
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে মো. আরিফ (৩২) নামে এক ব্যক্তির গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানকে প্রধান আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় আরও ১৪৫ জনকে নামীয় এবং ৪০০-৫০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী আরিফ ১২ ডিসেম্বর আদালতে মামলা দায়েরের আবেদন করেন। আদালতের নির্দেশে গতকাল শুক্রবার (১৪ ডিসেম্বর) রাতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মামলাটি রুজু করা হয়। থানার ওসি মোহাম্মদ শাহিনুর আলম বলেন, ‘আদালতের নির্দেশে মামলা নেওয়া হয়েছে।’
এ মামলায় শামীম ওসমানের সহযোগী হিসেবে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজি ইয়াসিন মিয়া, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের, মহাসচিব মো. মজিবুল হক চুন্নুসহ আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির বিভিন্ন নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত ১৮ জুলাই নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাইনবোর্ড এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় আরিফসহ আন্দোলনকারীরা সড়ক অবরোধ করেন। তখন অভিযুক্তরা তাঁদের উদ্দেশে এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ করে।
আরিফের হাঁটুতে গুলি লাগে এবং শরীরে অসংখ্য ছিটা গুলি বিদ্ধ হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়লে অভিযুক্তরা তাঁকে মৃত ভেবে ফেলে যায়। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে মো. আরিফ (৩২) নামে এক ব্যক্তির গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানকে প্রধান আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় আরও ১৪৫ জনকে নামীয় এবং ৪০০-৫০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী আরিফ ১২ ডিসেম্বর আদালতে মামলা দায়েরের আবেদন করেন। আদালতের নির্দেশে গতকাল শুক্রবার (১৪ ডিসেম্বর) রাতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মামলাটি রুজু করা হয়। থানার ওসি মোহাম্মদ শাহিনুর আলম বলেন, ‘আদালতের নির্দেশে মামলা নেওয়া হয়েছে।’
এ মামলায় শামীম ওসমানের সহযোগী হিসেবে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজি ইয়াসিন মিয়া, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের, মহাসচিব মো. মজিবুল হক চুন্নুসহ আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির বিভিন্ন নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত ১৮ জুলাই নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাইনবোর্ড এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় আরিফসহ আন্দোলনকারীরা সড়ক অবরোধ করেন। তখন অভিযুক্তরা তাঁদের উদ্দেশে এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ করে।
আরিফের হাঁটুতে গুলি লাগে এবং শরীরে অসংখ্য ছিটা গুলি বিদ্ধ হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়লে অভিযুক্তরা তাঁকে মৃত ভেবে ফেলে যায়। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।

নিহত শ্রমিকদের মধ্যে চারজনের নাম-পরিচয় জানতে পেরেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তারা হলেন— সানি জলদাস (২২), পলাশ জলদাস (২৭), মনসুর আলী (৪০) ও নাসির উদ্দিন (৩৮)। চারজনই ভাটিয়ারী এলাকায় বসবাস করতেন। এর মধ্যে মনসুর ও নাসির সম্পর্কে আপন ভাই।
৪ ঘণ্টা আগে
সীতাকুণ্ড ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার আল মামুন গণমাধ্যমকে জানান, ফেরদৌস স্টিল শিপইয়ার্ডে তিন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। খবর পেয়ে তারা শিপইয়ার্ডের ভেতরে কাজ করছেন, সেখানে উদ্ধারকাজ চলছে। উদ্ধার অভিযান শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।
৭ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাঙ্গামাটির কাপ্তাই-রাঙ্গামাটি-আসামবস্তি সড়কের আগরবাগান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিকেল পাঁচটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত তিন ঘণ্টা সড়কটিতে যান চলাচল বন্ধ ছিল।
৭ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ভোরে নগরের ষোলশহর এলাকায় কয়েক শ চালক সড়ক অবরোধ করে অবস্থান নেন। এতে মুরাদপুর থেকে ২ নম্বর গেট পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। দুই পাশে তৈরি হয় তীব্র যানজট।
৮ ঘণ্টা আগে