
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীর চারঘাট উপজেলায় দলীয় কোন্দলের জেরে কর্মীদের হাতে বিএনপি নেতা এরশাদ আলী (৬৫) হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।
শনিবার সকালে নিহতের ছেলে রিমন আলী বাদী হয়ে চারঘাট থানায় ৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে- রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনের মনোনয়নবঞ্চিত নেতা ও জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বলকে (৫৫)। এছাড়া চারঘাট উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জহুরুল ইসলাম জীবন (৪৮)সহ আরও সাতজনকে আসামি করা হয়েছে।
অন্য আসামিরা হলেন—ইউসুফপুর নিখাইপাড়া গ্রামের মো. আমরাউল (৫৫), মো. জোয়াভ (৪৫), আতিকুল ইসলাম ওরফে সাইমুল (৪৫), মো. আসাদুল (৩০), মো. সুমন (৩২), মো. দাব্বির (২০) ও মো. হালিম (৫০)। এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, আতিকুল ইসলাম প্রধান আসামি উজ্জ্বলের চাচাতো ভাই।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বলের সমর্থক ও স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদ গ্রুপের সমর্থকদের মধ্যে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলছিল। নিহত এরশাদ আলী ছিলেন আবু সাঈদ চাঁদ গ্রুপের সমর্থক। এছাড়া ইউসুফপুর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য ছিলেন।
আগামী ৯ এপ্রিল ইউসুফপুরে একটি জলসার প্রধান অতিথি নির্ধারণকে কেন্দ্র করে শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ইউসুফপুর সিপাইপাড়া জামে মসজিদে স্থানীয়দের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। তখন এরশাদ আলী প্রতিবাদ করলে তাকে হুমকি দেওয়া হয়।
এজাহারে বলা হয়, শুক্রবার রাতে তারাবির নামাজ আদায় করতে ইউসুফপুর সিপাইপাড়া মসজিদে যান এরশাদ আলী। নামাজ শেষে রাত সাড়ে ৯টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে পূর্বপরিকল্পিতভাবে বাঁশের লাঠি, লোহার রড ও গাছের ডাল নিয়ে আসামিরা তাঁর পথরোধ করে। পরে তাঁকে বেধড়ক পিটিয়ে হত্যা করা হয়।
সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদ বলেন, এটি পরিকল্পিত হত্যা। জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
অভিযোগ অস্বীকার করে আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বল বলেন, ঘটনার সময় তিনি ঢাকায় ছিলেন। নিহত ব্যক্তি তাঁর আত্মীয় দাবি করে তিনি বলেন, মসজিদ কমিটি নিয়ে বিরোধ থেকেই এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। রাজনৈতিকভাবে আমাকে হেয় করতে মামলায় জড়ানো হয়েছে।
চারঘাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সিরাজুল ইসলাম জানান, মামলা রেকর্ড হয়েছে। তবে এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

রাজশাহীর চারঘাট উপজেলায় দলীয় কোন্দলের জেরে কর্মীদের হাতে বিএনপি নেতা এরশাদ আলী (৬৫) হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।
শনিবার সকালে নিহতের ছেলে রিমন আলী বাদী হয়ে চারঘাট থানায় ৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে- রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনের মনোনয়নবঞ্চিত নেতা ও জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বলকে (৫৫)। এছাড়া চারঘাট উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জহুরুল ইসলাম জীবন (৪৮)সহ আরও সাতজনকে আসামি করা হয়েছে।
অন্য আসামিরা হলেন—ইউসুফপুর নিখাইপাড়া গ্রামের মো. আমরাউল (৫৫), মো. জোয়াভ (৪৫), আতিকুল ইসলাম ওরফে সাইমুল (৪৫), মো. আসাদুল (৩০), মো. সুমন (৩২), মো. দাব্বির (২০) ও মো. হালিম (৫০)। এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, আতিকুল ইসলাম প্রধান আসামি উজ্জ্বলের চাচাতো ভাই।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বলের সমর্থক ও স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদ গ্রুপের সমর্থকদের মধ্যে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলছিল। নিহত এরশাদ আলী ছিলেন আবু সাঈদ চাঁদ গ্রুপের সমর্থক। এছাড়া ইউসুফপুর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য ছিলেন।
আগামী ৯ এপ্রিল ইউসুফপুরে একটি জলসার প্রধান অতিথি নির্ধারণকে কেন্দ্র করে শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ইউসুফপুর সিপাইপাড়া জামে মসজিদে স্থানীয়দের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। তখন এরশাদ আলী প্রতিবাদ করলে তাকে হুমকি দেওয়া হয়।
এজাহারে বলা হয়, শুক্রবার রাতে তারাবির নামাজ আদায় করতে ইউসুফপুর সিপাইপাড়া মসজিদে যান এরশাদ আলী। নামাজ শেষে রাত সাড়ে ৯টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে পূর্বপরিকল্পিতভাবে বাঁশের লাঠি, লোহার রড ও গাছের ডাল নিয়ে আসামিরা তাঁর পথরোধ করে। পরে তাঁকে বেধড়ক পিটিয়ে হত্যা করা হয়।
সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদ বলেন, এটি পরিকল্পিত হত্যা। জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
অভিযোগ অস্বীকার করে আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বল বলেন, ঘটনার সময় তিনি ঢাকায় ছিলেন। নিহত ব্যক্তি তাঁর আত্মীয় দাবি করে তিনি বলেন, মসজিদ কমিটি নিয়ে বিরোধ থেকেই এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। রাজনৈতিকভাবে আমাকে হেয় করতে মামলায় জড়ানো হয়েছে।
চারঘাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সিরাজুল ইসলাম জানান, মামলা রেকর্ড হয়েছে। তবে এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১ দিন আগে