মুরাদনগরে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, আসামি গ্রেপ্তার হয়নি

কুমিল্লা প্রতিনিধি
আপডেট : ২৯ জুন ২০২৫, ০৯: ১০
প্রতীকী ছবি

কুমিল্লার মুরাদনগরে ধর্ষণের অভিযোগে এক হিন্দু নারী মামলা করেছেন। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

মামলায় আসামি করা হয়েছে স্থানীয় ফজর আলীকে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, তিনি একসময় আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতেন। পুলিশ এখনো তাকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) রাতে মুরাদনগর উপজেলার রামচন্দ্রপুর দক্ষিণ ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। শনিবার (২৮ জুন) ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ে অনলাইনে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ওই নারী বাবার বাড়ি বেড়াতে এসেছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে ওই নারীর মা-বাবা বাড়ির বাইরে যান। তখন ফজর আলী বাড়িতে ঢুকে তাকে ধর্ষণ করেন। ওই নারী চিৎকার করলে স্থানীয়রা গিয়ে ফজর আলীকে মারধর করে।

মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুর রহমান বলেন, ফজর আলীকে আসামি করে মামলা হয়েছে। বাদীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে। আসামি পলাতক থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

এ ঘটনাটি যারা ভিডিও করে ছেড়ে দিয়েছে, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে বলেও জানান ওসি জাহিদুর রহমান।

ad
ad

মাঠের রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

এমসি কলেজ ধর্ষণ মামলায় ১ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাইফুর রহমানের বয়স ২৮ বছর। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তরা হলেন মাহবুবুর রহমান রনি (২৫), তারেকুল ইসলাম তারেক (২৮) ও অর্জুন লস্কর (২৬)। পাশাপাশি তাদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

২ দিন আগে

গার্লস কলেজে চাকরি, কুষ্টিয়া জামায়াতের সেক্রেটারি পদ হারালেন সুজাউদ্দিন

দলটির পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোনো পুরুষ সদস্য নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকলে তিনি জামায়াতের সদস্য (রুকন) হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। এ সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই সুজাউদ্দিন জোয়ার্দারকে জেলা সেক্রেটারির দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

২ দিন আগে

ভিজিএফের চাল বিতরণে অনিয়ম: রাজবাড়ীর ২ ইউপি চেয়ারম্যান বরখাস্ত

স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব আবদুর রহমানের সই করা পৃথক প্রজ্ঞাপনে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। গত রোববার প্রজ্ঞাপনটি উপজেলা প্রশাসনের হাতে পৌঁছায়।

২ দিন আগে

চট্টগ্রামে চাঁদা দাবি করে অফিসে হামলা, ৩৫ লাখ টাকা লুট

সংশ্লিষ্টদের ধারণা, এ হামলার পেছনে রয়েছেন ক্যাডার বড় সাজ্জাদের অনুসারী ডেভিড ইমনের সহযোগীরা। সম্প্রতি ইমন মোবাইল ফোনে ডিডিএনের স্বত্বাধিকারীর কাছে এককালীন দুই কোটি টাকা ও প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছিলেন। হুমকি দিয়েছিলেন, চাঁদা না দিলে ব্যবসা গুটিয়ে দেওয়া হবে।

২ দিন আগে