
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঢাকার সায়েন্সল্যাব মোড়ে সিটি কলেজ ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় উভয় কলেজের শিক্ষার্থীদের পাল্টাপাল্টি ইট পাটকেল নিক্ষেপ করতে দেখা যায়। মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে এ সংঘর্ষ এবং ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার সূত্রপাত হয়৷
ফেসবুকে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীরা সংঘর্ষে জড়িয়েছে বলে জানা গেছে।
ঘটনাস্থলে দেখা গেছে, সিটি কলেজে শিক্ষার্থীরা সায়েন্সল্যাব ফুটওভার ব্রিজের নিচে এবং ঢাকা কলেজে শিক্ষার্থীরা সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজের সামনে অবস্থান নিয়েছে। উভয় পক্ষ ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে দেখা গেছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিবৃত্ত করতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের ডিসি মাসুদ আলমকে তৎপর থাকতে দেখা গেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত।
ঢাকা কলেজের এক শিক্ষার্থী জানান, সকালে ফেসবুকের লেখালেখিকে কেন্দ্র করে দুই কলেজের উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীরা মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় দুই পক্ষই ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। তবে কিছুক্ষণ পরই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যায়।
ডিএমপির রমনা বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার (নিউমার্কেট জোন) তারিক লতিফ বলেন, সকাল ১১টার পর ঢাকা কলেজ ও সিটি কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ফেসবুকে লেখালেখিকে কেন্দ্র করে এই ঘটনা ঘটে। তবে এখন দুই কলেজের শিক্ষার্থীরা শান্ত রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
ঢাকা কলেজের এক শিক্ষার্থী জানান, গত পরশুদিন সায়েন্সল্যাব এলাকায় একটি বাসে বাগ্বিতণ্ডার জেরে ঢাকা কলেজের উচ্চ মাধ্যমিকের এক শিক্ষার্থীর আইডি কার্ড নিয়ে নেয় সিটি কলেজের শিক্ষার্থীরা। সেই ঘটনা ফেসবুকে পোস্ট করেন ঢাকা কলেজের এক শিক্ষার্থী। সেটিকে কেন্দ্র করে আজ দুই কলেজের উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়।

ঢাকার সায়েন্সল্যাব মোড়ে সিটি কলেজ ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় উভয় কলেজের শিক্ষার্থীদের পাল্টাপাল্টি ইট পাটকেল নিক্ষেপ করতে দেখা যায়। মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে এ সংঘর্ষ এবং ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার সূত্রপাত হয়৷
ফেসবুকে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীরা সংঘর্ষে জড়িয়েছে বলে জানা গেছে।
ঘটনাস্থলে দেখা গেছে, সিটি কলেজে শিক্ষার্থীরা সায়েন্সল্যাব ফুটওভার ব্রিজের নিচে এবং ঢাকা কলেজে শিক্ষার্থীরা সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজের সামনে অবস্থান নিয়েছে। উভয় পক্ষ ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে দেখা গেছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিবৃত্ত করতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের ডিসি মাসুদ আলমকে তৎপর থাকতে দেখা গেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত।
ঢাকা কলেজের এক শিক্ষার্থী জানান, সকালে ফেসবুকের লেখালেখিকে কেন্দ্র করে দুই কলেজের উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীরা মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় দুই পক্ষই ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। তবে কিছুক্ষণ পরই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যায়।
ডিএমপির রমনা বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার (নিউমার্কেট জোন) তারিক লতিফ বলেন, সকাল ১১টার পর ঢাকা কলেজ ও সিটি কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ফেসবুকে লেখালেখিকে কেন্দ্র করে এই ঘটনা ঘটে। তবে এখন দুই কলেজের শিক্ষার্থীরা শান্ত রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
ঢাকা কলেজের এক শিক্ষার্থী জানান, গত পরশুদিন সায়েন্সল্যাব এলাকায় একটি বাসে বাগ্বিতণ্ডার জেরে ঢাকা কলেজের উচ্চ মাধ্যমিকের এক শিক্ষার্থীর আইডি কার্ড নিয়ে নেয় সিটি কলেজের শিক্ষার্থীরা। সেই ঘটনা ফেসবুকে পোস্ট করেন ঢাকা কলেজের এক শিক্ষার্থী। সেটিকে কেন্দ্র করে আজ দুই কলেজের উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়।

দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক জানান, হেলমেট পরা থাকায় হামলাকারীদের তাৎক্ষণিক শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে তাদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, ‘ব্যালেট বক্স পাহারা দিতে হবে। ২০০৮ সালে কী হয়েছিল মনে আছে? ২০০৮ সালে কিন্তু ওই যে ম্যাজিক…. এই আছে, এই নাই। একবার খালি বক্স দেখায়, আবার ভরা বক্স; মনে আছে তো? কাজেই এই ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে আপনাদেরকে।’
২০ ঘণ্টা আগে
এ অভিযোগ অস্বীকার করে জেলার খোন্দকার মো. আল-মামুন বলেন, একটি হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে তার পারিবারে। এটা কেন্দ্র করে তিনি এখন বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছেন। পাঁচ লাখ টাকার একটি অযৌক্তিক, অহেতুক, হয়রানিমূলক, মিথ্যা ও ভিত্তিহীন কথা বলে বেড়াচ্ছেন। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা। এমন ঘটে থাকলে তিনি যখন যশোর গেছেন,
১ দিন আগে
তিনি বলেন, মেয়েদের সবচেয়ে বেশি সম্মান দিয়েছে ইসলাম। জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে তিনি বলেন, আমরা তো বলিনি ছেলেরা সরো, মেয়ে বন্ধুরা এখন তোমরা আসো। আর মেয়েদের পাশে বসে সেলফি তোলে বয়োজ্যেষ্ঠ মানুষটা। বেপর্দা মেয়েদের সঙ্গে সেলফি তোলে। এটা তো ইসলামী আন্দোলন পারে না।
১ দিন আগে