
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনা-২ (নেত্রকোনা সদর-বারহাট্টা) আসনে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক এ টি এম আব্দুল বারী ড্যানীকে চুড়ান্তভাবে মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে গণমিছিল করেছেন তার কর্মী-সমর্থকরা। এ আসনে ডা. মো. আনোয়ারুল হক।
মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) বিকেলে বারহাট্টা সদরে এ গণমিছিল হয়েছে। এতে কয়েক হাজার নেতাকর্মী, সমর্থক ও এলাকাবাসী অংশ নেন।
গণমিছিলটি নেত্রকোনা-বারহাট্টা আঞ্চলিক মহাসড়কের বারহাট্টার ফায়ার সার্ভিস মোড় এলাকা থেকে যাত্রা শুরু করে। পরে বারহাট্টা-মোহনগঞ্জগামী সড়কের প্রায় এক-দেড় কিলোমিটার রাস্তা প্রদক্ষিণ এবং বারহাট্টা বাজারের অতিক্রম করে উপজেলার দলীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
মিছিলের পর সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বারহাট্টা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক প্রদীপ কুমার সরকার শ্যামল বলেন, তারেক রহমান দূরদর্শী নেতা। তিনি আমাদের হতাশ করবেন না। এ টি এম আব্দুল বারী ড্যানী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ চত্বর থেকে বেড়ে ওঠা ছাত্রনেতা। ৪০ বছর ধরে ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে তিলতিল করে গড়ে উঠেছেন তিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় লোক প্রশাসনে পড়াশোনা করেও তিনি চাকরির পেছনে দৌড়াননি। সাধারণ মানুষের সেবা করার লক্ষ্যে রাজনীতি করেছেন। জীবনে কখনো আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি।
প্রদীপ কুমার আরও বলেন, ড্যানী নেত্রকোনা জেলার সবচেয়ে ক্লিন ইমেজের নেতা। আমরা বারহাট্টাবাসী উনাকে নিয়ে গর্বিত। বারহাট্টা অবহেলিত উপজেলা। যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও বারহাট্টাবাসী বারবার সংসদ নির্বাচন থেকে মনোনয়ন বঞ্চিত হয়েছে। স্বাধীনতার পর হতে বারহাট্টাবাসী এমপি হিসেবে বারহাট্টার কাউকে পায়নি। এই সংসদীয় আসনটিতে জয়লাভ করতে হলে চুড়ান্ত মনোনয়নে অবশ্যই আব্দুল বারী ড্যানীকে রাখতে হবে। তা না হলে এ আসনে আমাদের ভরাডুবি নিশ্চিত। তারেক রহমান অবশ্যই আমাদের আবেগ অনুভূতির মূল্যায়ন করবেন।
জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদউদ্দিন বলেন, আব্দুল বারী ড্যানী বিএনপির পরীক্ষিত নেতা। তিনি রাজনৈতিক জীবনে চাওয়া-পাওয়ার ঊর্ধ্বে উঠে সবসময় রাজনীতি করেছেন। ২০১৮ সালে ড্যানী ভাইকে মনোনয়ন ঘোষণা করে পরে আবারও পরিবর্তন করা হয়েছিল। এবার ড্যানী ভাইকে চুড়ান্ত মনোনয়ন না দিলে সাধারণ মানুষ মুখ ফিরিয়ে নেবে।
ফরিদউদ্দিন আরও বলেন, সম্ভ্যাব্য প্রাথমিক মনোনয়ন না পেয়েও তিনি আমাদের সহিংসতা করতে নিষেধ করেছেন। আমরা দলের বিরুদ্ধে শ্লোগান দিতে চাই না। আওয়ামী লীগ দ্বিতীয় গোপালগঞ্জ উপাধি দিয়েছিল নেত্রকোনা-২ আসনকে। আব্দুল বারী ড্যানী ছাড়া এই আসনে জয়ী হওয়া কঠিন। তাই আমাদের প্রাণের দাবি, তৃণমূলকে বাঁচাতে চুড়ান্ত মনোনয়নের সময় যেন আব্দুল বারী ড্যানীকেই দেওয়া হয়।
গণমিছিলে অংশ নেন বারহাট্টা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবীর নয়ন, বারহাট্টা উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান জামাল, বারহাট্টা উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদ, জেলা উলামা দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির, বারহাট্টা উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব নুরুল ইসলাম শেখ, বারহাট্টা উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম-আহবায়ক মাহাবুব রহমান চন্দন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক জিয়াউল হক রঞ্জু, বারহাট্টা সরকারি কলেজ ছাত্রদল আহবায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন, সদস্য সচিব তানভীর হাসান মুন্নাসহ কয়েক স্থানীয় সাধারণ জনতা।

নেত্রকোনা-২ (নেত্রকোনা সদর-বারহাট্টা) আসনে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক এ টি এম আব্দুল বারী ড্যানীকে চুড়ান্তভাবে মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে গণমিছিল করেছেন তার কর্মী-সমর্থকরা। এ আসনে ডা. মো. আনোয়ারুল হক।
মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) বিকেলে বারহাট্টা সদরে এ গণমিছিল হয়েছে। এতে কয়েক হাজার নেতাকর্মী, সমর্থক ও এলাকাবাসী অংশ নেন।
গণমিছিলটি নেত্রকোনা-বারহাট্টা আঞ্চলিক মহাসড়কের বারহাট্টার ফায়ার সার্ভিস মোড় এলাকা থেকে যাত্রা শুরু করে। পরে বারহাট্টা-মোহনগঞ্জগামী সড়কের প্রায় এক-দেড় কিলোমিটার রাস্তা প্রদক্ষিণ এবং বারহাট্টা বাজারের অতিক্রম করে উপজেলার দলীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
মিছিলের পর সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বারহাট্টা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক প্রদীপ কুমার সরকার শ্যামল বলেন, তারেক রহমান দূরদর্শী নেতা। তিনি আমাদের হতাশ করবেন না। এ টি এম আব্দুল বারী ড্যানী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ চত্বর থেকে বেড়ে ওঠা ছাত্রনেতা। ৪০ বছর ধরে ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে তিলতিল করে গড়ে উঠেছেন তিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় লোক প্রশাসনে পড়াশোনা করেও তিনি চাকরির পেছনে দৌড়াননি। সাধারণ মানুষের সেবা করার লক্ষ্যে রাজনীতি করেছেন। জীবনে কখনো আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি।
প্রদীপ কুমার আরও বলেন, ড্যানী নেত্রকোনা জেলার সবচেয়ে ক্লিন ইমেজের নেতা। আমরা বারহাট্টাবাসী উনাকে নিয়ে গর্বিত। বারহাট্টা অবহেলিত উপজেলা। যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও বারহাট্টাবাসী বারবার সংসদ নির্বাচন থেকে মনোনয়ন বঞ্চিত হয়েছে। স্বাধীনতার পর হতে বারহাট্টাবাসী এমপি হিসেবে বারহাট্টার কাউকে পায়নি। এই সংসদীয় আসনটিতে জয়লাভ করতে হলে চুড়ান্ত মনোনয়নে অবশ্যই আব্দুল বারী ড্যানীকে রাখতে হবে। তা না হলে এ আসনে আমাদের ভরাডুবি নিশ্চিত। তারেক রহমান অবশ্যই আমাদের আবেগ অনুভূতির মূল্যায়ন করবেন।
জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদউদ্দিন বলেন, আব্দুল বারী ড্যানী বিএনপির পরীক্ষিত নেতা। তিনি রাজনৈতিক জীবনে চাওয়া-পাওয়ার ঊর্ধ্বে উঠে সবসময় রাজনীতি করেছেন। ২০১৮ সালে ড্যানী ভাইকে মনোনয়ন ঘোষণা করে পরে আবারও পরিবর্তন করা হয়েছিল। এবার ড্যানী ভাইকে চুড়ান্ত মনোনয়ন না দিলে সাধারণ মানুষ মুখ ফিরিয়ে নেবে।
ফরিদউদ্দিন আরও বলেন, সম্ভ্যাব্য প্রাথমিক মনোনয়ন না পেয়েও তিনি আমাদের সহিংসতা করতে নিষেধ করেছেন। আমরা দলের বিরুদ্ধে শ্লোগান দিতে চাই না। আওয়ামী লীগ দ্বিতীয় গোপালগঞ্জ উপাধি দিয়েছিল নেত্রকোনা-২ আসনকে। আব্দুল বারী ড্যানী ছাড়া এই আসনে জয়ী হওয়া কঠিন। তাই আমাদের প্রাণের দাবি, তৃণমূলকে বাঁচাতে চুড়ান্ত মনোনয়নের সময় যেন আব্দুল বারী ড্যানীকেই দেওয়া হয়।
গণমিছিলে অংশ নেন বারহাট্টা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবীর নয়ন, বারহাট্টা উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান জামাল, বারহাট্টা উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদ, জেলা উলামা দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির, বারহাট্টা উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব নুরুল ইসলাম শেখ, বারহাট্টা উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম-আহবায়ক মাহাবুব রহমান চন্দন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক জিয়াউল হক রঞ্জু, বারহাট্টা সরকারি কলেজ ছাত্রদল আহবায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন, সদস্য সচিব তানভীর হাসান মুন্নাসহ কয়েক স্থানীয় সাধারণ জনতা।

স্থানীয়রা বলছিলেন, আবদুল খালেক ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে ভোটের মাঠে থেকে গেলে জোনায়েদ সাকির জন্য নির্বাচন কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। সবশেষ তথ্য বলছে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকের পর ভোট থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন আবদুল খালেক।
১ দিন আগে
পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। তবে ঘরের ভেতরে রাসায়নিক দ্রব্য ও বোমা তৈরির বিভিন্ন আলামত পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান ওসি।
২ দিন আগে
লালমনিরহাট-১৫ বিজিবি সূত্র জানায়, মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ১২টা ১০ মিনিটে দইখাওয়া বিওপির একটি টহলদল সীমান্তে হঠাৎ গুলির শব্দ শোনতে পায়। পরে সীমান্ত পিলার ৯০২-এর কাছ থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় রনি মিয়াকে উদ্ধার করে অ্যাম্বুলেন্সযোগে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
২ দিন আগে
আহতদের অভিযোগ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাইদ আহমেদের নেতৃত্বে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে জানতে মুঠোফোনে সৈয়দ সাইদ আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
২ দিন আগে