
খুলনা প্রতিনিধি

খুলনায় ‘শেখ বাড়ি’ হিসেবে পরিচিত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চাচার বাড়ি বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দিচ্ছে ছাত্র-জনতা। খুলনা সিটি করপোরেশনের দুটি বুলডোজার নিয়ে যাওয়া হয়েছে ওই বাড়িটি গুঁড়িয়ে দিতে। এর আগে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে সরকার পতনের সময়ও ওই বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছিল।
বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা ঘোষণা দিয়ে ওই বাড়িতে ভাঙচুর চালান। সেখানে শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগ, যুবলীগের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে শোনা যায় ছাত্র-জনতাকে।
খুলনা শহরের শেরেবাংলা রোডের দোতলা বাড়িটি ‘শেখ বাড়ি’ নামে পরিচিত। শেখ হাসিনার পাঁচ চাচাতো ভাই শেখ হেলাল, শেখ জুয়েল, শেখ সোহেল, শেখ রুবেল ও শেখ বেলাল সেখানে থাকতেন। শেখ হেলাল ও শেখ জুয়েল সংসদ সদস্য ছিলেন।
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে সরকার পতনের আগের দিন ৪ আগস্ট প্রথম দফায় বাড়িটিতে আগুন দেয় ছাত্র-জনতা। পরদিন ৫ আগস্ট সেখানে ভাঙচুর চালানো হয়, আবার আগুন দেওয়া হয়। বাড়ির মালামালও লুটপাট করা হয়। বাড়িটির অবকাঠামোটুকুই টিকে ছিল এতদিন। বুধবার সেটিও ভেঙে ফেলা হচ্ছে।
নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের ফেসবুক পেজে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা ছাত্রসমাজের উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন— মঙ্গলবার রাতে ছাত্রলীগের ফেসবুক পেজে এ খবর জানিয়ে পোস্ট করার পর থেকেই রাজধানীর ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি ভাঙচুরের ঘোষণা আসে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন মহল থেকে।
বুধবার রাত সোয়া ৯টার দিকে শেখ হাসিনা সেই বক্তব্য দিতে শুরু করেন। তবে এর আগেই রাত ৮টার দিকে ছাত্র-জনতা ধানমন্ডি ৩২ নম্বর বাড়িটিরে ফটক ভেঙে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর শুরু করে। এর ঘণ্টাখানেক পরই খুলনায় শেখ বাড়িতে ভাঙচুর শুরু হয়।

খুলনায় ‘শেখ বাড়ি’ হিসেবে পরিচিত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চাচার বাড়ি বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দিচ্ছে ছাত্র-জনতা। খুলনা সিটি করপোরেশনের দুটি বুলডোজার নিয়ে যাওয়া হয়েছে ওই বাড়িটি গুঁড়িয়ে দিতে। এর আগে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে সরকার পতনের সময়ও ওই বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছিল।
বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা ঘোষণা দিয়ে ওই বাড়িতে ভাঙচুর চালান। সেখানে শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগ, যুবলীগের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে শোনা যায় ছাত্র-জনতাকে।
খুলনা শহরের শেরেবাংলা রোডের দোতলা বাড়িটি ‘শেখ বাড়ি’ নামে পরিচিত। শেখ হাসিনার পাঁচ চাচাতো ভাই শেখ হেলাল, শেখ জুয়েল, শেখ সোহেল, শেখ রুবেল ও শেখ বেলাল সেখানে থাকতেন। শেখ হেলাল ও শেখ জুয়েল সংসদ সদস্য ছিলেন।
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে সরকার পতনের আগের দিন ৪ আগস্ট প্রথম দফায় বাড়িটিতে আগুন দেয় ছাত্র-জনতা। পরদিন ৫ আগস্ট সেখানে ভাঙচুর চালানো হয়, আবার আগুন দেওয়া হয়। বাড়ির মালামালও লুটপাট করা হয়। বাড়িটির অবকাঠামোটুকুই টিকে ছিল এতদিন। বুধবার সেটিও ভেঙে ফেলা হচ্ছে।
নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের ফেসবুক পেজে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা ছাত্রসমাজের উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন— মঙ্গলবার রাতে ছাত্রলীগের ফেসবুক পেজে এ খবর জানিয়ে পোস্ট করার পর থেকেই রাজধানীর ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি ভাঙচুরের ঘোষণা আসে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন মহল থেকে।
বুধবার রাত সোয়া ৯টার দিকে শেখ হাসিনা সেই বক্তব্য দিতে শুরু করেন। তবে এর আগেই রাত ৮টার দিকে ছাত্র-জনতা ধানমন্ডি ৩২ নম্বর বাড়িটিরে ফটক ভেঙে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর শুরু করে। এর ঘণ্টাখানেক পরই খুলনায় শেখ বাড়িতে ভাঙচুর শুরু হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মমতাজ পারভীন তার দুই যমজ মেয়ে ও ভাগনেকে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে ঢাকাগামী 'নীলফামারী ট্রাভেলস' নামক একটি বাস তাদের সজোরে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই মা ও মেয়ের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক মনিরুল ইসলাম গুরুতর আহত হলেও মমতাজের অপর কন্যা মুবাশ্বিরা ভাগ্যক্রম
১৯ ঘণ্টা আগে
বিষয়টি নিশ্চিত করে আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানিয়েছেন, দগ্ধদের মধ্যে জিল হক ও উম্মে হুমায়রার শরীরের যথাক্রমে ৫৪ ও ৬৫ শতাংশ পুড়ে গেছে, যার ফলে তাদের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। পরিবারের অন্য দুই সদস্য—মনোয়ারা বেগম ও শিশু হুররামও হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। সিলিন্ডার লিকেজ থেকে জমে থাকা গ্যা
২১ ঘণ্টা আগে
গোলাগুলি শেষে সেনা সদস্যরা এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে ইউনিফর্ম পরিহিত অবস্থায় হ্লামংনু মার্মাকে গুলিবিদ্ধ উদ্ধার করে। পরে তাকে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি সাবমেশিনগান (এসএমজি), ১৪৩ রাউন্ড এসএমজি গুলি, ১৪ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, ৫ রাউন্ড ব্লাঙ্ক অ্যামোনিশন, দুটি ম্যাগাজিন ও অন্
২১ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের একটি বাজারে লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছিল ১২০ টাকায়। এমন পরিস্থিতিতে বাজার তদারকি করতে যান জেলা প্রশাসক। বাজারে গিয়ে দোকানিকে লেবুর হালি জিজ্ঞাসা করতেই দাম হাঁকেন ৪০ টাকা। এ সময় দাম কম বলায় লেবু কিনতে হুমড়ি খেয়ে পড়েন ক্রেতারা।
১ দিন আগে