে হান্নানের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রামপাল উপজেলার বাঁশতলী এলাকা থেকে তার আরও দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে কোস্টগার্ড। এ সময় তাদের কাছে দুটি এক নলা বন্দুক ও তিনটি দেশীয় অস্ত্র রামদা পাওয়া যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি হান্নান নিজের নামে বনদস্যু বাহিনী গড়ে তুলে সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল জেলে, বাওয়ালী ও মৌয়ালদের অপহরণ ও ভয়ভীতি দিয়ে টাকা আদায় করে আসছিল। এ নিয়ে ভুক্তভোগীরাও অভিযোগ করে আসছিলেন।
কোস্টগার্ড জানিয়েছে, এর পরিপ্রেক্ষিতেই তারা হান্নান বাহিনীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার চেষ্টা করছিল। বুধবার রাতে অভিযানে তাদের গ্রেপ্তারের পর রামপাল থানায় হস্তান্তর করা হচ্ছে।

সুন্দরবনে পেশাজীবীদের অপহরণ ও চাঁদাবাজির অভিযোগে বনদস্যু বাহিনীর প্রধান হান্নান ও তার সাত সহযোগীকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করেছে কোস্টগার্ড। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুটি একনলা বন্দুক ও তিনটি দেশি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতভর বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার খেয়াঘাট ও বাঁশতলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে কোস্টগার্ড তাদের গ্রেপ্তার করে। বৃহষ্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বাগেরহাটের মোংলা কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
গ্রেপ্তার সাতজন হলেন— মো. হান্নান শেখ (৬৫), মো. রেজাউল শেখ (৫৩), শেখ মো. কামাল উদ্দিন (৫৪), সুরত মল্লিক (৪৭), মো. আবু তালেব খান (৪৭), মো. হোসেন আলী শেখ (৫৫) ও মো. হাবিবুর রহমান (৫৫)। তাদের বাড়ি বাগেরহাট ও খুলনা জেলার বিভিন্ন এলাকায়।
মোংলা কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের অপারেশন কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার অনিক মাহমদের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বুধবার রাতে বনদস্যু বাহিনীর প্রধান হান্নান ও তার সহযোগীরা ডাকাতি করতে সুন্দরবনে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে— গোপন সূত্রে এমন খবর পেয়ে কোস্টগার্ডের একটি দল বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার খেয়াঘাটে গিয়ে বাহিনীর প্রধান হান্নান ও তার পাঁচ সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে।
পরে হান্নানের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রামপাল উপজেলার বাঁশতলী এলাকা থেকে তার আরও দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে কোস্টগার্ড। এ সময় তাদের কাছে দুটি এক নলা বন্দুক ও তিনটি দেশীয় অস্ত্র রামদা পাওয়া যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি হান্নান নিজের নামে বনদস্যু বাহিনী গড়ে তুলে সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল জেলে, বাওয়ালী ও মৌয়ালদের অপহরণ ও ভয়ভীতি দিয়ে টাকা আদায় করে আসছিল। এ নিয়ে ভুক্তভোগীরাও অভিযোগ করে আসছিলেন।
কোস্টগার্ড জানিয়েছে, এর পরিপ্রেক্ষিতেই তারা হান্নান বাহিনীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার চেষ্টা করছিল। বুধবার রাতে অভিযানে তাদের গ্রেপ্তারের পর রামপাল থানায় হস্তান্তর করা হচ্ছে।

গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
২ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৩ দিন আগে