
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার ভাগ্যকুল ইউনিয়নের কামারগাঁও সংলগ্ন পদ্মার চরে সূর্যমুখীর দৃষ্টিনন্দন ফুলের সমারোহ দেখতে দর্শনার্থীর উপচে পড়া ভিড় জমছে শুরু করেছে। আর দর্শনার্থীদের পদচারণায় সূর্যমুখীসহ অন্য ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। প্রতিদিন বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দুরদুরান্ত থেকে আগাত দর্শনার্থীরা দল বেঁধে পদ্মার চরে আসছেন সূর্যমুখীর জমিতে। ছবি-সেলফি তুলতে ঢুকে পড়ছেন জমির ভেতরে। পিছিয়ে নেই টিকটকাররাও। এতে ফসলের ক্ষতি হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কামারগাঁও এলাকার কৃষক মো. কাউসার খান।
ভুক্তভোগী কাউসার খান বলেন, সূর্যমুখী দেখতে প্রতিদিন বিকেলে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নারী-পুরুষ আসছেন পদ্মার চরে। তাদের পদচারণায় জমিতে অপরিপক্ক সূর্যমুখীর ফসলের ক্ষতি হচ্ছে। এছাড়া আশপাশের অন্যান্য ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। দর্শনার্থীরা ছবি-সেলফি তুলতে জমিতে প্রবেশ করছেন। ফুল ছিড়ে নিচ্ছেন। বিশেষ করে গত শুক্রবার বিকেলে প্রায় অর্ধশতাধিক প্রাইভেটকার, দুই শতাধিক মোটরসাইকেল ও দেড় শতাধিক ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক নিয়ে হাজারো মানুষের সমাগম ঘটে সূর্যমুখীর জমিতে। এসব মানুষের ভিড় ঠেকাতে রিতিমত হিমসিম খেতে হচ্ছে। পাহাড়াদাররাও লোক ঠেকাতে পারছেন না। সুযোগ বুঝে দর্শনার্থীরা ক্ষেতের ভেতরে ঢুকে পড়ছেন।
তিনি আরো জানান, প্রথমবারের মতো চরের ১৬ বিঘা জমিতে সূর্যমুখীর চাষ করছেন তিনি। স্থানীয় কৃষি অফিস থেকে সূর্যমুখীর প্রায় ১০ কেজি বীজ ও কিছু সার প্রদান করা হয় তাকে। খোলাবাজার থেকে ৬/৭ কেজি বীজসহ প্রয়োজনীয় সার কিনতে হচ্ছে। তিনিসহ মোট ৪ জন মিলে সূর্যমুখীর ক্ষতি করছেন। এ চাষে সর্বমোট ৪ লাখ টাকা ব্যয় ধরছেন তারা।
কৃষক কাউসার খান আরো বলেন, এই পরিস্থিতিতে সূর্যমুখীর জমিতে দর্শনার্থীদের পদচারণা ঠেকানো সম্ভব হচ্ছে না। বিকেল হলেই পুরো জমির চারপাশ ঘিরে শতশত নারী-পুরুষ ভিড় জমাচ্ছেন। ফসলের ক্ষতি না করার জন্য দর্শনার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
কাউসার খান বলেন, সব ঠিক থাকলে আর এক মাস বাদে সূর্যমুখীর ফুল থেকে দানাদার তেলবীজ সংগ্রহ করবেন। তবে তেলবীজ সংগ্রহ করার কোনো আধুনিক মাড়াই যন্ত্র নেই তার।
সরেজমিনে দেখা গেছে, পদ্মার চরে সবুজের বুকে সূর্যমুখী ফুলের হাসি। বসন্তের হিমেল হাওয়ায় সূর্যমুখী ফুল হেলে দুলে প্রকৃতির সৌন্দর্যকে আরো রাঙ্গিয়ে তুলেছে। অবিরাম এমন নজরকারা সূর্যমুখী ফুলের সৌন্দর্য প্রকৃতি প্রেমীদের আকৃষ্ট করছে। গত শনিবার পরন্ত বিকেলে মন-মুগ্ধকর সূর্যমুখীর সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসা দর্শনার্থীদের জমির চার পাশ হেঁটে বেড়াতে দেখা গেছে। ছবি-সেলফি তুলতে ঢুকে পড়ছেন ক্ষেতের ভেতরে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শ্রীনগরে আড়িয়ল বিল এলাকার পুর্ব-বাড়ৈখালীর মো. মোরছালিম ৩ বিঘা জমিতে সূর্যমুখীর চাষ করে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন। এখানেও দৃষ্টিনন্দন সূর্যমুখী ফুল জৌলুস ছড়াচ্ছে। দর্শনার্থীরা ছুটে আসছেন সূর্যমুখীর সৌন্দর্য উপভোগ করতে।
এ বিষয়ে ভাগ্যকুল ইউনিয়নের উপসহকারী (দায়িত্বপ্রাপ্ত-কামারগাঁও ব্লক) কৃষি অফিসার সাবিত্রী রানী সরকার জানান, পদ্মার চরে সূর্যমূখীর চাষ হচ্ছে। একাধিকবার পরিদর্শনে গিয়েছি। চরে কাদেরী জাতের সূর্যমুখীর চাষাবাদ হচ্ছে। সূর্যমুখীর ক্ষেত দেখতে দর্শনার্থীর পদচারণায় অপরিপক্ক সূর্যমুখীসহ অন্যান্য ফসলের
ক্ষতির বিষয়ে জানতে পেরেছি। মানুষের ভিড় ঠেকাতে ক্ষেতে বেড়া দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনে পাহারাদার রাখতে সংশ্লিষ্ট কৃষককে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
শ্রীনগর উপজেলা কৃষি অফিসার মোহসিনা জাহান তোরণ জানান, উচ্চ ফলনশীল সূর্যমুখীর চাষে স্থানীয় কৃষকদের উদ্বুদ্ধকরণের লক্ষ্যে প্রণোদনার আওতায় এ বছর ৪০ জন উদ্যোক্তাকে বিনামূল্যে বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে।

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার ভাগ্যকুল ইউনিয়নের কামারগাঁও সংলগ্ন পদ্মার চরে সূর্যমুখীর দৃষ্টিনন্দন ফুলের সমারোহ দেখতে দর্শনার্থীর উপচে পড়া ভিড় জমছে শুরু করেছে। আর দর্শনার্থীদের পদচারণায় সূর্যমুখীসহ অন্য ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। প্রতিদিন বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দুরদুরান্ত থেকে আগাত দর্শনার্থীরা দল বেঁধে পদ্মার চরে আসছেন সূর্যমুখীর জমিতে। ছবি-সেলফি তুলতে ঢুকে পড়ছেন জমির ভেতরে। পিছিয়ে নেই টিকটকাররাও। এতে ফসলের ক্ষতি হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কামারগাঁও এলাকার কৃষক মো. কাউসার খান।
ভুক্তভোগী কাউসার খান বলেন, সূর্যমুখী দেখতে প্রতিদিন বিকেলে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নারী-পুরুষ আসছেন পদ্মার চরে। তাদের পদচারণায় জমিতে অপরিপক্ক সূর্যমুখীর ফসলের ক্ষতি হচ্ছে। এছাড়া আশপাশের অন্যান্য ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। দর্শনার্থীরা ছবি-সেলফি তুলতে জমিতে প্রবেশ করছেন। ফুল ছিড়ে নিচ্ছেন। বিশেষ করে গত শুক্রবার বিকেলে প্রায় অর্ধশতাধিক প্রাইভেটকার, দুই শতাধিক মোটরসাইকেল ও দেড় শতাধিক ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক নিয়ে হাজারো মানুষের সমাগম ঘটে সূর্যমুখীর জমিতে। এসব মানুষের ভিড় ঠেকাতে রিতিমত হিমসিম খেতে হচ্ছে। পাহাড়াদাররাও লোক ঠেকাতে পারছেন না। সুযোগ বুঝে দর্শনার্থীরা ক্ষেতের ভেতরে ঢুকে পড়ছেন।
তিনি আরো জানান, প্রথমবারের মতো চরের ১৬ বিঘা জমিতে সূর্যমুখীর চাষ করছেন তিনি। স্থানীয় কৃষি অফিস থেকে সূর্যমুখীর প্রায় ১০ কেজি বীজ ও কিছু সার প্রদান করা হয় তাকে। খোলাবাজার থেকে ৬/৭ কেজি বীজসহ প্রয়োজনীয় সার কিনতে হচ্ছে। তিনিসহ মোট ৪ জন মিলে সূর্যমুখীর ক্ষতি করছেন। এ চাষে সর্বমোট ৪ লাখ টাকা ব্যয় ধরছেন তারা।
কৃষক কাউসার খান আরো বলেন, এই পরিস্থিতিতে সূর্যমুখীর জমিতে দর্শনার্থীদের পদচারণা ঠেকানো সম্ভব হচ্ছে না। বিকেল হলেই পুরো জমির চারপাশ ঘিরে শতশত নারী-পুরুষ ভিড় জমাচ্ছেন। ফসলের ক্ষতি না করার জন্য দর্শনার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
কাউসার খান বলেন, সব ঠিক থাকলে আর এক মাস বাদে সূর্যমুখীর ফুল থেকে দানাদার তেলবীজ সংগ্রহ করবেন। তবে তেলবীজ সংগ্রহ করার কোনো আধুনিক মাড়াই যন্ত্র নেই তার।
সরেজমিনে দেখা গেছে, পদ্মার চরে সবুজের বুকে সূর্যমুখী ফুলের হাসি। বসন্তের হিমেল হাওয়ায় সূর্যমুখী ফুল হেলে দুলে প্রকৃতির সৌন্দর্যকে আরো রাঙ্গিয়ে তুলেছে। অবিরাম এমন নজরকারা সূর্যমুখী ফুলের সৌন্দর্য প্রকৃতি প্রেমীদের আকৃষ্ট করছে। গত শনিবার পরন্ত বিকেলে মন-মুগ্ধকর সূর্যমুখীর সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসা দর্শনার্থীদের জমির চার পাশ হেঁটে বেড়াতে দেখা গেছে। ছবি-সেলফি তুলতে ঢুকে পড়ছেন ক্ষেতের ভেতরে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শ্রীনগরে আড়িয়ল বিল এলাকার পুর্ব-বাড়ৈখালীর মো. মোরছালিম ৩ বিঘা জমিতে সূর্যমুখীর চাষ করে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন। এখানেও দৃষ্টিনন্দন সূর্যমুখী ফুল জৌলুস ছড়াচ্ছে। দর্শনার্থীরা ছুটে আসছেন সূর্যমুখীর সৌন্দর্য উপভোগ করতে।
এ বিষয়ে ভাগ্যকুল ইউনিয়নের উপসহকারী (দায়িত্বপ্রাপ্ত-কামারগাঁও ব্লক) কৃষি অফিসার সাবিত্রী রানী সরকার জানান, পদ্মার চরে সূর্যমূখীর চাষ হচ্ছে। একাধিকবার পরিদর্শনে গিয়েছি। চরে কাদেরী জাতের সূর্যমুখীর চাষাবাদ হচ্ছে। সূর্যমুখীর ক্ষেত দেখতে দর্শনার্থীর পদচারণায় অপরিপক্ক সূর্যমুখীসহ অন্যান্য ফসলের
ক্ষতির বিষয়ে জানতে পেরেছি। মানুষের ভিড় ঠেকাতে ক্ষেতে বেড়া দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনে পাহারাদার রাখতে সংশ্লিষ্ট কৃষককে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
শ্রীনগর উপজেলা কৃষি অফিসার মোহসিনা জাহান তোরণ জানান, উচ্চ ফলনশীল সূর্যমুখীর চাষে স্থানীয় কৃষকদের উদ্বুদ্ধকরণের লক্ষ্যে প্রণোদনার আওতায় এ বছর ৪০ জন উদ্যোক্তাকে বিনামূল্যে বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে।

বগুড়া-৬ আসনে (সদর) উপনির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী ও দলের জেলা সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাতে উপনির্বাচনের রিটানিং কর্মকর্তা ফজলুল করিম তাকে বিজয়ী ঘোষণা করেন।
১ দিন আগে
ময়নাতদন্তের জন্য আবু সুফিয়ান রাব্বির মরদেহটি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্ত শেষে সন্ধ্যায় আবার দাফন করা হয়। রাব্বির গ্রামের বাড়ি ঈশ্বরগঞ্জের চরপুবাইলে। তিনি মা–বাবার সঙ্গে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মাওনা এলাকায় থাকতেন।
১ দিন আগে
পুরাতন বছরকে বিদায় এবং নতুন বছরকে বরণ করে নিতে খাগড়াছড়িতে শুরু হয়েছে পাহাড়ের অন্যতম প্রাণের উৎসব বৈসাবি। এ উপলক্ষ্যে ত্রিপুরা সম্প্রদায় আয়োজন করেছে বর্ণিল বৈসু শোভাযাত্রা ও ঐতিহ্যবাহী গড়িয়া নৃত্য।
১ দিন আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তাঁর বাবা মকবুল হোসেন ও মা মনোয়ারা বেগম। বৃহস্পতিবার দুপুরে রায় প্রকাশের পর প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন পরিবারের সদস্য ও সহযোদ্ধারা।
১ দিন আগে