
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

টাঙ্গাইলে এক সকালে দুই উপজেলার পৃথক স্থান থেকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তিন গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আগের রাতেই আরেক উপজেলায় এক মসজিদের নিরাপত্তা প্রহরীরও গলায় ফাঁস দেওয়া মরদেহ পাওয়া গেছে।
বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) রাতে দেলদুয়ার উপজেলা থেকে গলায় ফাঁস দেওয়া ওই তরুণের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শুক্রবার (১১ এপ্রিল) সকালে সদর ও সখীপুর উপজেলায় উদ্ধার করা হয় তিন গৃহবধূর মরদেহ। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহগুলো টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহতরা হলেন— টাঙ্গাইল সদর উপজেলার একঢালা গ্রামের আব্দুল মজিদ তালুকদারের মেয়ে মাহিমা আক্তার মিম (৩০), সখীপুর উপজেলার কালিয়া ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর এলাকার আর্জিনা আজহারুলের ইসলামের মেয়ে আর্জিনা আক্তার (২৫), উপজেলার কালমেঘা পূর্বপাড়া এলাকায় রিপন মিয়ার স্ত্রী আল্পনা আক্তার (২৫) ও দেলদুয়ার উপজেলার মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে ইমাম হোসেন (৩৭)।
পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার সকালে টাঙ্গাইল শহরের পূর্ব আদালত পাড়ার এক প্রবাসীর স্ত্রী মাহিমা আক্তার মিমের মরদেহ গলায় ওড়না পেচিয়ে ফ্যান থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। মেয়ে দেখতে পেয়ে পরিবারকে জানালে তারা পুলিশকে খবর দেন।
টাঙ্গাইল সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আরিফ রব্বানী বলেন, মাহিমা আক্তার মিম পূর্ব আদালত পাড়ায় মেয়েকে নিয়ে বাসা ভাড়া করে থাকতেন। কী কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন, তা জানা যায়নি।
এ দিন সকালে সখীপুর উপজেলার কালিয়া ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর এলাকার আর্জিনা আক্তার নামে আরেক গৃহবধূর মরদেহ গলায় ওড়না পেচিয়ে বাড়ির পেছনের বাগানের একটি গাছ থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরিবার ও পুলিশ জানিয়েছে, কুতুবপুর এলাকার আমিনুলের ছেলে প্রবাসী ইসমাঈলের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় আর্জিনার। কিছুদিন ধরে তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছে। আর্জিনার একমাত্র সন্তানের বয়স তিন বছর।
একই সালে সখীপুর উপজেলার বহুরিয়া ইউনিয়নের কালমেঘা পূর্বপাড়া এলাকায় আরেক গৃহবধূ আল্পনা আক্তারের মরদেহ ঝুলছিল ঘরের আড়ার সঙ্গে। তারও গলায় ওড়না পেচানো ছিল। দীর্ঘ দিন ধরে চলছিল পারিবারিক কলহ।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন বলেন, নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবার কাছে হস্তান্তর করা হবে।
এদিকে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে দেলদুয়ার উপজেলার দেলদুয়ার মডেল মসজিদের অফিস রুমের ভেতরে ইমাম হোসেন নামের এক তরুণের মরদেহ ফ্যান থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। ইমাম হোসেন দেলদুয়ার মডেল মসজিদের সিকিউরিটি দায়িত্ব পালন করছিলেন। পুলিশের ধারণা, ইমাম আত্মহত্যা করেছেন। এ ব্যাপারে থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

টাঙ্গাইলে এক সকালে দুই উপজেলার পৃথক স্থান থেকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তিন গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আগের রাতেই আরেক উপজেলায় এক মসজিদের নিরাপত্তা প্রহরীরও গলায় ফাঁস দেওয়া মরদেহ পাওয়া গেছে।
বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) রাতে দেলদুয়ার উপজেলা থেকে গলায় ফাঁস দেওয়া ওই তরুণের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শুক্রবার (১১ এপ্রিল) সকালে সদর ও সখীপুর উপজেলায় উদ্ধার করা হয় তিন গৃহবধূর মরদেহ। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহগুলো টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহতরা হলেন— টাঙ্গাইল সদর উপজেলার একঢালা গ্রামের আব্দুল মজিদ তালুকদারের মেয়ে মাহিমা আক্তার মিম (৩০), সখীপুর উপজেলার কালিয়া ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর এলাকার আর্জিনা আজহারুলের ইসলামের মেয়ে আর্জিনা আক্তার (২৫), উপজেলার কালমেঘা পূর্বপাড়া এলাকায় রিপন মিয়ার স্ত্রী আল্পনা আক্তার (২৫) ও দেলদুয়ার উপজেলার মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে ইমাম হোসেন (৩৭)।
পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার সকালে টাঙ্গাইল শহরের পূর্ব আদালত পাড়ার এক প্রবাসীর স্ত্রী মাহিমা আক্তার মিমের মরদেহ গলায় ওড়না পেচিয়ে ফ্যান থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। মেয়ে দেখতে পেয়ে পরিবারকে জানালে তারা পুলিশকে খবর দেন।
টাঙ্গাইল সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আরিফ রব্বানী বলেন, মাহিমা আক্তার মিম পূর্ব আদালত পাড়ায় মেয়েকে নিয়ে বাসা ভাড়া করে থাকতেন। কী কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন, তা জানা যায়নি।
এ দিন সকালে সখীপুর উপজেলার কালিয়া ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর এলাকার আর্জিনা আক্তার নামে আরেক গৃহবধূর মরদেহ গলায় ওড়না পেচিয়ে বাড়ির পেছনের বাগানের একটি গাছ থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরিবার ও পুলিশ জানিয়েছে, কুতুবপুর এলাকার আমিনুলের ছেলে প্রবাসী ইসমাঈলের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় আর্জিনার। কিছুদিন ধরে তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছে। আর্জিনার একমাত্র সন্তানের বয়স তিন বছর।
একই সালে সখীপুর উপজেলার বহুরিয়া ইউনিয়নের কালমেঘা পূর্বপাড়া এলাকায় আরেক গৃহবধূ আল্পনা আক্তারের মরদেহ ঝুলছিল ঘরের আড়ার সঙ্গে। তারও গলায় ওড়না পেচানো ছিল। দীর্ঘ দিন ধরে চলছিল পারিবারিক কলহ।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন বলেন, নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবার কাছে হস্তান্তর করা হবে।
এদিকে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে দেলদুয়ার উপজেলার দেলদুয়ার মডেল মসজিদের অফিস রুমের ভেতরে ইমাম হোসেন নামের এক তরুণের মরদেহ ফ্যান থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। ইমাম হোসেন দেলদুয়ার মডেল মসজিদের সিকিউরিটি দায়িত্ব পালন করছিলেন। পুলিশের ধারণা, ইমাম আত্মহত্যা করেছেন। এ ব্যাপারে থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

তিনি বলেছেন, ‘সন্ত্রাসীদের তালিকা হালনাগাদ সব সময় হচ্ছে। শীর্ষ সন্ত্রাসী তেমন নেই। যারা আছে, তারা শীর্ষ সন্ত্রাসীর সহযোগী বা তাদের নাম ভাঙিয়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।’
৯ ঘণ্টা আগে
ঈশ্বরদী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জামাল উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ব্যায়াম করতে গিয়ে তিনি হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করেন। এ সময় তার সহকর্মীরা তাকে গ্রীনসিটি আবাসিক এলাকার মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যান।
১৩ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দুর্গাপুর থেকে ছেড়ে আসা ময়মনসিংহগামী একটি বাসের সঙ্গে শ্যামগঞ্জ থেকে দুর্গাপুরগামী একটি সিএনজির বমুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই সিএনজির যাত্রী আইনুল হক নিহত হন।
১৩ ঘণ্টা আগে
আহত সাংবাদিক ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত সোয়া ১০টার দিকে বাতেন খাঁ মোড়ে চা পান করছিলেন দুই সাংবাদিক। এ সময় পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী রাব্বির নেতৃত্বে ৬ থেকে ৭ জনের একটি দল তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
১ দিন আগে