
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ও আরিচা-কাজিরহাট এবং ধাওয়াপাড়া-নাজিরগঞ্জ নৌ-রুটে ঘন কুয়াশার কারণে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। ছোট-বড় যানবাহন নিয়ে মাঝ নদীতে আটকা পড়েছে পাঁচটি ফেরি। এতে শীতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন এই নৌ-পথে চলাচলরত যাত্রী ও যানবাহনের শ্রমিকরা।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহণ করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা এরিয়া অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার শাহ মোহাম্মদ খালেদ নেওয়াজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ জানায়, শনিবার সন্ধ্যা রাত থেকেই পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ও আরিচা- কাজিরহাট এবং ধাওয়াপাড়া-নাজিরগঞ্জ নৌরুটে কুয়াশা পড়তে শুরু করে। রাত ১০টার পর থেকে কুয়াশার মাত্রা বাড়তে থাকে। শনিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে কুয়াশার মাত্রা তীব্র আকার ধারণ করলে চ্যানেলের বিকন বাতি ও মার্কিং পয়েন্টে কিছুই দেখা যাচ্ছিল না। এতে দুর্ঘটনা এড়াতে এ তিনটি নৌ-রুটে ফেরি চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ ঘোষণা করে বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ।
এতে উভয় ঘাট এলাকায় যানবাহন আটকা পড়তে শুরু করে। এতে তিনটি নৌ-রুটে ৩ শতাধিক যানবাহন আটকা রয়েছে। শীত ও কুয়াশার মধ্যে মাঝ নদীতে নোঙর করে আছে আরও পাঁচটি ফেরি। এতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন যানবাহনের শ্রমিক, যাত্রী ও ব্যবসায়ীরা।
ঘাটে আটকা পড়া ট্রাকচালক মো. শহীদ জানান, রাত ২টার সময় ঢাকা থেকে পাটুরিয়া ঘাটে এসেছি। এখনো তিন নম্বর ঘাটে অপেক্ষা করছি। কুয়াশার কারণে কুয়াশা কারণে নদী পার হতে পারিনি। তীব্র শীতের মধ্যে ঘাট এলাকায় অপেক্ষা করছি।
বাসের চালক মোহাম্মদ ফারুক হোসেন জানান, শনিবার রাত ১১টার দিকে পাটুরিয়া ফেরিঘাটে এসেছি। আমার গাড়িতে অনেক নারী, শিশু ও বয়স্ক যাত্রী রয়েছে। তীব্র শীতে তারা অনেক কষ্ট করছে। এখানে খাওয়া-দাওয়াসহ অনেক সমস্যা রয়েছে।
বিআইডব্লিউটিসি আরিচা এরিয়া অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার শাহ মোহাম্মদ খালেদ নেওয়াজ জানান, এই নৌরুটগুলোতে ২৭টি ফেরি চলাচল করে। কুয়াশার মাত্রা কেটে গেলে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ও আরিচা-কাজিরহাট এবং ধাওয়াপাড়া-নাজিরগঞ্জ নৌ-রুটে ঘন কুয়াশার কারণে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। ছোট-বড় যানবাহন নিয়ে মাঝ নদীতে আটকা পড়েছে পাঁচটি ফেরি। এতে শীতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন এই নৌ-পথে চলাচলরত যাত্রী ও যানবাহনের শ্রমিকরা।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহণ করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা এরিয়া অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার শাহ মোহাম্মদ খালেদ নেওয়াজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ জানায়, শনিবার সন্ধ্যা রাত থেকেই পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ও আরিচা- কাজিরহাট এবং ধাওয়াপাড়া-নাজিরগঞ্জ নৌরুটে কুয়াশা পড়তে শুরু করে। রাত ১০টার পর থেকে কুয়াশার মাত্রা বাড়তে থাকে। শনিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে কুয়াশার মাত্রা তীব্র আকার ধারণ করলে চ্যানেলের বিকন বাতি ও মার্কিং পয়েন্টে কিছুই দেখা যাচ্ছিল না। এতে দুর্ঘটনা এড়াতে এ তিনটি নৌ-রুটে ফেরি চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ ঘোষণা করে বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ।
এতে উভয় ঘাট এলাকায় যানবাহন আটকা পড়তে শুরু করে। এতে তিনটি নৌ-রুটে ৩ শতাধিক যানবাহন আটকা রয়েছে। শীত ও কুয়াশার মধ্যে মাঝ নদীতে নোঙর করে আছে আরও পাঁচটি ফেরি। এতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন যানবাহনের শ্রমিক, যাত্রী ও ব্যবসায়ীরা।
ঘাটে আটকা পড়া ট্রাকচালক মো. শহীদ জানান, রাত ২টার সময় ঢাকা থেকে পাটুরিয়া ঘাটে এসেছি। এখনো তিন নম্বর ঘাটে অপেক্ষা করছি। কুয়াশার কারণে কুয়াশা কারণে নদী পার হতে পারিনি। তীব্র শীতের মধ্যে ঘাট এলাকায় অপেক্ষা করছি।
বাসের চালক মোহাম্মদ ফারুক হোসেন জানান, শনিবার রাত ১১টার দিকে পাটুরিয়া ফেরিঘাটে এসেছি। আমার গাড়িতে অনেক নারী, শিশু ও বয়স্ক যাত্রী রয়েছে। তীব্র শীতে তারা অনেক কষ্ট করছে। এখানে খাওয়া-দাওয়াসহ অনেক সমস্যা রয়েছে।
বিআইডব্লিউটিসি আরিচা এরিয়া অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার শাহ মোহাম্মদ খালেদ নেওয়াজ জানান, এই নৌরুটগুলোতে ২৭টি ফেরি চলাচল করে। কুয়াশার মাত্রা কেটে গেলে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

শনিবার (২৭ জুন) ভোর ৩টার দিকে হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়নের তেলিয়াপাড়া বিওপির অধীন ১৯৮২ নম্বর মেইন পিলারের ১১-এস সাব-পিলারসংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
১৮ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার (২৬ জুন) গভীর রাতে উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের গেন্দুকুড়ি গ্রামে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি রাশেদুল ইসলাম ওরফে রাশেদকে গ্রেপ্তার করতে যায় পুলিশ। বেলাল হোসেনের ছেলে রাশেদের বিরুদ্ধে চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধে একাধিক ওয়ারেন্ট রয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
বিকেল ৫টার পর বাংলাবাজার থেকে আশুরার একটি মিছিল বের হয়। মিছিলটি বাংলাবাজার বাটা ক্রসিং পার হওয়ার সময় একদল দুর্বৃত্ত আশুরার মিছিলে থাকা এক তরুণকে ধাওয়া করে। একপর্যায়ে ভুক্তভোগী পাশের একটি মার্কেটে ঢুকে পড়েন। সেখানেই দুর্বৃত্তরা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে।
১ দিন আগে
পবিত্র আশুরা উপলক্ষ্যে আজ শুক্রবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী ‘নিশান গাস্ত’। কারবালার শোক, ত্যাগ, সত্য ও ন্যায়ের আদর্শকে ধারণ করে প্রায় দুই শতাব্দী ধরে নিজস্ব রীতি ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে এ শোকানুষ্ঠান পালিত হয়ে আসছে, যা দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মহররম পালনের ধরন থেকে অনেকটাই স্বতন্ত্র।
২ দিন আগে