
নড়াইল প্রতিনিধি

নড়াইলের কালিয়া-বড়দিয়া সড়কের তালবাড়িয়া এলাকায় একটি বালির ট্রলির চাপায় ইজিবাইকের আরোহী এক দম্পতি প্রাণ হারিয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় ইজিবাইকের চালকও গুরুতর আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ জুন) দুপুর ১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন— নড়াইলের বড়কালিয়া ব্যাপারীপাড়ার জাফর মাহমুদ (৮০) ও তার স্ত্রী মর্জিনা বেগম (৬০)।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জাফর-মর্জিনা দম্পতি তাদের কালিয়ার বাড়ি থেকে ইজিবাইকে করে মহাজন এলাকায় আত্মীয়ের বাড়তে যাচ্ছিলেন। পথে তালবাড়িয়া এলাকায় বালুবাহী একটি ট্রলি ওই ইজিবাইককে চাপা দিলে তারা দুজনেই নিহত হন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কালিয়া থেকে বড়দিয়া ঘাটের দিকে যাওয়ার সময় বিপরীত দিক থেকে ওই ট্রলির সঙ্গে মুখোমখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় ইজিবাইকের ওপর উঠে যায় ট্রলি। দুর্ঘটনাস্থলেই জাফর-মর্জিনা গুরুতর আহত হন। তাদের উদ্ধার করে কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, জাফর-মর্জিনা দম্পতি নিঃসন্তান। জাফর মাহমুদ আগে কালিয়ায় আড়তের ব্যবসা করতেন। কয়েক বছর ধরে তার সেই ব্যবসা দেখাশুনা করেন বড় ভাইয়ের ছেলেরা। বড় ভাই ও তার পরিবারের সদস্যরাই তাদের আপনজন। তারা সবাই মিলে ঈদুল আজহা পালন করে বাসায় ফেরেন জাফর।
পরিবারের সদস্যরা জানান, শুক্রবার (১৩ জুন) ভাতিজা রেজাউল ইসলামের বড় ছেলে রায়হান মাহামুদের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ফের বৃহস্পতিবার রওয়ানা দেন। এ দূর্ঘটনায় পুরো পরিবার স্তব্ধ, বিয়ের আয়োজনও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
দুর্ঘটনার পরপরই ট্রলির চালক কালিয়ার নলডাঙ্গা গ্রামের বিশ্বজিতকে স্থানীয়রা আটক করে। তবে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে দেরি করায় এর ফাঁকে কৌশলে তিনি পালিয়ে যান।
নিহত জাফর মাহমুদের ভাতিজা রফিকুল ইসলাম বলেন, আমার সেজো চাচা নিঃস্তান ছিলেন। ওই পরিবারের আপন বলতে আমরা ভাই-বোনেরা ছিলাম। ঈদের পরে আমাদের বাড়িতে বিয়ের অনুষ্ঠানে আসতে গিয়েই তিনি ও চাচি মারা গেলেন। আমাদের আপনজন চলে গেলেন। এ কষ্ট সহ্য করার মতো না।

নড়াইলের কালিয়া-বড়দিয়া সড়কের তালবাড়িয়া এলাকায় একটি বালির ট্রলির চাপায় ইজিবাইকের আরোহী এক দম্পতি প্রাণ হারিয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় ইজিবাইকের চালকও গুরুতর আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ জুন) দুপুর ১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন— নড়াইলের বড়কালিয়া ব্যাপারীপাড়ার জাফর মাহমুদ (৮০) ও তার স্ত্রী মর্জিনা বেগম (৬০)।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জাফর-মর্জিনা দম্পতি তাদের কালিয়ার বাড়ি থেকে ইজিবাইকে করে মহাজন এলাকায় আত্মীয়ের বাড়তে যাচ্ছিলেন। পথে তালবাড়িয়া এলাকায় বালুবাহী একটি ট্রলি ওই ইজিবাইককে চাপা দিলে তারা দুজনেই নিহত হন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কালিয়া থেকে বড়দিয়া ঘাটের দিকে যাওয়ার সময় বিপরীত দিক থেকে ওই ট্রলির সঙ্গে মুখোমখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় ইজিবাইকের ওপর উঠে যায় ট্রলি। দুর্ঘটনাস্থলেই জাফর-মর্জিনা গুরুতর আহত হন। তাদের উদ্ধার করে কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, জাফর-মর্জিনা দম্পতি নিঃসন্তান। জাফর মাহমুদ আগে কালিয়ায় আড়তের ব্যবসা করতেন। কয়েক বছর ধরে তার সেই ব্যবসা দেখাশুনা করেন বড় ভাইয়ের ছেলেরা। বড় ভাই ও তার পরিবারের সদস্যরাই তাদের আপনজন। তারা সবাই মিলে ঈদুল আজহা পালন করে বাসায় ফেরেন জাফর।
পরিবারের সদস্যরা জানান, শুক্রবার (১৩ জুন) ভাতিজা রেজাউল ইসলামের বড় ছেলে রায়হান মাহামুদের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ফের বৃহস্পতিবার রওয়ানা দেন। এ দূর্ঘটনায় পুরো পরিবার স্তব্ধ, বিয়ের আয়োজনও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
দুর্ঘটনার পরপরই ট্রলির চালক কালিয়ার নলডাঙ্গা গ্রামের বিশ্বজিতকে স্থানীয়রা আটক করে। তবে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে দেরি করায় এর ফাঁকে কৌশলে তিনি পালিয়ে যান।
নিহত জাফর মাহমুদের ভাতিজা রফিকুল ইসলাম বলেন, আমার সেজো চাচা নিঃস্তান ছিলেন। ওই পরিবারের আপন বলতে আমরা ভাই-বোনেরা ছিলাম। ঈদের পরে আমাদের বাড়িতে বিয়ের অনুষ্ঠানে আসতে গিয়েই তিনি ও চাচি মারা গেলেন। আমাদের আপনজন চলে গেলেন। এ কষ্ট সহ্য করার মতো না।

রোববার (১৬ আগস্ট) রাত থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টি সোমবার সকাল সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত থামেনি।
৩ দিন আগে
রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল কাদের বলেন, দুপুর ১২টার দিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। সেখানে গিয়ে ওই ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ রংপুর মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
৪ দিন আগে
কক্সবাজারের মাতামুহুরী উপজেলায় লবণ মাঠে জুতা চুরি নিয়ে বিরোধের জেরে এক গ্রাম্য পশুচিকিৎসককে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর আহত করার পর হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শনিবার দিবাগত রাত একটার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
৪ দিন আগে
কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আমির হামজা বলেছেন, শান্ত কুষ্টিয়াকে অশান্ত করতেই পূর্বপরিকল্পিতভাবে গণ অধিকার পরিষদের ‘চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা’ তার ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন তিনি।
৪ দিন আগে