
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ আশপাশের জেলার পাড়া-মহল্লাতে কোরবানির পশু জবাই ও গোশত কাটতে গিয়ে আহত হয়েছেন ৩৫ জনের বেশি। আহতরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। আহতের সংখ্যা দিনভর আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ আশপাশের জেলার পাড়া-মহল্লাতে কোরবানির পশু জবাই ও গোশত কাটতে গিয়ে আহত হয়েছেন ৩৫ জনের বেশি। আহতরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। আহতের সংখ্যা দিনভর আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ আশপাশের জেলার পাড়া-মহল্লাতে কোরবানির পশু জবাই ও গোশত কাটতে গিয়ে আহত হয়েছেন ৩৫ জনের বেশি। আহতরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। আহতের সংখ্যা দিনভর আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।বিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ আশপাশের জেলার পাড়া-মহল্লাতে কোরবানির পশু জবাই ও গোশত কাটতে গিয়ে আহত হয়েছেন ৩৫ জনের বেশি। আহতরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। আহতের সংখ্যা দিনভর আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সোমবার এ তথ্য জানান ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের সহকারী ইনচার্জ মো. মাসুদ।
মো. মাসুদ জানান, সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সাড়ে ১০টা মধ্যে আনুমানিক ৩৫ জনের বেশি কোরবানির পশু জবাই ও গোস্ত কাটতে গিয়ে আহত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আহতদের মধ্যে মৌসুমি কসাইয়ের সংখ্যা বেশি।
নারায়ণগঞ্জের পাইকপাড়ায় গরুর গুতায় পেটে আঘাত পেয়ে চিকিৎসা নিতে আসেন মৌসুমি কসাই আমিরুল ইসলাম। তিনি জানান, নারায়ণগঞ্জে তারা ছয়জন একটি বড় গরু জবাই করার সময় গরুর শিংয়ের গুতায় তিনি আহত হন।
এছাড়া ধানমন্ডির এক নম্বর রোডে একটি বাড়িতে গোস্ত কাটার সময় মৌসুমি কসাই নজরুল আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
এদিকে, পুরান ঢাকার চকবাজার এলাকা থেকে গরু কাটার সময় নাজিম নামে এক ব্যক্তি আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তিনি জানান, গরু জবাইয়ের সময় হুজুরের ছুরি দ্বারা তার হাতের অনেকাংশে কেটে যায়।
এদিকে, রাজধানীর মালিবাগ, ওয়ারী, কমলাপুরসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে গরু কোরবানি দেওয়ার সময় আহত হয়ে অনেকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ আশপাশের জেলার পাড়া-মহল্লাতে কোরবানির পশু জবাই ও গোশত কাটতে গিয়ে আহত হয়েছেন ৩৫ জনের বেশি। আহতরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। আহতের সংখ্যা দিনভর আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ আশপাশের জেলার পাড়া-মহল্লাতে কোরবানির পশু জবাই ও গোশত কাটতে গিয়ে আহত হয়েছেন ৩৫ জনের বেশি। আহতরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। আহতের সংখ্যা দিনভর আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ আশপাশের জেলার পাড়া-মহল্লাতে কোরবানির পশু জবাই ও গোশত কাটতে গিয়ে আহত হয়েছেন ৩৫ জনের বেশি। আহতরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। আহতের সংখ্যা দিনভর আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।বিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ আশপাশের জেলার পাড়া-মহল্লাতে কোরবানির পশু জবাই ও গোশত কাটতে গিয়ে আহত হয়েছেন ৩৫ জনের বেশি। আহতরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। আহতের সংখ্যা দিনভর আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সোমবার এ তথ্য জানান ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের সহকারী ইনচার্জ মো. মাসুদ।
মো. মাসুদ জানান, সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সাড়ে ১০টা মধ্যে আনুমানিক ৩৫ জনের বেশি কোরবানির পশু জবাই ও গোস্ত কাটতে গিয়ে আহত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আহতদের মধ্যে মৌসুমি কসাইয়ের সংখ্যা বেশি।
নারায়ণগঞ্জের পাইকপাড়ায় গরুর গুতায় পেটে আঘাত পেয়ে চিকিৎসা নিতে আসেন মৌসুমি কসাই আমিরুল ইসলাম। তিনি জানান, নারায়ণগঞ্জে তারা ছয়জন একটি বড় গরু জবাই করার সময় গরুর শিংয়ের গুতায় তিনি আহত হন।
এছাড়া ধানমন্ডির এক নম্বর রোডে একটি বাড়িতে গোস্ত কাটার সময় মৌসুমি কসাই নজরুল আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
এদিকে, পুরান ঢাকার চকবাজার এলাকা থেকে গরু কাটার সময় নাজিম নামে এক ব্যক্তি আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তিনি জানান, গরু জবাইয়ের সময় হুজুরের ছুরি দ্বারা তার হাতের অনেকাংশে কেটে যায়।
এদিকে, রাজধানীর মালিবাগ, ওয়ারী, কমলাপুরসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে গরু কোরবানি দেওয়ার সময় আহত হয়ে অনেকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

কক্সবাজার জেলা কারাগারের জেলারের দায়িত্বে থাকা দেলোয়ার জাহান বলেন, গতকাল (বৃহস্পতিবার) বিকেল ৪টার পর সোনা মিয়ার জামিননামা কারাগারে পৌঁছালে বিষয়টি আইজি প্রিজনসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে অবহিত করা হয়। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ও আনুষ্ঠানিকতা শেষে আজ সোনা মিয়াকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, জুমার নামাজের আগে বাড়ির পাশে একটি পুকুরে গোসল করতে নেমেছিল ফাহিমা, লামিয়া ও সুলতানা। একপর্যায়ে তারা বাগানের ভেতরের গভীর ওই পুকুরের পানিতে ডুবে যায়। খবর পেয়ে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তিন শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন।
১৫ ঘণ্টা আগে
নিহত শ্রমিকদের মধ্যে চারজনের নাম-পরিচয় জানতে পেরেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তারা হলেন— সানি জলদাস (২২), পলাশ জলদাস (২৭), মনসুর আলী (৪০) ও নাসির উদ্দিন (৩৮)। চারজনই ভাটিয়ারী এলাকায় বসবাস করতেন। এর মধ্যে মনসুর ও নাসির সম্পর্কে আপন ভাই।
১৬ ঘণ্টা আগে
সীতাকুণ্ড ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার আল মামুন গণমাধ্যমকে জানান, ফেরদৌস স্টিল শিপইয়ার্ডে তিন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। খবর পেয়ে তারা শিপইয়ার্ডের ভেতরে কাজ করছেন, সেখানে উদ্ধারকাজ চলছে। উদ্ধার অভিযান শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।
১৯ ঘণ্টা আগে