
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

একজন মানুষের চরিত্র হনন করার চেষ্টা করা চরিত্রবান মানুষের কাজ হতে পারে না। তিনি আমার চরিত্র হননের জন্য গোটা রাষ্ট্রযন্ত্রকে সে কাজে ব্যবহার করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা মুহাম্মদ মামুনুল হক।
বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১ টাকায় নারায়ণগঞ্জ আদালতপাড়ায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন। এদিন নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানায় দায়ের ধর্ষণ মামলায় মামুনুল হককে খালাস প্রদান করেন আদালত।
মাওলানা মুহাম্মদ মামুনুল হক বলেন, নির্মম এবং বর্বরভাবে তিনি আমার গোটা পরিবারকে জিম্মী করে তাদেরকে মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে হত্যার ভয় দেখিয়ে আমাকে এবং আমার পরিবারকে ধ্বংস করে দেয়ার চেষ্টা করেছিলেন। আল্লাহ তার সে ষড়যন্ত্রের হাত থেকে আমাকে মুক্ত করেছেন। বিচার ব্যবস্থার স্বচ্ছতা রক্ষা করেছেন। এই ধরনের একটি অপবাদমূলক মিথ্যা মামলা থেকে আমাকে রেহাই দিয়েছে খালাস দিয়েছেন। এজন্য আমি দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছি।
তিনি আরও বলেন, সারাদেশের মানুষ আমার জন্য দোয়া করেছেন। আইনজীবীরা আমার জন্য চেষ্টা করেছেন। মানুষের ভালোবাসায় আমি আপ্লুত। কথিত স্বৈরাচার সরকার চেয়েছিলেন আমাকে মানুষের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে। তাদের সে ষড়যন্ত্রের সুবাদে মানুষ আমাকে আরো ভালোবেসেছে। আমি চাই মানুষের ভালোবাসা যেন দেশের স্বার্থে ইসলামের স্বার্থে ব্যবহার করতে পারি।
মিডিয়ার উদ্দেশ্য মামুনুল হক বলেন, ২০২১ সালের ২৩ এপ্রিলের ঘটনায় মিডিয়ার কর্মী নামক যে সকল সন্ত্রাসী যারা সেখানে আমার উপড় হামলার ঘটনায় সম্পৃক্ত ছিলেন অন্যান্যদের পাশাপাশি তাদের জবাবদিহী করতে হবে। আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী যুবলীগ ছাত্রলীগের পাশাপাশি তাদের অনুসারী মিডিয়ার নাম ব্যবহার করে যারা মিডিয়ার স্বচ্ছতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন মিডিয়া অঙ্গন থেকেও সেসকল চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের বহিস্কার করার জন্য সকল মিডিয়াকে আহ্বান জানাবো।

একজন মানুষের চরিত্র হনন করার চেষ্টা করা চরিত্রবান মানুষের কাজ হতে পারে না। তিনি আমার চরিত্র হননের জন্য গোটা রাষ্ট্রযন্ত্রকে সে কাজে ব্যবহার করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা মুহাম্মদ মামুনুল হক।
বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১ টাকায় নারায়ণগঞ্জ আদালতপাড়ায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন। এদিন নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানায় দায়ের ধর্ষণ মামলায় মামুনুল হককে খালাস প্রদান করেন আদালত।
মাওলানা মুহাম্মদ মামুনুল হক বলেন, নির্মম এবং বর্বরভাবে তিনি আমার গোটা পরিবারকে জিম্মী করে তাদেরকে মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে হত্যার ভয় দেখিয়ে আমাকে এবং আমার পরিবারকে ধ্বংস করে দেয়ার চেষ্টা করেছিলেন। আল্লাহ তার সে ষড়যন্ত্রের হাত থেকে আমাকে মুক্ত করেছেন। বিচার ব্যবস্থার স্বচ্ছতা রক্ষা করেছেন। এই ধরনের একটি অপবাদমূলক মিথ্যা মামলা থেকে আমাকে রেহাই দিয়েছে খালাস দিয়েছেন। এজন্য আমি দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছি।
তিনি আরও বলেন, সারাদেশের মানুষ আমার জন্য দোয়া করেছেন। আইনজীবীরা আমার জন্য চেষ্টা করেছেন। মানুষের ভালোবাসায় আমি আপ্লুত। কথিত স্বৈরাচার সরকার চেয়েছিলেন আমাকে মানুষের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে। তাদের সে ষড়যন্ত্রের সুবাদে মানুষ আমাকে আরো ভালোবেসেছে। আমি চাই মানুষের ভালোবাসা যেন দেশের স্বার্থে ইসলামের স্বার্থে ব্যবহার করতে পারি।
মিডিয়ার উদ্দেশ্য মামুনুল হক বলেন, ২০২১ সালের ২৩ এপ্রিলের ঘটনায় মিডিয়ার কর্মী নামক যে সকল সন্ত্রাসী যারা সেখানে আমার উপড় হামলার ঘটনায় সম্পৃক্ত ছিলেন অন্যান্যদের পাশাপাশি তাদের জবাবদিহী করতে হবে। আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী যুবলীগ ছাত্রলীগের পাশাপাশি তাদের অনুসারী মিডিয়ার নাম ব্যবহার করে যারা মিডিয়ার স্বচ্ছতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন মিডিয়া অঙ্গন থেকেও সেসকল চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের বহিস্কার করার জন্য সকল মিডিয়াকে আহ্বান জানাবো।

নিহত মঞ্জু শেখ সদর উপজেলার আড়িয়া গোহাইলবাড়ি এলাকার দারোগ শেখের ছেলে। তিনি সুজানগর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শেখ আব্দুর রউফ এবং চরতারাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি শেখ রহমত আলীর আপন ভাতিজা।
১ দিন আগে
আহতদের মধ্যে হরিপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি ও ইউপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বাবলুর রহমান (৪৮), ইউনিয়ন কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান (৪০), ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুল মজিদ (৫৭) এবং ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রাহাত হোসেনের (২৫) নাম জানা গেছে।
১ দিন আগে
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত অর্থ উপার্জনের আশায় অনেক নারীও মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েছেন। বর্তমানে মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের অবস্থা ‘বজ্র আঁটুনি ফসকা গেরো’র মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে। আগের মতো রাতভর পুলিশি টহল বা মাদক পাচারের রুটে নিয়মিত চেকপোস্টও দেখা যায় না। ফলে জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদকের বিস্তার ঘটেছে।
১ দিন আগে
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে মা ও দুই মেয়েকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় গুরুতর আহত মেজো মেয়ে নাফিজা আক্তার ইকরা (১৭) চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেওয়ার পথে মারা গেছে। এ নিয়ে একই পরিবারের মা ও তিন মেয়ের সবাই মারা গেল। পরিবারে এখন বেঁচে আছে শুধু একমাত্র ছেলে।
২ দিন আগে