
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে ট্রাক, মাইক্রোবাস ও পিকআপের ত্রিমুখী সংঘর্ষে নারী-শিশুসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। বুধবার (১১ ডিসেম্বর) সকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বুধন্তী ইউনিয়নের বীরপাশা নামক এলাকায় সকাল পৌনে ৭টায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার রামপুর এলাকার মানিক মিয়ার ১১ মাস বয়সী মেয়ে রাইসা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার দাতমন্ডল এলাকার লুতু মিয়ার স্ত্রী ফজিলাতুন্নেছা (৭৫) ও একই উপজেলার হরিপুর গ্রামের লোকমান মিয়ার ছেলে পাভেল মিয়া (৩০)। এ ঘটনায় আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন।
খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারগুব তৌহিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্খানীয়দের বরাত দিয়ে ওসি মারগুব তৌহিদ বলেন, ভোরে বিজয়নগর উপজেলার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বারঘড়িয়া এলাকায় কুমিল্লাগামী ড্রামভর্তি একটি ট্রাকের সঙ্গে সিলেটগামী একটি হাইচ গাড়ি ও একটি পিকআপের সংঘর্ষ হয়। এ সময় তিনটি গাড়িই দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই এক শিশু ও এক বৃদ্ধা নিহত হন। হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান আরও একজন। এই ত্রিমুখী সংঘর্ষে আরও ছয়জন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে ট্রাক, মাইক্রোবাস ও পিকআপের ত্রিমুখী সংঘর্ষে নারী-শিশুসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। বুধবার (১১ ডিসেম্বর) সকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বুধন্তী ইউনিয়নের বীরপাশা নামক এলাকায় সকাল পৌনে ৭টায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার রামপুর এলাকার মানিক মিয়ার ১১ মাস বয়সী মেয়ে রাইসা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার দাতমন্ডল এলাকার লুতু মিয়ার স্ত্রী ফজিলাতুন্নেছা (৭৫) ও একই উপজেলার হরিপুর গ্রামের লোকমান মিয়ার ছেলে পাভেল মিয়া (৩০)। এ ঘটনায় আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন।
খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারগুব তৌহিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্খানীয়দের বরাত দিয়ে ওসি মারগুব তৌহিদ বলেন, ভোরে বিজয়নগর উপজেলার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বারঘড়িয়া এলাকায় কুমিল্লাগামী ড্রামভর্তি একটি ট্রাকের সঙ্গে সিলেটগামী একটি হাইচ গাড়ি ও একটি পিকআপের সংঘর্ষ হয়। এ সময় তিনটি গাড়িই দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই এক শিশু ও এক বৃদ্ধা নিহত হন। হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান আরও একজন। এই ত্রিমুখী সংঘর্ষে আরও ছয়জন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে কলা, পেঁপে ও ধানসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কৃষকদের দাবি, প্রায় ৫০ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়ে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ কোটি টাকা। এই বিপর্যয় থেকে ঘুরে দাঁড়াতে তারা সরকারি সহায়তা চেয়েছেন।
১ দিন আগে
রংপুরের একটি বেসরকারি ক্লিনিক থেকে চিকিৎসা শেষে মাইক্রোবাসযোগে বাড়ি ফিরছিলেন ভুরুঙ্গামারীর একই এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা। পথিমধ্যে কুড়িগ্রাম-ভুরুঙ্গামারী সড়কের বাঁশেরতল এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে মাইক্রোবাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই দুই জন
১ দিন আগে
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বর্ষণে কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে আবারও দেখা দিয়েছে ফসলহানির শঙ্কা। ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রায় ২ হাজার হেক্টর পাকা বোরো ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে, ফসল হারিয়ে আহাজারি করছেন অনেকে।
২ দিন আগে
টানা বৃষ্টি, পানির চাপ ও বজ্রপাতের আতঙ্কে হাওর এলাকার কৃষকরা দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। শ্রমিক সংকট, যন্ত্রচালিত হারভেস্টর ব্যবহারে প্রতিবন্ধকতা এবং ধান শুকানোর সুযোগ না থাকায় সংকট আরও তীব্র হয়েছে। অনেক স্থানে খলায় রাখা ধানও পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে।
২ দিন আগে