
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সাভারে বৈষম্যবিরোধী কোটা আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে শিক্ষার্থী আব্দুল আহাদ সৈকত (১৭) নামের শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় শেখ হাসিনা ও কাদেরসহ মোট ১২৬ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিহত শিক্ষার্থী সৈকতের বাবা নজরুল ইসলাম বাদি হয়ে সাভার মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
নিহত সৈকত বগুড়া জেলার সোনাতলা থানার উত্তর দিগলকান্দি গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে। তিন ঢাকা কমার্স কলেজে একাদশ শ্রেণির ছাত্র।
মামলার আসামিরা হলেন- আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (৭৬), আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের (৭২), সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল (৭৫), সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এ আরাফাত (৫০), সাবেক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান (৭২), সাবেক সাভার উপজেলা চেয়ারম্যান মঞ্জুজুরুল আলম রাজিব (৫৫), সাভার পৌরসভার সাবেক মেয়র হাজী আব্দুল গণি (৭২), কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম মানিক মোল্লা (৬৫), তেঁতুলজোড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ফখরুল আলম সমর (৫০), আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফারুক হাসান তুহিন (৪৮), মাজহারুল ইসলাম রুবেল (৩৭), সাইদুর রহমান সুজন (৪৫), সাবেক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমানের এপিএস শামীম আহমেদ মিঠুন সরকার (৩৫), সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজীবের রাজু আহমেদ, সাভার উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আতিকুর রহমান আতিক (৩৫), জেলা উত্তর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মোবারক হোসেন খান পলক, মো. আব্দুল কুদ্দুস (৩৬), বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সেলিম মন্ডল (৪৭), সাভার পৌরসভার মেয়র আব্দুল গণির ছেলে কামরুল হাসান শাহীন (৪৮), তার ভাই মেহেদী হাসান তুষার (৪৫), ঢাকা জেলা উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক সায়েম মোল্লা (৪৭), আব্দুর রব, রাজু মোল্লা (৩২), জাকির হোসেন ওরফে মামা জাকির (৩৮), মো. ইসরাফিল ওরফে মনা, রায়হান ইসলাম রিপন (২৮), আপেল মাহমুদ (৪৩), সাভার পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি মাসুম দেওয়ান (২৫), হাসান আলী (৪৮), উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হৃদয় সরকার, জীবন সরকার, সাভার সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সোহেল রানা (৪২), আহমেদ ফয়সাল নাঈম তুর্য্য (৩০), পাভেল ওরফে তোতলা পাভেল (৩৫), আব্দুর রাজ্জাক (৫০), প্রবাল (৪৫), হাজী মো. আব্বাস আলী (৬০), মো. হাবিজ উদ্দিন (৫৫)। এছাড়া মামলায় মোট ১২৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ২৫০/৩০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এই মামলায় স্থানীয় দুই সাংবাদিককেও আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৫ আগস্ট মো. আব্দুল আহাদ সৈকত বিকেল ৬টার দিকে সাভারের থানা রোডের মুক্তিরমোড় (আক্কেল আলী মোড়) এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন যোগ দেন। ১ নম্বর ১০ নম্বর ক্রমিকের আসামিদের প্রত্যক্ষ ও প্ররোক্ষ হুকুমে এবং প্ররোচনায় উল্লিখিত আসামিরা ও আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা সহ আওয়ামী অঙ্গ সংগঠনের অজ্ঞাতনামা আরও আসামিরা হামলা চালায়। তাদের হাতে থাকা আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্রসহ ধাওয়া করে যাকে পায় তাকেই এলোপাতাড়ি পিটায় এবং আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি গুলি বর্ষণ করে। এসময় তাদের এলোপাতাড়ি গুলিতে সৈকতের মাথার বিভিন্ন অংশে গুলিবিদ্ধ হয়ে রাস্তায় লুটিয়ে পড়ে। পরে আন্দোলনরতরা তাকে গুরুতর অবস্থায় সাভারের এনাম মেডিকেলে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মামলার বাদি মো. নজরুল ইসলাম জানান, ঘটনার সংবাদ পেয়ে তিনি ও তার আত্মীয় স্বজনেরা দ্রুত এনাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে যান এবং এনাম মেডিকেলের মর্গে গুলির আঘাতের চিহ্নসহ মৃত অবস্থায় তার ছেলের মরদেহ দেখতে পান। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না থাকায় দ্রুত সৈকতকে তাদের গ্রামের বাড়ি বগুড়ার পারিবারিক কবরস্থানে দাফন কাফন সম্পন্ন করা হয়।
সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে আব্দুল আহাদ সৈকতের বাবা বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় ১২৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ২৫০/৩০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

সাভারে বৈষম্যবিরোধী কোটা আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে শিক্ষার্থী আব্দুল আহাদ সৈকত (১৭) নামের শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় শেখ হাসিনা ও কাদেরসহ মোট ১২৬ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিহত শিক্ষার্থী সৈকতের বাবা নজরুল ইসলাম বাদি হয়ে সাভার মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
নিহত সৈকত বগুড়া জেলার সোনাতলা থানার উত্তর দিগলকান্দি গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে। তিন ঢাকা কমার্স কলেজে একাদশ শ্রেণির ছাত্র।
মামলার আসামিরা হলেন- আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (৭৬), আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের (৭২), সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল (৭৫), সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এ আরাফাত (৫০), সাবেক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান (৭২), সাবেক সাভার উপজেলা চেয়ারম্যান মঞ্জুজুরুল আলম রাজিব (৫৫), সাভার পৌরসভার সাবেক মেয়র হাজী আব্দুল গণি (৭২), কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম মানিক মোল্লা (৬৫), তেঁতুলজোড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ফখরুল আলম সমর (৫০), আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফারুক হাসান তুহিন (৪৮), মাজহারুল ইসলাম রুবেল (৩৭), সাইদুর রহমান সুজন (৪৫), সাবেক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমানের এপিএস শামীম আহমেদ মিঠুন সরকার (৩৫), সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজীবের রাজু আহমেদ, সাভার উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আতিকুর রহমান আতিক (৩৫), জেলা উত্তর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মোবারক হোসেন খান পলক, মো. আব্দুল কুদ্দুস (৩৬), বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সেলিম মন্ডল (৪৭), সাভার পৌরসভার মেয়র আব্দুল গণির ছেলে কামরুল হাসান শাহীন (৪৮), তার ভাই মেহেদী হাসান তুষার (৪৫), ঢাকা জেলা উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক সায়েম মোল্লা (৪৭), আব্দুর রব, রাজু মোল্লা (৩২), জাকির হোসেন ওরফে মামা জাকির (৩৮), মো. ইসরাফিল ওরফে মনা, রায়হান ইসলাম রিপন (২৮), আপেল মাহমুদ (৪৩), সাভার পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি মাসুম দেওয়ান (২৫), হাসান আলী (৪৮), উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হৃদয় সরকার, জীবন সরকার, সাভার সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সোহেল রানা (৪২), আহমেদ ফয়সাল নাঈম তুর্য্য (৩০), পাভেল ওরফে তোতলা পাভেল (৩৫), আব্দুর রাজ্জাক (৫০), প্রবাল (৪৫), হাজী মো. আব্বাস আলী (৬০), মো. হাবিজ উদ্দিন (৫৫)। এছাড়া মামলায় মোট ১২৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ২৫০/৩০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এই মামলায় স্থানীয় দুই সাংবাদিককেও আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৫ আগস্ট মো. আব্দুল আহাদ সৈকত বিকেল ৬টার দিকে সাভারের থানা রোডের মুক্তিরমোড় (আক্কেল আলী মোড়) এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন যোগ দেন। ১ নম্বর ১০ নম্বর ক্রমিকের আসামিদের প্রত্যক্ষ ও প্ররোক্ষ হুকুমে এবং প্ররোচনায় উল্লিখিত আসামিরা ও আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা সহ আওয়ামী অঙ্গ সংগঠনের অজ্ঞাতনামা আরও আসামিরা হামলা চালায়। তাদের হাতে থাকা আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্রসহ ধাওয়া করে যাকে পায় তাকেই এলোপাতাড়ি পিটায় এবং আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি গুলি বর্ষণ করে। এসময় তাদের এলোপাতাড়ি গুলিতে সৈকতের মাথার বিভিন্ন অংশে গুলিবিদ্ধ হয়ে রাস্তায় লুটিয়ে পড়ে। পরে আন্দোলনরতরা তাকে গুরুতর অবস্থায় সাভারের এনাম মেডিকেলে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মামলার বাদি মো. নজরুল ইসলাম জানান, ঘটনার সংবাদ পেয়ে তিনি ও তার আত্মীয় স্বজনেরা দ্রুত এনাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে যান এবং এনাম মেডিকেলের মর্গে গুলির আঘাতের চিহ্নসহ মৃত অবস্থায় তার ছেলের মরদেহ দেখতে পান। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না থাকায় দ্রুত সৈকতকে তাদের গ্রামের বাড়ি বগুড়ার পারিবারিক কবরস্থানে দাফন কাফন সম্পন্ন করা হয়।
সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে আব্দুল আহাদ সৈকতের বাবা বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় ১২৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ২৫০/৩০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা কারাগারের জেলারের দায়িত্বে থাকা দেলোয়ার জাহান বলেন, গতকাল (বৃহস্পতিবার) বিকেল ৪টার পর সোনা মিয়ার জামিননামা কারাগারে পৌঁছালে বিষয়টি আইজি প্রিজনসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে অবহিত করা হয়। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ও আনুষ্ঠানিকতা শেষে আজ সোনা মিয়াকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, জুমার নামাজের আগে বাড়ির পাশে একটি পুকুরে গোসল করতে নেমেছিল ফাহিমা, লামিয়া ও সুলতানা। একপর্যায়ে তারা বাগানের ভেতরের গভীর ওই পুকুরের পানিতে ডুবে যায়। খবর পেয়ে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তিন শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন।
১১ ঘণ্টা আগে
নিহত শ্রমিকদের মধ্যে চারজনের নাম-পরিচয় জানতে পেরেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তারা হলেন— সানি জলদাস (২২), পলাশ জলদাস (২৭), মনসুর আলী (৪০) ও নাসির উদ্দিন (৩৮)। চারজনই ভাটিয়ারী এলাকায় বসবাস করতেন। এর মধ্যে মনসুর ও নাসির সম্পর্কে আপন ভাই।
১২ ঘণ্টা আগে
সীতাকুণ্ড ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার আল মামুন গণমাধ্যমকে জানান, ফেরদৌস স্টিল শিপইয়ার্ডে তিন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। খবর পেয়ে তারা শিপইয়ার্ডের ভেতরে কাজ করছেন, সেখানে উদ্ধারকাজ চলছে। উদ্ধার অভিযান শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।
১৫ ঘণ্টা আগে