
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সাভারের আশুলিয়ায় পাওনা টাকার দাবিতে সড়ক অবরোধের প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা পর জলকামানের মুখে সড়ক থেকে সরে গেছেন আন্দোলনরত শ্রমিকরা। সোমবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে জলকামান ব্যবহার করে সড়ক থেকে শ্রমিকদের সরিয়ে দেওয়া হয়।
আন্দোলনরত শ্রমিকরা জানায়, কারখানায় অনুষ্ঠানের খাবার নিয়ে ঝামেলার জেরে ৪৩০ জন শ্রমিককে পাওনা না দিয়ে চাকরিচ্যুত করা হয়। বিষয়টি সমাধানে প্রথমে গ্রামীন কনভেনশন সেন্টার ও পরে রাজ পার্কে শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা হয়। কিন্তু আলোচনা ফলপ্রসূ না হওয়ায় পাওনা পরিশোধের দাবিতে আজ সড়ক অবরোধ করেন তারা।
তবে দুপুর আড়াইটার দিকে শ্রমিকদের ওপর জলকামান নিক্ষেপ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীরা। জলকামানের মুখে শ্রমিকরা ছত্রভঙ্গ হয়ে সড়ক থেকে সরে যায়।
শিল্পপুলিশ জানায়, সম্প্রতি মালিকের ছেলের বিয়ে উপলক্ষে কারখানায় শ্রমিকদের খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন করে মালিকপক্ষ। এই খাবার খাওয়াকে কেন্দ্র করে কারখানার অভ্যন্তরে বিশৃঙ্খলা হয়। পরে মালিকপক্ষ বাংলাদেশ শ্রম আইনের ২৩ ধারায় বেশ কিছু শ্রমিককে প্রথমে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় এবং পরবর্তীতে তদন্ত করে মালিকপক্ষ যাদের বিরুদ্ধে অপরাধের প্রমান পেয়েছে তাদের চাকুরিচ্যুত করে। চাকুরিচ্যুত করা এমন ৪৩০ জন শ্রমিক সকাল থেকে সড়ক অবরোধ করে রাখে। তাদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
আশুলিয়া থানার পরিদর্শক ওসি (তদন্ত) কামাল হোসেন বলেন, শ্রমিকরা সড়ক ছেড়ে দিয়েছে। সড়কটি দিয়ে যানবাহন চলাচল শুরু হয়েছে।
শিল্প পুলিশ-১এর পুলিশ সুপার মোমিনুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি নিয়ে গতকাল রবিবার শ্রমিক ও মালিকপক্ষসহ ত্রিপক্ষীয় বৈঠক হয়। সেখানে শ্রমিকদের দাবি অনুযায়ী পাওনাদি পরিশোধে রাজি নয় মালিকপক্ষ। ফলে কোনো সমাধান হয়নি। তাই আজ শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করলে সড়কে দীর্ঘক্ষণ যানচলাচল বন্ধ থাকে। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শ্রমিকদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেয়। বর্তমানে যানচলাচল স্বাভাবিক।

সাভারের আশুলিয়ায় পাওনা টাকার দাবিতে সড়ক অবরোধের প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা পর জলকামানের মুখে সড়ক থেকে সরে গেছেন আন্দোলনরত শ্রমিকরা। সোমবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে জলকামান ব্যবহার করে সড়ক থেকে শ্রমিকদের সরিয়ে দেওয়া হয়।
আন্দোলনরত শ্রমিকরা জানায়, কারখানায় অনুষ্ঠানের খাবার নিয়ে ঝামেলার জেরে ৪৩০ জন শ্রমিককে পাওনা না দিয়ে চাকরিচ্যুত করা হয়। বিষয়টি সমাধানে প্রথমে গ্রামীন কনভেনশন সেন্টার ও পরে রাজ পার্কে শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা হয়। কিন্তু আলোচনা ফলপ্রসূ না হওয়ায় পাওনা পরিশোধের দাবিতে আজ সড়ক অবরোধ করেন তারা।
তবে দুপুর আড়াইটার দিকে শ্রমিকদের ওপর জলকামান নিক্ষেপ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীরা। জলকামানের মুখে শ্রমিকরা ছত্রভঙ্গ হয়ে সড়ক থেকে সরে যায়।
শিল্পপুলিশ জানায়, সম্প্রতি মালিকের ছেলের বিয়ে উপলক্ষে কারখানায় শ্রমিকদের খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন করে মালিকপক্ষ। এই খাবার খাওয়াকে কেন্দ্র করে কারখানার অভ্যন্তরে বিশৃঙ্খলা হয়। পরে মালিকপক্ষ বাংলাদেশ শ্রম আইনের ২৩ ধারায় বেশ কিছু শ্রমিককে প্রথমে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় এবং পরবর্তীতে তদন্ত করে মালিকপক্ষ যাদের বিরুদ্ধে অপরাধের প্রমান পেয়েছে তাদের চাকুরিচ্যুত করে। চাকুরিচ্যুত করা এমন ৪৩০ জন শ্রমিক সকাল থেকে সড়ক অবরোধ করে রাখে। তাদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
আশুলিয়া থানার পরিদর্শক ওসি (তদন্ত) কামাল হোসেন বলেন, শ্রমিকরা সড়ক ছেড়ে দিয়েছে। সড়কটি দিয়ে যানবাহন চলাচল শুরু হয়েছে।
শিল্প পুলিশ-১এর পুলিশ সুপার মোমিনুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি নিয়ে গতকাল রবিবার শ্রমিক ও মালিকপক্ষসহ ত্রিপক্ষীয় বৈঠক হয়। সেখানে শ্রমিকদের দাবি অনুযায়ী পাওনাদি পরিশোধে রাজি নয় মালিকপক্ষ। ফলে কোনো সমাধান হয়নি। তাই আজ শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করলে সড়কে দীর্ঘক্ষণ যানচলাচল বন্ধ থাকে। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শ্রমিকদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেয়। বর্তমানে যানচলাচল স্বাভাবিক।

অভ্যন্তরীণ কোন্দল, বিদ্রোহী প্রার্থীর চাপ, চাঁদাবাজি-দখলের অভিযোগ এবং প্রার্থী নির্বাচনে কৌশলগত ভুল— এই চার কারণেই বাগেরহাট জেলার চারটি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনটিতে বড় ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে বিএনপি। দলীয় তৃণমূল নেতাকর্মী ও স্থানীয় বিশ্লেষকদের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্র উঠে এসেছে।
১ দিন আগে
ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, রাত পৌনে ১১টায় ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। আগুন নিয়ন্ত্রণে না এলে আরও পাঁচ ইউনিট সেখানে কাজে যোগ দেয়। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। আগুন পুরোপুরি নেভানোর পর বিস্তারিত জানা যাবে।
২ দিন আগে
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিস তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ জানাতে পারেনি।
২ দিন আগে