
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহী-৫ (দুর্গাপুর-পুঠিয়া) আসনের দুর্গাপুর উপজেলায় বিএনপি প্রার্থী অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মণ্ডল ও স্বতন্ত্র (ফুটবল) প্রার্থী রেজাউল করিমের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা ৫০ মিনিটের দিকে দুর্গাপুর উপজেলার নওপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম ভোটকেন্দ্রের সামনে এলে বিএনপি প্রার্থী অধ্যাপক নজরুল ইসলামের সমর্থকদের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। তবে এ ঘটনায় কেউ গুরুতর আহত হননি বলে জানা গেছে।
খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বর্তমানে কেন্দ্রের পরিবেশ শান্ত রয়েছে এবং ভোটগ্রহণ কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।
সংঘর্ষের বিষয়ে জানতে চাইলে স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম অভিযোগ করে বলেন, বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীর সমর্থকরা ভোটারদের কেন্দ্রে প্রবেশে বাধা দিচ্ছিলেন। আমাদের কর্মীরা প্রতিবাদ করলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয় এবং অন্তত দুজন আহত হন।
তবে বিএনপি প্রার্থী অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মণ্ডল এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে নওপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা সানোয়ার হোসেন জানান, ঘটনাটি ভোটকেন্দ্রের বাইরে ঘটেছে। ফলে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় কোনো বিঘ্ন ঘটেনি। তবে ঘটনার পর অল্প সময়ের জন্য ভোটার উপস্থিতি কিছুটা কমে যায়।

রাজশাহী-৫ (দুর্গাপুর-পুঠিয়া) আসনের দুর্গাপুর উপজেলায় বিএনপি প্রার্থী অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মণ্ডল ও স্বতন্ত্র (ফুটবল) প্রার্থী রেজাউল করিমের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা ৫০ মিনিটের দিকে দুর্গাপুর উপজেলার নওপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম ভোটকেন্দ্রের সামনে এলে বিএনপি প্রার্থী অধ্যাপক নজরুল ইসলামের সমর্থকদের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। তবে এ ঘটনায় কেউ গুরুতর আহত হননি বলে জানা গেছে।
খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বর্তমানে কেন্দ্রের পরিবেশ শান্ত রয়েছে এবং ভোটগ্রহণ কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।
সংঘর্ষের বিষয়ে জানতে চাইলে স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম অভিযোগ করে বলেন, বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীর সমর্থকরা ভোটারদের কেন্দ্রে প্রবেশে বাধা দিচ্ছিলেন। আমাদের কর্মীরা প্রতিবাদ করলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয় এবং অন্তত দুজন আহত হন।
তবে বিএনপি প্রার্থী অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মণ্ডল এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে নওপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা সানোয়ার হোসেন জানান, ঘটনাটি ভোটকেন্দ্রের বাইরে ঘটেছে। ফলে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় কোনো বিঘ্ন ঘটেনি। তবে ঘটনার পর অল্প সময়ের জন্য ভোটার উপস্থিতি কিছুটা কমে যায়।

বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টা ৫৫ মিনিটের দিকে কাজীর দেউরি বালক উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মনু মিয়া বাগমনিরাম এলাকার ব্যাটারিগলি এলাকার বাসিন্দা। তিনি চট্টগ্রাম-১৪ আসনের ভোটার।
২ ঘণ্টা আগে
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, সকাল ৮টায় আলিয়া মাদ্রাস একাডেমিক ভবন কেন্দ্রের অদূরে সামনে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।
২ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘ দুই বছর ধরে শয্যাশায়ী শতবর্ষী এক বৃদ্ধা অসুস্থ শরীর নিয়েও ভোট দিতে কেন্দ্রে আসেন। পরিবারের সদস্যরা ভ্যানে করে তাকে কেন্দ্রে নিয়ে আসেন। পরে পুত্রবধূর কোলে ভর করে তিনি বুথে প্রবেশ করেন এবং পোলিং কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় নিজের ভোট প্রদান করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
ভোট দিয়ে বের হয়ে হাসনাত বলেন, ভোটে ভয়ের কিছু নেই, ভোট হবে উৎসবের। মানুষ তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করবে। যার যাকে ইচ্ছা তাকেই ভোট দেবে। দেবিদ্বারে আমরা সামাজিক সৌহার্দ্য বজায় রাখব।
৩ ঘণ্টা আগে