
খুলনা ব্যুরো

ছিল না তেমন কোনো আয়োজন, ছিল না উগ্র কোনো স্লোগান। কেন্দ্রীয় নির্দেশ পালন করতে এক পলকে সামান্য ঝটিকা মিছিল। খুলনা নগরের তিনটি স্থানে তেমন তিনটি ক্ষণিকের মিছিলে নাশকতার মামলা হয়েছে তিনটি। এসব মামলায় আসামি হয়েছেন ২৪৯ জন। তাদের মধ্যে ৫০ জন গ্রেপ্তারও হয়েছেন। মামলায় অজ্ঞাতনামীয় আসামি থাকায় এখন ঘরছাড়া আওয়ামী লীগের অনেক নিরীহ কর্মীও।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) সূত্র জানিয়েছে, বুধবার বিকেল পর্যন্ত এসব মামলায় ৫০ জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে সোমবার ৩৯, মঙ্গলবার পাঁচজন ও বুধবার ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
কেএমপির অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. আহসান হাবিব বলেন, সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে দেশের মধ্যে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি ও অন্তর্ঘাতমূলক কাজে লিপ্ত রয়েছে আওয়ামী লীগ। এরই অংশ হিসেবে গত রোববার সকালে খুলনা মহানগরীর জিরো পয়েন্ট মোড়ে, দুপুরে বয়রা মহিলা কলেজ সড়কে ও বিকেলে বাইপাস সড়কসংলগ্ন শহিদের মোড়ে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ঝটিকা মিছিল করেন।
তিনটি মামলার তথ্য জানান উপকশিনার আহসান হাবিব। এর মধ্যে হরিণটানা থানার মামলায় মামলায় ৭৩ জনের নাম উল্লেখ করে ৩০ থেকে ৪০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। আড়ংঘাটা থানার মামলায় ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে ৩০ থেকে ৪০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। খালিশপুর থানার মামলায় ২৭ জনের নাম উল্লেখ করে ৪০ থেকে ৫০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। তিনটি মামলাই ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫(৩)/ ২৫ডি ধারায় দায়ের করা হয়েছে।
আহসান হাবিব বলেন, মিছিলের ছবি ও ভিডিও বিশ্লেষণ করে অংশগ্রহণকারী অন্যান্যদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে টেলিগ্রামের মাধ্যমে ভার্চুয়াল বৈঠকের পর শক্তি প্রদর্শনের জন্য খুলনায় এই ঝটিকা মিছিলগুলো করেছে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ। একই সঙ্গে ওই দিন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে (আইসিটি) শেখ হাসিনার নামে দায়ের হওয়া মামলাগুলো প্রত্যহারের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছে।
মিছিলে তারা শেখ হাসিনার বাংলাদেশ, রাজপথ ছাড়ি নাই, নেতা মোদের শেখ মুজিব, আমরা সবাই মুজিব সেনাসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্লোগান দেন। এইসঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউনুসের বিভিন্ন সমালোচনা করেন।

ছিল না তেমন কোনো আয়োজন, ছিল না উগ্র কোনো স্লোগান। কেন্দ্রীয় নির্দেশ পালন করতে এক পলকে সামান্য ঝটিকা মিছিল। খুলনা নগরের তিনটি স্থানে তেমন তিনটি ক্ষণিকের মিছিলে নাশকতার মামলা হয়েছে তিনটি। এসব মামলায় আসামি হয়েছেন ২৪৯ জন। তাদের মধ্যে ৫০ জন গ্রেপ্তারও হয়েছেন। মামলায় অজ্ঞাতনামীয় আসামি থাকায় এখন ঘরছাড়া আওয়ামী লীগের অনেক নিরীহ কর্মীও।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) সূত্র জানিয়েছে, বুধবার বিকেল পর্যন্ত এসব মামলায় ৫০ জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে সোমবার ৩৯, মঙ্গলবার পাঁচজন ও বুধবার ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
কেএমপির অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. আহসান হাবিব বলেন, সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে দেশের মধ্যে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি ও অন্তর্ঘাতমূলক কাজে লিপ্ত রয়েছে আওয়ামী লীগ। এরই অংশ হিসেবে গত রোববার সকালে খুলনা মহানগরীর জিরো পয়েন্ট মোড়ে, দুপুরে বয়রা মহিলা কলেজ সড়কে ও বিকেলে বাইপাস সড়কসংলগ্ন শহিদের মোড়ে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ঝটিকা মিছিল করেন।
তিনটি মামলার তথ্য জানান উপকশিনার আহসান হাবিব। এর মধ্যে হরিণটানা থানার মামলায় মামলায় ৭৩ জনের নাম উল্লেখ করে ৩০ থেকে ৪০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। আড়ংঘাটা থানার মামলায় ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে ৩০ থেকে ৪০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। খালিশপুর থানার মামলায় ২৭ জনের নাম উল্লেখ করে ৪০ থেকে ৫০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। তিনটি মামলাই ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫(৩)/ ২৫ডি ধারায় দায়ের করা হয়েছে।
আহসান হাবিব বলেন, মিছিলের ছবি ও ভিডিও বিশ্লেষণ করে অংশগ্রহণকারী অন্যান্যদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে টেলিগ্রামের মাধ্যমে ভার্চুয়াল বৈঠকের পর শক্তি প্রদর্শনের জন্য খুলনায় এই ঝটিকা মিছিলগুলো করেছে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ। একই সঙ্গে ওই দিন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে (আইসিটি) শেখ হাসিনার নামে দায়ের হওয়া মামলাগুলো প্রত্যহারের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছে।
মিছিলে তারা শেখ হাসিনার বাংলাদেশ, রাজপথ ছাড়ি নাই, নেতা মোদের শেখ মুজিব, আমরা সবাই মুজিব সেনাসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্লোগান দেন। এইসঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউনুসের বিভিন্ন সমালোচনা করেন।

তিস্তার পানি বেড়ে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিসা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী, গয়াবাড়ী ও জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে।
১২ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার রাড়ীপাড়া ইউনিয়নের চান্দেরকোলা গ্রামে এ ঘটনা সামনে আসে।
১ দিন আগে
সোমবার (৪ আগস্ট) রাতে উপজেলার কাজলা ইউনিয়নের পাকুরিয়ার চরের নান্টুর মোড় এলাকায় হামলার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার সকালে তার মৃত্যু হয়।
১ দিন আগে