
নড়াইল প্রতিনিধি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর মাত্র এক দিন বাকি। আগামী বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠেয় ভোটে নড়াইলে স্থায়ীভাবে বসবাস করেন না— এমন ‘অতিথি’ প্রার্থীদের ভোট দেবেন না বলে জানিয়েছেন জেলার ভ্যান, ইজিবাইক ও রিকশাচালকসহ বিভিন্ন খাতের শ্রমিকরা। শহরের অন্তত ৭০ জন শ্রমিকের সঙ্গে কথা বলে এ মতামত পাওয়া গেছে।
নড়াইল পৌরসভার মহিষখোলা গ্রামের রিকশাচালক ছালাম শেখ বলেন, ভোটের সময় অনেক প্রার্থী এলাকায় এসে প্রতিশ্রুতি দিলেও পরে তাদের আর খুঁজে পাওয়া যায় না। তাই এবার তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা বাইরের কোনো প্রার্থীকে ভোট দেবেন না। তার সঙ্গে আরও অনেক শ্রমিক এ বিষয়ে একমত হয়েছেন বলেও জানান তিনি।
সদর উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের ভ্যানচালক রোস্তম শেখ বলেন, যারা গরিবের অধিকার হরণ করে ধনী হয়েছে, তাদের ভোট দেবো না। একই কথা বলেন দুর্গাপুর গ্রামের আবুল হোসেন, বরাশুলা গ্রামের হোসেন আলী ও উজিরপুর গ্রামের শমসের শেখ। তাদের ভাষ্য, যিনি এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকেন এবং স্থানীয় উন্নয়নে কাজ করেন, কেবল তাকেই তারা ভোট দেবেন।
নড়াইল ইজিবাইক-ভ্যানচালক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম জানান, শহরে কার্ডধারী প্রায় দেড় হাজার ভ্যান, ইজিবাইক ও রিকশাচালক শ্রমিক রয়েছেন। লাইসেন্সবিহীন শ্রমিক আছেন আরও প্রায় ৫৭৫ থেকে ৫৮০ জন। এ ছাড়া শহরতলীতে পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ হাজার শ্রমিক রয়েছেন। তারাও একই সিদ্ধান্তে একমত— এবার এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা, খোঁজখবর নেওয়া প্রার্থীকে ভোট দেবেন।
সদর উপজেলা ইমারত শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল মোল্লা বলেন, উপজেলায় কার্ডধারী শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় ৩ হাজার ৫০০ এবং কার্ডবিহীন শ্রমিক রয়েছেন প্রায় ৩ হাজার। পরিবার ও আত্মীয়স্বজন মিলিয়ে এসব শ্রমিকের ভোটার সংখ্যা প্রায় ১৫ হাজার, যা যেকোনো প্রার্থীর জয়-পরাজয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
এদিকে সদর উপজেলার মুলিয়া ইউনিয়নের সীতারামপুর গ্রামের মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের প্রবীণ নেতা মনোরঞ্জন বিশ্বাস জানান, মুলিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে প্রায় ১২ হাজার মৎস্যজীবীর বসবাস। এসব এলাকায় ভোটার সংখ্যা প্রায় ২৩ হাজার। তিনি বলেন, যে প্রার্থী নড়াইলে স্থায়ীভাবে বসবাস করেন না, তাকে তারা ভোট দেবেন না। কারণ ভোটে ‘অতিথি’ প্রার্থী জিতলে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায় না।
উল্লেখ্য, খুলনা বিভাগের নড়াইল জেলায় সংসদীয় আসন দুটি। নড়াইল-১ (সদর ও কালিয়া উপজেলা) আসনে এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৮ জন প্রার্থী— বিএনপির প্রার্থী বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, জামায়াতে ইসলামীর ওবায়দুল্লাহ কায়সার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুল আজিজ, জাতীয় পার্টির মিলটন মোল্যা এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) এস এম সাজ্জাদ হোসেন, জিয়া পরিষদের নেতা বি এম নাগিব হোসেন, সুকেশ সাহা অনন্দ ও মো. উজ্জল মোল্যা।
নড়াইল-২ (নড়াইল সদরের একাংশ ও লোহাগড়া) আসনেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৮ জন প্রার্থী— বিএনপির প্রার্থী এ জেড এম ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, জামায়াতে ইসলামীর মো. আতাউর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা তাজুল ইসলাম, জাতীয় পাটির খন্দকার ফায়েকুজ্জামান ফিরোজ, গণঅধিকার পরিষদের মো. নূর ইসলাম, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মো. শোয়েব আলী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন জেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক (সদ্য বহিষ্কৃত) মো. মনিরুল ইসলাম ও মোছা. ফরিদা ইয়াসমিন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর মাত্র এক দিন বাকি। আগামী বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠেয় ভোটে নড়াইলে স্থায়ীভাবে বসবাস করেন না— এমন ‘অতিথি’ প্রার্থীদের ভোট দেবেন না বলে জানিয়েছেন জেলার ভ্যান, ইজিবাইক ও রিকশাচালকসহ বিভিন্ন খাতের শ্রমিকরা। শহরের অন্তত ৭০ জন শ্রমিকের সঙ্গে কথা বলে এ মতামত পাওয়া গেছে।
নড়াইল পৌরসভার মহিষখোলা গ্রামের রিকশাচালক ছালাম শেখ বলেন, ভোটের সময় অনেক প্রার্থী এলাকায় এসে প্রতিশ্রুতি দিলেও পরে তাদের আর খুঁজে পাওয়া যায় না। তাই এবার তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা বাইরের কোনো প্রার্থীকে ভোট দেবেন না। তার সঙ্গে আরও অনেক শ্রমিক এ বিষয়ে একমত হয়েছেন বলেও জানান তিনি।
সদর উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের ভ্যানচালক রোস্তম শেখ বলেন, যারা গরিবের অধিকার হরণ করে ধনী হয়েছে, তাদের ভোট দেবো না। একই কথা বলেন দুর্গাপুর গ্রামের আবুল হোসেন, বরাশুলা গ্রামের হোসেন আলী ও উজিরপুর গ্রামের শমসের শেখ। তাদের ভাষ্য, যিনি এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকেন এবং স্থানীয় উন্নয়নে কাজ করেন, কেবল তাকেই তারা ভোট দেবেন।
নড়াইল ইজিবাইক-ভ্যানচালক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম জানান, শহরে কার্ডধারী প্রায় দেড় হাজার ভ্যান, ইজিবাইক ও রিকশাচালক শ্রমিক রয়েছেন। লাইসেন্সবিহীন শ্রমিক আছেন আরও প্রায় ৫৭৫ থেকে ৫৮০ জন। এ ছাড়া শহরতলীতে পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ হাজার শ্রমিক রয়েছেন। তারাও একই সিদ্ধান্তে একমত— এবার এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা, খোঁজখবর নেওয়া প্রার্থীকে ভোট দেবেন।
সদর উপজেলা ইমারত শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল মোল্লা বলেন, উপজেলায় কার্ডধারী শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় ৩ হাজার ৫০০ এবং কার্ডবিহীন শ্রমিক রয়েছেন প্রায় ৩ হাজার। পরিবার ও আত্মীয়স্বজন মিলিয়ে এসব শ্রমিকের ভোটার সংখ্যা প্রায় ১৫ হাজার, যা যেকোনো প্রার্থীর জয়-পরাজয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
এদিকে সদর উপজেলার মুলিয়া ইউনিয়নের সীতারামপুর গ্রামের মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের প্রবীণ নেতা মনোরঞ্জন বিশ্বাস জানান, মুলিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে প্রায় ১২ হাজার মৎস্যজীবীর বসবাস। এসব এলাকায় ভোটার সংখ্যা প্রায় ২৩ হাজার। তিনি বলেন, যে প্রার্থী নড়াইলে স্থায়ীভাবে বসবাস করেন না, তাকে তারা ভোট দেবেন না। কারণ ভোটে ‘অতিথি’ প্রার্থী জিতলে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায় না।
উল্লেখ্য, খুলনা বিভাগের নড়াইল জেলায় সংসদীয় আসন দুটি। নড়াইল-১ (সদর ও কালিয়া উপজেলা) আসনে এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৮ জন প্রার্থী— বিএনপির প্রার্থী বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, জামায়াতে ইসলামীর ওবায়দুল্লাহ কায়সার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুল আজিজ, জাতীয় পার্টির মিলটন মোল্যা এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) এস এম সাজ্জাদ হোসেন, জিয়া পরিষদের নেতা বি এম নাগিব হোসেন, সুকেশ সাহা অনন্দ ও মো. উজ্জল মোল্যা।
নড়াইল-২ (নড়াইল সদরের একাংশ ও লোহাগড়া) আসনেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৮ জন প্রার্থী— বিএনপির প্রার্থী এ জেড এম ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, জামায়াতে ইসলামীর মো. আতাউর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা তাজুল ইসলাম, জাতীয় পাটির খন্দকার ফায়েকুজ্জামান ফিরোজ, গণঅধিকার পরিষদের মো. নূর ইসলাম, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মো. শোয়েব আলী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন জেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক (সদ্য বহিষ্কৃত) মো. মনিরুল ইসলাম ও মোছা. ফরিদা ইয়াসমিন।

ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনের বিএনপি প্রার্থী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, তিনি কোনো দলের বিরুদ্ধে প্রতিশোধের রাজনীতিতে বিশ্বাসী নন। নির্বাচিত হলে ভিন্ন দলের কারও বিরুদ্ধে গায়েবি মামলা হবে না। সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে নান্দাইলকে পরিপূর্ণভাবে গড়ে তুলব।
১১ ঘণ্টা আগে
পাবনা-ঢাকা মহাসড়কের শোলাবাড়িয়া এলাকায় দুই যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন।
১১ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের নির্বাচনী প্রচারের শেষ দিনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিনকে আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন ‘ফুটবল’ প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট আহম্মদ কবির করিম।
১২ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ বিকালে দিকে বিশ্বনাথ পৌরসভার নতুন বাজারে সিলেট-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী তাহসিনা রুশদীর লুনার জনসভায় যোগ দিতে তিনি মিছিল নিয়ে রওনা দেন। সভাস্থলের কাছাকাছি পৌঁছেই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তাৎক্ষণিকভাবে নেতাকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে দক্ষিণ সুরমার একটি বেসরকারি মে
১ দিন আগে