
রাজবাড়ী প্রতিনিধি

বৈরী আবহাওয়ায় রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া নৌপথে শনিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা থেকে লঞ্চ চলাচল বন্ধ আছে। তবে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
রবিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে দৌলতদিয়া লঞ্চ ও ফেরিঘাটে দেখা যায়, ঘাটে প্রতিটি লঞ্চ নোঙর করে রাখা হয়েছে। অপরদিকে ফেরিঘাটে যানবাহন ও যাত্রী খুবই কম। ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অনেকটাই ফাঁকা। মাঝে-মধ্যে যাত্রীবাহী দু-একটি যানবাহন চলাচল করলেও তেমন কোনও যাত্রী নেই। অনেকক্ষণ পরপর সতর্কতার সঙ্গে একটি করে ফেরি কিছু যানবাহন ও যাত্রী নিয়ে পাটুরিয়া ঘাটের উদ্দেশে ছেড়ে যাচ্ছে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) দৌলতদিয়া লঞ্চঘাটের ট্রাফিক সুপারভাইজার মো. শিমুল বলেন, ‘বৈরী আবহাওয়ায় শনিবার বেলা ১১টা থেকে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে। আগামীকাল সোমবার আবহাওয়া ভালো হলে কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী লঞ্চ চলাচল শুরু হবে। বর্তমানে এ নৌপথে ১৮টি লঞ্চ চলাচল করে।’
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া কার্যালয়ের সহকারী উপমহাব্যবস্থাপক সালাহ উদ্দিন বলেন, ‘বৈরী আবহাওয়া ও ঝড়ো বাতাসের কারণে শনিবার ভোর চারটার পর থেকে সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত সাড়ে চার ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। এর পর থেকে সতর্কতার সঙ্গে ফেরি চলছে। তবে ঘাটে তেমন কোনও যানবাহন ও যাত্রী নেই। ফেরিগুলো ঘাটে অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে কিছু যানবাহন ও যাত্রী নিয়ে পাটুরিয়া ঘাটে যাচ্ছে। বর্তমানে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে ছোট-বড় ৮টি ফেরি চলাচল করছে। দৌলতদিয়া প্রান্তে ৩, ৪ ও ৭ নম্বর ঘাট দিয়ে ফেরিতে যানবাহন পারাপার হচ্ছে।’

বৈরী আবহাওয়ায় রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া নৌপথে শনিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা থেকে লঞ্চ চলাচল বন্ধ আছে। তবে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
রবিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে দৌলতদিয়া লঞ্চ ও ফেরিঘাটে দেখা যায়, ঘাটে প্রতিটি লঞ্চ নোঙর করে রাখা হয়েছে। অপরদিকে ফেরিঘাটে যানবাহন ও যাত্রী খুবই কম। ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অনেকটাই ফাঁকা। মাঝে-মধ্যে যাত্রীবাহী দু-একটি যানবাহন চলাচল করলেও তেমন কোনও যাত্রী নেই। অনেকক্ষণ পরপর সতর্কতার সঙ্গে একটি করে ফেরি কিছু যানবাহন ও যাত্রী নিয়ে পাটুরিয়া ঘাটের উদ্দেশে ছেড়ে যাচ্ছে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) দৌলতদিয়া লঞ্চঘাটের ট্রাফিক সুপারভাইজার মো. শিমুল বলেন, ‘বৈরী আবহাওয়ায় শনিবার বেলা ১১টা থেকে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে। আগামীকাল সোমবার আবহাওয়া ভালো হলে কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী লঞ্চ চলাচল শুরু হবে। বর্তমানে এ নৌপথে ১৮টি লঞ্চ চলাচল করে।’
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া কার্যালয়ের সহকারী উপমহাব্যবস্থাপক সালাহ উদ্দিন বলেন, ‘বৈরী আবহাওয়া ও ঝড়ো বাতাসের কারণে শনিবার ভোর চারটার পর থেকে সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত সাড়ে চার ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। এর পর থেকে সতর্কতার সঙ্গে ফেরি চলছে। তবে ঘাটে তেমন কোনও যানবাহন ও যাত্রী নেই। ফেরিগুলো ঘাটে অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে কিছু যানবাহন ও যাত্রী নিয়ে পাটুরিয়া ঘাটে যাচ্ছে। বর্তমানে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে ছোট-বড় ৮টি ফেরি চলাচল করছে। দৌলতদিয়া প্রান্তে ৩, ৪ ও ৭ নম্বর ঘাট দিয়ে ফেরিতে যানবাহন পারাপার হচ্ছে।’

কক্সবাজার জেলা কারাগারের জেলারের দায়িত্বে থাকা দেলোয়ার জাহান বলেন, গতকাল (বৃহস্পতিবার) বিকেল ৪টার পর সোনা মিয়ার জামিননামা কারাগারে পৌঁছালে বিষয়টি আইজি প্রিজনসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে অবহিত করা হয়। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ও আনুষ্ঠানিকতা শেষে আজ সোনা মিয়াকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, জুমার নামাজের আগে বাড়ির পাশে একটি পুকুরে গোসল করতে নেমেছিল ফাহিমা, লামিয়া ও সুলতানা। একপর্যায়ে তারা বাগানের ভেতরের গভীর ওই পুকুরের পানিতে ডুবে যায়। খবর পেয়ে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তিন শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন।
৯ ঘণ্টা আগে
নিহত শ্রমিকদের মধ্যে চারজনের নাম-পরিচয় জানতে পেরেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তারা হলেন— সানি জলদাস (২২), পলাশ জলদাস (২৭), মনসুর আলী (৪০) ও নাসির উদ্দিন (৩৮)। চারজনই ভাটিয়ারী এলাকায় বসবাস করতেন। এর মধ্যে মনসুর ও নাসির সম্পর্কে আপন ভাই।
১১ ঘণ্টা আগে
সীতাকুণ্ড ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার আল মামুন গণমাধ্যমকে জানান, ফেরদৌস স্টিল শিপইয়ার্ডে তিন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। খবর পেয়ে তারা শিপইয়ার্ডের ভেতরে কাজ করছেন, সেখানে উদ্ধারকাজ চলছে। উদ্ধার অভিযান শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।
১৩ ঘণ্টা আগে