
খুলনা প্রতিনিধি

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) আবাসিক হল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের নির্দেশনার পরও অধিকাংশ শিক্ষার্থী হল ছাড়বেন না বলে ঘোষণা দেন। সেই ধারাবাহিকতায় বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরেও অধিকাংশ শিক্ষার্থী হলে অবস্থান করছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মঙ্গলবার কুয়েটে সিন্ডিকেট সভা শেষে হল ভ্যাকেন্ট ঘোষণা করলে দুপুর থেকে অনেক সাধারণ শিক্ষার্থী হল ত্যাগ শুরু করেন। কিন্তু শিক্ষার্থীদের একাংশ হলে অবস্থান করেন। দুপুর ১২টা পর্যন্ত হল ত্যাগ করেননি তারা।
শিক্ষার্থীরা বলেন, জুলাই বিপ্লবের পর প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে কুয়েটে হল খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আজ তারা হল ছাড়বেন না। হল ছাড়তে হলে পুলিশ-সেনাবাহিনী দিয়ে তাদের রক্তের ওপর দিয়ে হল খালি করতে হবে।
শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, তাদের আন্দোলন দমানো, ভিন্ন খাতে প্রবাহিত এবং দীর্ঘায়িত করার জন্য বিভিন্ন ধরনের চাপ চলছে। ছয় দফা দাবিতে তারা অনড় আছেন। তাদের ছয় দফার প্রতিটি দাবি মানতে হবে।
তারা বলেন, তাদের মধ্যে যে ১৫০ জন আহত হয়েছেন, কুয়েট প্রশাসন একবারও তাদের খোঁজ-খবর নেয়নি। শিক্ষার্থীদের পাশেও দাঁড়ায়নি। এর মধ্যে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে সব ধরনের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।
বুধবার সকাল ১০টার মধ্যে আবাসিক শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান কুয়েটের তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) শাহেদুজ্জামান শেখ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কুয়েটের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নোটিশে স্বাক্ষর করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. আনিচুর রহমান ভূঁঞা। মঙ্গলবার সিন্ডিকেটের ৯৯তম জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) আবাসিক হল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের নির্দেশনার পরও অধিকাংশ শিক্ষার্থী হল ছাড়বেন না বলে ঘোষণা দেন। সেই ধারাবাহিকতায় বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরেও অধিকাংশ শিক্ষার্থী হলে অবস্থান করছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মঙ্গলবার কুয়েটে সিন্ডিকেট সভা শেষে হল ভ্যাকেন্ট ঘোষণা করলে দুপুর থেকে অনেক সাধারণ শিক্ষার্থী হল ত্যাগ শুরু করেন। কিন্তু শিক্ষার্থীদের একাংশ হলে অবস্থান করেন। দুপুর ১২টা পর্যন্ত হল ত্যাগ করেননি তারা।
শিক্ষার্থীরা বলেন, জুলাই বিপ্লবের পর প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে কুয়েটে হল খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আজ তারা হল ছাড়বেন না। হল ছাড়তে হলে পুলিশ-সেনাবাহিনী দিয়ে তাদের রক্তের ওপর দিয়ে হল খালি করতে হবে।
শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, তাদের আন্দোলন দমানো, ভিন্ন খাতে প্রবাহিত এবং দীর্ঘায়িত করার জন্য বিভিন্ন ধরনের চাপ চলছে। ছয় দফা দাবিতে তারা অনড় আছেন। তাদের ছয় দফার প্রতিটি দাবি মানতে হবে।
তারা বলেন, তাদের মধ্যে যে ১৫০ জন আহত হয়েছেন, কুয়েট প্রশাসন একবারও তাদের খোঁজ-খবর নেয়নি। শিক্ষার্থীদের পাশেও দাঁড়ায়নি। এর মধ্যে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে সব ধরনের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।
বুধবার সকাল ১০টার মধ্যে আবাসিক শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান কুয়েটের তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) শাহেদুজ্জামান শেখ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কুয়েটের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নোটিশে স্বাক্ষর করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. আনিচুর রহমান ভূঁঞা। মঙ্গলবার সিন্ডিকেটের ৯৯তম জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কক্সবাজারের টেকনাফের জাদিমোরা (ক্যাম্প-২৬) রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনায় নুর কামাল (২৫) নামের একজন নিহত হয়েছেন।
২ দিন আগে
কিশোরগঞ্জ শহরের একটি আবাসিক হোটেলে ছয়জন ধারণক্ষমতার লিফটে ১০ জন ওঠায় লিফট বিকল হয়ে নিচে নেমে যায়। এতে বরসহ ১০ জন বরযাত্রী লিফটের ভেতরে আটকা পড়েন। পরে প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে ভবনের দেয়াল ভেঙে তাদের উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস।
২ দিন আগে
শীত আর হিমেল হাওয়া উপেক্ষা করে বোরো ধান আবাদ ও রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলের কৃষকেরা। ভোরের আলো ফোটার আগেই তারা নেমে পড়ছেন খেতে। বিস্তীর্ণ হাওরের মাঠজুড়ে চলছে বোরো চাষের কর্মযজ্ঞ। কুয়াশায় ঢাকা শীতের সকালে বীজতলায় ধানের চারা পরিচর্যা থেকে জমি চাষ—সব কাজই চলছে সন্ধ্যা পর্যন্ত।
২ দিন আগে
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, কিছুদিন আগে স্থানীয় মসজিদের ওয়াজ মাহফিলের টাকার হিসাবের দায়িত্বে ছিলেন ইয়ানূর। একই এলাকার মোস্তফার সঙ্গে মাহফিলের আদায় করা টাকার হিসাব নিয়ে দ্বন্দ্ব হয়। এর জেরে ইয়ানূর ও মোস্তফা গ্রুপের মধ্যে কয়েক দফা হামলার ঘটনাও ঘটে।
৩ দিন আগে