
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আন্তঃনগর পঞ্চগড় এক্সপ্রেস (৭৯৩) ট্রেনের বগি উদ্ধার শেষে আবারও ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। আজ সকালে ঢাকা থেকে কোন ট্রেন ছেড়ে না যাওয়ায় শিডিউল ভেঙে পড়ে। প্রতিটি ট্রেন বিলম্ব নিয়ে ঢাকা ছাড়ছে। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।
শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) সকাল থেকে ট্রেন চলাচল শুরু হয়, তবে এখনও ট্রেন ছাড়তে দেরি হচ্ছে বলে জানিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। ট্রেনের শিডিউল ভেঙে যাওয়ার কারণে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। এদিন দুপুর ১২টা থেকে ট্রেন চলাচল শুরু হয়। তবে দীর্ঘ সময় ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় যারা যাত্রা বাতিল করেছেন তাদের টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়ার কথা জানিয়েছে রেলওয়ে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১২টার দিকে কমলাপুর স্টেশন এলাকায় পঞ্চগড় এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত হয়। ফলে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
কমলাপুর স্টেশন ম্যানেজার মোহাম্মদ মাসুদ সারওয়ার গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, উদ্ধার কাজ শেষ হয়েছে। কিন্তু পঞ্চগড় এক্সপ্রেসের কোচগুলো উদ্ধার করে রাখার কারণে ১, ২, ৩ ও ৪ নম্বর প্লাটফর্মের লাইন বন্ধ আছে। সেগুলো ক্লিয়ার করার চেষ্টা চলছে।
ট্রেন ছাড়ার বিষয়ে তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ে ট্রেনগুলো ছাড়া যাচ্ছে না। রাত থেকে এখন পর্যন্ত চার জোড়া ট্রেন আসা যাওয়া করেছে। এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকটি ট্রেন ছেড়ে যাওয়ার জন্য অপেক্ষমাণ আছে। রেল কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের মোবাইলে রাত থেকেই এসএমএস পাঠানোর মাধ্যমে সম্ভাব্য দেরির বিষয়টি অবগত করেছে।
ঢাকা রেলওয়ে থানার (কমলাপুর) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়নাল আবেদীন গণমাধ্যমকে বলেন, পঞ্চগড় এক্সপ্রেসের বগি লাইনচ্যুত হওয়ায় ট্রেন চলাচলের শিডিউলের বিপর্যয় হয়েছে। তবে এখন যথারীতি ট্রেন আসা-যাওয়া করছে।
ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় আন্তনগর ট্রেন পঞ্চগড় এক্সপ্রেস (৭৯৩) লাইনচ্যুতির ঘটনায় দীর্ঘ সময় ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল। পরে ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়ের কারণে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। বিশেষ করে ঢাকা থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে যাওয়ার জন্য কমলাপুর স্টেশনে ভিড় দেখা গেছে। কয়েকজন জানান, ট্রেন ছাড়তে দেরি হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন তারা। তবে রেলওয়ে থেকে তাদের আশ্বস্ত করা হয়েছে, ট্রেন দ্রুত ছেড়ে যাবে।

আন্তঃনগর পঞ্চগড় এক্সপ্রেস (৭৯৩) ট্রেনের বগি উদ্ধার শেষে আবারও ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। আজ সকালে ঢাকা থেকে কোন ট্রেন ছেড়ে না যাওয়ায় শিডিউল ভেঙে পড়ে। প্রতিটি ট্রেন বিলম্ব নিয়ে ঢাকা ছাড়ছে। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।
শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) সকাল থেকে ট্রেন চলাচল শুরু হয়, তবে এখনও ট্রেন ছাড়তে দেরি হচ্ছে বলে জানিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। ট্রেনের শিডিউল ভেঙে যাওয়ার কারণে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। এদিন দুপুর ১২টা থেকে ট্রেন চলাচল শুরু হয়। তবে দীর্ঘ সময় ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় যারা যাত্রা বাতিল করেছেন তাদের টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়ার কথা জানিয়েছে রেলওয়ে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১২টার দিকে কমলাপুর স্টেশন এলাকায় পঞ্চগড় এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত হয়। ফলে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
কমলাপুর স্টেশন ম্যানেজার মোহাম্মদ মাসুদ সারওয়ার গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, উদ্ধার কাজ শেষ হয়েছে। কিন্তু পঞ্চগড় এক্সপ্রেসের কোচগুলো উদ্ধার করে রাখার কারণে ১, ২, ৩ ও ৪ নম্বর প্লাটফর্মের লাইন বন্ধ আছে। সেগুলো ক্লিয়ার করার চেষ্টা চলছে।
ট্রেন ছাড়ার বিষয়ে তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ে ট্রেনগুলো ছাড়া যাচ্ছে না। রাত থেকে এখন পর্যন্ত চার জোড়া ট্রেন আসা যাওয়া করেছে। এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকটি ট্রেন ছেড়ে যাওয়ার জন্য অপেক্ষমাণ আছে। রেল কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের মোবাইলে রাত থেকেই এসএমএস পাঠানোর মাধ্যমে সম্ভাব্য দেরির বিষয়টি অবগত করেছে।
ঢাকা রেলওয়ে থানার (কমলাপুর) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়নাল আবেদীন গণমাধ্যমকে বলেন, পঞ্চগড় এক্সপ্রেসের বগি লাইনচ্যুত হওয়ায় ট্রেন চলাচলের শিডিউলের বিপর্যয় হয়েছে। তবে এখন যথারীতি ট্রেন আসা-যাওয়া করছে।
ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় আন্তনগর ট্রেন পঞ্চগড় এক্সপ্রেস (৭৯৩) লাইনচ্যুতির ঘটনায় দীর্ঘ সময় ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল। পরে ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়ের কারণে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। বিশেষ করে ঢাকা থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে যাওয়ার জন্য কমলাপুর স্টেশনে ভিড় দেখা গেছে। কয়েকজন জানান, ট্রেন ছাড়তে দেরি হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন তারা। তবে রেলওয়ে থেকে তাদের আশ্বস্ত করা হয়েছে, ট্রেন দ্রুত ছেড়ে যাবে।

কক্সবাজার জেলা কারাগারের জেলারের দায়িত্বে থাকা দেলোয়ার জাহান বলেন, গতকাল (বৃহস্পতিবার) বিকেল ৪টার পর সোনা মিয়ার জামিননামা কারাগারে পৌঁছালে বিষয়টি আইজি প্রিজনসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে অবহিত করা হয়। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ও আনুষ্ঠানিকতা শেষে আজ সোনা মিয়াকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, জুমার নামাজের আগে বাড়ির পাশে একটি পুকুরে গোসল করতে নেমেছিল ফাহিমা, লামিয়া ও সুলতানা। একপর্যায়ে তারা বাগানের ভেতরের গভীর ওই পুকুরের পানিতে ডুবে যায়। খবর পেয়ে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তিন শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন।
৬ ঘণ্টা আগে
নিহত শ্রমিকদের মধ্যে চারজনের নাম-পরিচয় জানতে পেরেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তারা হলেন— সানি জলদাস (২২), পলাশ জলদাস (২৭), মনসুর আলী (৪০) ও নাসির উদ্দিন (৩৮)। চারজনই ভাটিয়ারী এলাকায় বসবাস করতেন। এর মধ্যে মনসুর ও নাসির সম্পর্কে আপন ভাই।
৭ ঘণ্টা আগে
সীতাকুণ্ড ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার আল মামুন গণমাধ্যমকে জানান, ফেরদৌস স্টিল শিপইয়ার্ডে তিন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। খবর পেয়ে তারা শিপইয়ার্ডের ভেতরে কাজ করছেন, সেখানে উদ্ধারকাজ চলছে। উদ্ধার অভিযান শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।
১০ ঘণ্টা আগে