
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ ও জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলমের গাড়িবহরে থাকা একটি গাড়িতে ট্রাক ধাক্কা দিয়েছে। এতে গাড়টি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি।
বুধবার (২৭ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া উপজেলা অংশের চুনতি হাজী রাস্তার মাথা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হাসনাত ও সারজিস চট্টগ্রামে নিহত আইনজীবী সাইফুল ইসলামের গ্রামের বাড়ি চুনতি ফারাঙ্গা এলাকা থেকে ফিরছিলেন। তাদের গাড়িবহরে কয়েকটি মোটরসাইকেল, দুটি কার ও একটি পাজেরো গাড়ি ছিল। সাইফুলের গ্রামের বাড়ি থেকে ১২ কিলোমিটার পশ্চিমে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চুনতি হাজী রাস্তার মাথা। ওই এলাকায় বহরের গাড়িগুলো গ্রামীণ সড়ক থেকে মহাসড়কে উঠছিল।
প্রথমে মোটরসাইকেলগুলো ও পাজেরো গাড়িটি মহাসড়কে ওঠে। ওই পাজেরো গাড়িতে হাসনাত-সারজিস ছিলেন। পরে একটি প্রাইভেট কার মহাসড়কে উঠতেই চট্টগ্রামমুখী একটি মালবাহী ট্রাক গাড়িটির সামনের অংশে ধাক্কা দেয়। এতে কারটির সামনের বাঁ-দিকের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ক্ষতিগ্রস্ত প্রাইভেট কারটিতে হাসনাত-সারজিসের কয়েকজন সফরসঙ্গী ছিলেন।
দুর্ঘটনার পর ট্রাকটি নিয়ে চালক পালিয়ে যেতে চাইলে বহরে থাকা মোটরসাইকেল আরোহীরা ধাওয়া দিয়ে চালক ও চালকের সহকারীকে আটক করেন। পরে তাদের লোহাগাড়া থানা-পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। পরে হাসনাত-সারজিস লোহাগাড়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে সহকর্মীদের নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন। ট্রাকের ধাক্কায় ক্ষতিগ্রস্ত গাড়িতে চট্টগ্রামের সমন্বয়কেরা ছিলেন বলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র উমামা ফাতেমা জানিয়েছেন।
এই দুর্ঘটনা নিয়ে এক ফেসবুক পোস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখ্য সংগঠক আবদুল হান্নান মাসউদ লিখেছেন, ‘নিহত আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের কবর জিয়ারত করে ফেরার পথে বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে চট্রগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চুনতি ইউনিয়নের হাজী রাস্তার মোড়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলমের গাড়িবহরে ট্রাকচাপা দিয়ে হত্যাচেষ্টা করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে চালক ময়মনসিংহ থেকে কক্সবাজারে মালামাল খালাস করে আসার কথা বললেও মালামাল খালাসের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। অতীতে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ কর্তৃক বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় অনেক ব্যক্তিকে হত্যা করার নজির রয়েছে।’
লোহাগাড়া থানায় দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তা আবদুল আলীম গণমাধ্যমকে বলেন, এ ঘটনায় ট্রাকের চালক ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল উপজেলার বাসিন্দা মজিবুর রহমান (৪০) ও তার ছেলে রিফাত মিয়াকে (১৮) পুলিশ থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করছে। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক ও প্রাইভেট কার থানা হেফাজতে রয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পুলিশ পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেবে।

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ ও জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলমের গাড়িবহরে থাকা একটি গাড়িতে ট্রাক ধাক্কা দিয়েছে। এতে গাড়টি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি।
বুধবার (২৭ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া উপজেলা অংশের চুনতি হাজী রাস্তার মাথা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হাসনাত ও সারজিস চট্টগ্রামে নিহত আইনজীবী সাইফুল ইসলামের গ্রামের বাড়ি চুনতি ফারাঙ্গা এলাকা থেকে ফিরছিলেন। তাদের গাড়িবহরে কয়েকটি মোটরসাইকেল, দুটি কার ও একটি পাজেরো গাড়ি ছিল। সাইফুলের গ্রামের বাড়ি থেকে ১২ কিলোমিটার পশ্চিমে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চুনতি হাজী রাস্তার মাথা। ওই এলাকায় বহরের গাড়িগুলো গ্রামীণ সড়ক থেকে মহাসড়কে উঠছিল।
প্রথমে মোটরসাইকেলগুলো ও পাজেরো গাড়িটি মহাসড়কে ওঠে। ওই পাজেরো গাড়িতে হাসনাত-সারজিস ছিলেন। পরে একটি প্রাইভেট কার মহাসড়কে উঠতেই চট্টগ্রামমুখী একটি মালবাহী ট্রাক গাড়িটির সামনের অংশে ধাক্কা দেয়। এতে কারটির সামনের বাঁ-দিকের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ক্ষতিগ্রস্ত প্রাইভেট কারটিতে হাসনাত-সারজিসের কয়েকজন সফরসঙ্গী ছিলেন।
দুর্ঘটনার পর ট্রাকটি নিয়ে চালক পালিয়ে যেতে চাইলে বহরে থাকা মোটরসাইকেল আরোহীরা ধাওয়া দিয়ে চালক ও চালকের সহকারীকে আটক করেন। পরে তাদের লোহাগাড়া থানা-পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। পরে হাসনাত-সারজিস লোহাগাড়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে সহকর্মীদের নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন। ট্রাকের ধাক্কায় ক্ষতিগ্রস্ত গাড়িতে চট্টগ্রামের সমন্বয়কেরা ছিলেন বলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র উমামা ফাতেমা জানিয়েছেন।
এই দুর্ঘটনা নিয়ে এক ফেসবুক পোস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখ্য সংগঠক আবদুল হান্নান মাসউদ লিখেছেন, ‘নিহত আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের কবর জিয়ারত করে ফেরার পথে বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে চট্রগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চুনতি ইউনিয়নের হাজী রাস্তার মোড়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলমের গাড়িবহরে ট্রাকচাপা দিয়ে হত্যাচেষ্টা করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে চালক ময়মনসিংহ থেকে কক্সবাজারে মালামাল খালাস করে আসার কথা বললেও মালামাল খালাসের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। অতীতে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ কর্তৃক বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় অনেক ব্যক্তিকে হত্যা করার নজির রয়েছে।’
লোহাগাড়া থানায় দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তা আবদুল আলীম গণমাধ্যমকে বলেন, এ ঘটনায় ট্রাকের চালক ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল উপজেলার বাসিন্দা মজিবুর রহমান (৪০) ও তার ছেলে রিফাত মিয়াকে (১৮) পুলিশ থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করছে। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক ও প্রাইভেট কার থানা হেফাজতে রয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পুলিশ পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেবে।

চুয়াডাঙ্গায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে কলা, পেঁপে ও ধানসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কৃষকদের দাবি, প্রায় ৫০ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়ে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ কোটি টাকা। এই বিপর্যয় থেকে ঘুরে দাঁড়াতে তারা সরকারি সহায়তা চেয়েছেন।
১ দিন আগে
রংপুরের একটি বেসরকারি ক্লিনিক থেকে চিকিৎসা শেষে মাইক্রোবাসযোগে বাড়ি ফিরছিলেন ভুরুঙ্গামারীর একই এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা। পথিমধ্যে কুড়িগ্রাম-ভুরুঙ্গামারী সড়কের বাঁশেরতল এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে মাইক্রোবাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই দুই জন
১ দিন আগে
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বর্ষণে কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে আবারও দেখা দিয়েছে ফসলহানির শঙ্কা। ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রায় ২ হাজার হেক্টর পাকা বোরো ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে, ফসল হারিয়ে আহাজারি করছেন অনেকে।
২ দিন আগে
টানা বৃষ্টি, পানির চাপ ও বজ্রপাতের আতঙ্কে হাওর এলাকার কৃষকরা দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। শ্রমিক সংকট, যন্ত্রচালিত হারভেস্টর ব্যবহারে প্রতিবন্ধকতা এবং ধান শুকানোর সুযোগ না থাকায় সংকট আরও তীব্র হয়েছে। অনেক স্থানে খলায় রাখা ধানও পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে।
২ দিন আগে