কাঁচপুর সেতুতে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ ট্রাকচালক নিহত

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নারায়ণগঞ্জ জেলার কাঁচপুর সেতুতে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই যুবক নিহত হয়েছেন। তারা দুজন ট্রাকচালক বলে ধারণা করছে হাইওয়ে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) ভোর ছয়টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাঁচপুর সেতুর ওপর এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতদের একজনের নাম মো. রাকিব বলে জানা গেছে। তার বাড়ি রংপুর জেলায়। তবে অপরজনের নাম-পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুলহাস উদ্দিন বলেন, ভোরে কাঁচপুর সেতুর ওপর একটি ট্রাক বিকল হয়ে পড়ে। পরে আরেকটি ট্রাকের সাহায্যে সেটিকে ঢাকার দিকে টেনে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এ সময় ট্রাকটি ডিভাইডারের সঙ্গে আটকে যায়। এরপর ট্রাক রেখে ওই দুইজন রাস্তা পার হচ্ছিলেন। হঠাৎ অজ্ঞাতনামা একটি যানবাহন তাদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তারা মারা যান। খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে রাখা হয়েছে।

ওসি জুলহাস উদ্দিন আরও বলেন, নিহতরা দুজনই একই মালিকের ট্রাক চালক। তাদের চালানো দুটি ট্রাকের মধ্যে একটি বিকল হয়ে গেলে তারা অন্য ট্রাকের সাহায্যে সেটিকে সরানোর চেষ্টা করছিলেন। এ সময় দুর্ঘটনা ঘটে।

ad
ad

মাঠের রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

রাজশাহী সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচারের সময় কষ্টি পাথরের মূর্তি উদ্ধার

রাজশাহীর কাকরামারি সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচারের সময় একটি দুর্লভ কষ্টি পাথরের মূর্তি উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

১৭ ঘণ্টা আগে

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অভিযানে শিক্ষার্থীকে মারধর: ৪ পুলিশ সদস্য ক্লোজড

ডিসি মাসুদ বলেন, শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা কাটাকাটির সময় দুপক্ষের বাড়াবাড়ির কারণে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় ডিউটিতে থাকা পুলিশের চার সদস্যকে ক্লোজড করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৮ ঘণ্টা আগে

বেপরোয়া বাস কেড়ে নিল মা-মেয়ের প্রাণ

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মমতাজ পারভীন তার দুই যমজ মেয়ে ও ভাগনেকে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে ঢাকাগামী 'নীলফামারী ট্রাভেলস' নামক একটি বাস তাদের সজোরে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই মা ও মেয়ের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক মনিরুল ইসলাম গুরুতর আহত হলেও মমতাজের অপর কন্যা মুবাশ্বিরা ভাগ্যক্রম

১ দিন আগে

কুমিল্লায় গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, শিশুসহ দগ্ধ 8

বিষয়টি নিশ্চিত করে আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানিয়েছেন, দগ্ধদের মধ্যে জিল হক ও উম্মে হুমায়রার শরীরের যথাক্রমে ৫৪ ও ৬৫ শতাংশ পুড়ে গেছে, যার ফলে তাদের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। পরিবারের অন্য দুই সদস্য—মনোয়ারা বেগম ও শিশু হুররামও হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। সিলিন্ডার লিকেজ থেকে জমে থাকা গ্যা

১ দিন আগে