
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

খাগড়াছড়িতে হঠাৎ বন্যায় শহরের একাধিক এলাকা পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন প্রায় পাঁচ শতাধিক পরিবার।
গতকাল শনিবার রাতের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চেঙ্গী নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় এসব এলাকা প্লাবিত হয়।
পৌর শহরের মেহেদীবাগ, উত্তর গঞ্জপাড়া, শব্দমিয়া পাড়া ও আশপাশের আরও কয়েকটি এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। রাতের বৃষ্টিতে রেকর্ড করা হয়েছে ১১২ মিলিমিটার। আকস্মিক জলাবদ্ধতায় প্রধান সড়কসহ অনেক গলিপথ তলিয়ে যায়।
রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে বৃষ্টি না থাকলেও চেঙ্গী নদীর পানি বাড়া অব্যাহত রয়েছে। ফলে নদীর পানি শহরের খালগুলোর মুখ ডুবে আরও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করেছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।
খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক এ বি এম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার জানান, ইতোমধ্যে পৌরসভা বন্যাকবলিত এলাকায় মাইকিং করা হয়েছে। মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর তালিকা করা হচ্ছে এবং দ্রুত ত্রাণ বিতরণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নালা-খাল অব্যবস্থাপনার কারণে শহরে সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। এবার পাহাড়ি ঢলের সঙ্গে ভারী বর্ষণে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়েছে।

খাগড়াছড়িতে হঠাৎ বন্যায় শহরের একাধিক এলাকা পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন প্রায় পাঁচ শতাধিক পরিবার।
গতকাল শনিবার রাতের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চেঙ্গী নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় এসব এলাকা প্লাবিত হয়।
পৌর শহরের মেহেদীবাগ, উত্তর গঞ্জপাড়া, শব্দমিয়া পাড়া ও আশপাশের আরও কয়েকটি এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। রাতের বৃষ্টিতে রেকর্ড করা হয়েছে ১১২ মিলিমিটার। আকস্মিক জলাবদ্ধতায় প্রধান সড়কসহ অনেক গলিপথ তলিয়ে যায়।
রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে বৃষ্টি না থাকলেও চেঙ্গী নদীর পানি বাড়া অব্যাহত রয়েছে। ফলে নদীর পানি শহরের খালগুলোর মুখ ডুবে আরও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করেছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।
খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক এ বি এম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার জানান, ইতোমধ্যে পৌরসভা বন্যাকবলিত এলাকায় মাইকিং করা হয়েছে। মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর তালিকা করা হচ্ছে এবং দ্রুত ত্রাণ বিতরণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নালা-খাল অব্যবস্থাপনার কারণে শহরে সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। এবার পাহাড়ি ঢলের সঙ্গে ভারী বর্ষণে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গয়েশপুর গ্রামের উত্তরপাড়ার কুদ্দুস মিয়া গোষ্ঠী ও ইদ্রিস আলী গোষ্ঠীর লোকজন কোরবানির মাংস বিতরণের সময় দুপুরে কথা কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে রাতে তা তুমুল সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষে দুপক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন। আহতদের অষ্টগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছ
২১ ঘণ্টা আগে
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত সাড়ে ৮টার দিকে ধুনট থেকে শেরপুরের দিকে যাচ্ছিল দুটি মোটরসাইকেল। বিপরীত দিক থেকে আসছিল আরেকটি মোটরসাইকেল। শুভগাছা সাফলজানি এলাকায় তিন মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে তিনটি মোটরসাইকেলই দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে তিন মোটরসাইকেলে থাকা আরোহী ছয়জনই গুরুতর আহত হন।
১ দিন আগে
ঈদের রাতে বাস-লেগুনা মুখোমুখি, প্রাণ গেল ৩ জনের
১ দিন আগে
ঢাকা শহরের টিকাটুলির হাটখোলা মোড় কিংবা বুড়িগঙ্গার ওপারে কেরানীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে দেখা মিলল এই অস্থায়ী হাটের। ভ্যানের ওপর লাল প্লাস্টিক বিছিয়ে স্তূপ করে রাখা হয়েছে মাংস। তবে এই মাংস কোনো কসাইয়ের দোকান থেকে আসেনি, এসেছে শত শত মানুষের দুয়ার ঘুরে সংগ্রহ করা কোরবানির দান থেকে।
২ দিন আগে