
প্রতিনিধি, টঙ্গী (গাজীপুর)

বন্ধ ঘোষণা করা দুটি কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে গাজীপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন শ্রমিকরা। এতে ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।
সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) সকাল ১০টার দিকে কোনাবাড়ী এলাকায় এম এম নিটওয়্যার লিমিটেড ও মামুন নিটওয়্যার লিমিটেড কারখানার শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন।
পুলিশ ও শ্রমিকরা জানান, ১৮ ডিসেম্বর কারখানা দুটি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। পরে রোববার (২২ ডিসেম্বর) সকালে কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে শ্রমিকরা কারখানার মূল ফটকে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। ওইদিন বিকেলে কারখানা কর্তৃপক্ষ আলোচনায় বসবে শর্তে শ্রমিকরা বিক্ষোভ প্রত্যাহার করে নেন। ওই সময় কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের শর্ত সাপেক্ষে কাজে যোগদানের কথা জানায়। কিন্তু শ্রমিকরা তা মেনে নেয়নি।
পরে সোমবার সকালে কারখানা দুটির শ্রমিকরা পুনরায় কোনাবাড়ী এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। এসময় তারা বিনা শর্তে কারখানা খুলে দেওয়া ও শ্রমিকদের নামে মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান।
এর আগে ৩ নভেম্বর শিল্প পুলিশের এক সদস্যকে আঘাত করেন শ্রমিকরা। পরে শিল্প পুলিশ বাদী হয়ে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৫০-৬০ জনকে আসামি করে মামলা করে। ওই মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে ১৭ ডিসেম্বর শ্রমিকরা কাজ বন্ধ করে দেন। পরে কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়ে নিরাপত্তার স্বার্থে কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে।
গাজীপুর মেট্রোপলিটনের কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, শ্রমিকরা কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন। তাদের সঙ্গে কথা বলে সমাধানের চেষ্টা চলছে।

বন্ধ ঘোষণা করা দুটি কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে গাজীপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন শ্রমিকরা। এতে ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।
সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) সকাল ১০টার দিকে কোনাবাড়ী এলাকায় এম এম নিটওয়্যার লিমিটেড ও মামুন নিটওয়্যার লিমিটেড কারখানার শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন।
পুলিশ ও শ্রমিকরা জানান, ১৮ ডিসেম্বর কারখানা দুটি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। পরে রোববার (২২ ডিসেম্বর) সকালে কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে শ্রমিকরা কারখানার মূল ফটকে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। ওইদিন বিকেলে কারখানা কর্তৃপক্ষ আলোচনায় বসবে শর্তে শ্রমিকরা বিক্ষোভ প্রত্যাহার করে নেন। ওই সময় কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের শর্ত সাপেক্ষে কাজে যোগদানের কথা জানায়। কিন্তু শ্রমিকরা তা মেনে নেয়নি।
পরে সোমবার সকালে কারখানা দুটির শ্রমিকরা পুনরায় কোনাবাড়ী এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। এসময় তারা বিনা শর্তে কারখানা খুলে দেওয়া ও শ্রমিকদের নামে মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান।
এর আগে ৩ নভেম্বর শিল্প পুলিশের এক সদস্যকে আঘাত করেন শ্রমিকরা। পরে শিল্প পুলিশ বাদী হয়ে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৫০-৬০ জনকে আসামি করে মামলা করে। ওই মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে ১৭ ডিসেম্বর শ্রমিকরা কাজ বন্ধ করে দেন। পরে কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়ে নিরাপত্তার স্বার্থে কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে।
গাজীপুর মেট্রোপলিটনের কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, শ্রমিকরা কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন। তাদের সঙ্গে কথা বলে সমাধানের চেষ্টা চলছে।

সীতাকুণ্ড ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার আল মামুন গণমাধ্যমকে জানান, ফেরদৌস স্টিল শিপইয়ার্ডে তিন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। খবর পেয়ে তারা শিপইয়ার্ডের ভেতরে কাজ করছেন, সেখানে উদ্ধারকাজ চলছে। উদ্ধার অভিযান শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।
৬ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাঙ্গামাটির কাপ্তাই-রাঙ্গামাটি-আসামবস্তি সড়কের আগরবাগান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিকেল পাঁচটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত তিন ঘণ্টা সড়কটিতে যান চলাচল বন্ধ ছিল।
৬ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ভোরে নগরের ষোলশহর এলাকায় কয়েক শ চালক সড়ক অবরোধ করে অবস্থান নেন। এতে মুরাদপুর থেকে ২ নম্বর গেট পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। দুই পাশে তৈরি হয় তীব্র যানজট।
৭ ঘণ্টা আগে
এর আগে বুধবার ত্রিশালের কাঁঠাল ইউনিয়নের কালীরবাজারের কুলুরবাড়ি এলাকায় মারধরের ওই ঘটনা ঘটান ইউএনও আরাফাত। ছড়িয়ে পড়া ওই ঘটনার ফুটেজে দেখা যায়, কথা চলতে থাকার একপর্যায়ে ইউএনও ইজারাদারের এক কর্মীকে পরপর দুটি থাপ্পড় দেন। র্যাবের এক সদস্য ওই কর্মীকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ইউএনও ওই সদস্যের হাত থেকে একটি
১৮ ঘণ্টা আগে