
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভোটগ্রহণ চলাকালীন অসুস্থ হয়ে মো. মুজাহিদুল ইসলাম নামে এক পোলিং অফিসারের মৃত্যু হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সরাইল উপজেলা জেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
দেশজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ চললেও এই ঘটনায় সরাইলের স্থানীয় নির্বাচনী কর্মকর্তা ও কর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সরাইল উপজেলার জেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম ভোট কেন্দ্র নং–৫১ এ পোলিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে মো. মুজাহিদুল ইসলাম (শিক্ষক, পানিশ্বর ইসলামী ফাউন্ডেশন) অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে দ্রুত সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সরাইল উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবু বকর সরকার পোলিং অফিসারের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভোটগ্রহণ চলাকালীন অসুস্থ হয়ে মো. মুজাহিদুল ইসলাম নামে এক পোলিং অফিসারের মৃত্যু হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সরাইল উপজেলা জেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
দেশজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ চললেও এই ঘটনায় সরাইলের স্থানীয় নির্বাচনী কর্মকর্তা ও কর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সরাইল উপজেলার জেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম ভোট কেন্দ্র নং–৫১ এ পোলিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে মো. মুজাহিদুল ইসলাম (শিক্ষক, পানিশ্বর ইসলামী ফাউন্ডেশন) অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে দ্রুত সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সরাইল উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবু বকর সরকার পোলিং অফিসারের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টা ৫৫ মিনিটের দিকে কাজীর দেউরি বালক উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মনু মিয়া বাগমনিরাম এলাকার ব্যাটারিগলি এলাকার বাসিন্দা। তিনি চট্টগ্রাম-১৪ আসনের ভোটার।
২ ঘণ্টা আগে
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, সকাল ৮টায় আলিয়া মাদ্রাস একাডেমিক ভবন কেন্দ্রের অদূরে সামনে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।
২ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘ দুই বছর ধরে শয্যাশায়ী শতবর্ষী এক বৃদ্ধা অসুস্থ শরীর নিয়েও ভোট দিতে কেন্দ্রে আসেন। পরিবারের সদস্যরা ভ্যানে করে তাকে কেন্দ্রে নিয়ে আসেন। পরে পুত্রবধূর কোলে ভর করে তিনি বুথে প্রবেশ করেন এবং পোলিং কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় নিজের ভোট প্রদান করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
ভোট দিয়ে বের হয়ে হাসনাত বলেন, ভোটে ভয়ের কিছু নেই, ভোট হবে উৎসবের। মানুষ তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করবে। যার যাকে ইচ্ছা তাকেই ভোট দেবে। দেবিদ্বারে আমরা সামাজিক সৌহার্দ্য বজায় রাখব।
৩ ঘণ্টা আগে