
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে এক এইচএসসি পরীক্ষার্থীসহ দুইজন বাংলাদেশি নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয়রা দুইজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করলেও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এখন পর্যন্ত একজনের নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
শুক্রবার (৮মে) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের পাথারিয়াদ্বার সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে মোরছালিন (১৮) স্থানীয় গোপীনাথপুর শাহ আলম ডিগ্রি কলেজের ছাত্র ছিলেন। অন্য নিহত ব্যক্তি নবীর হোসেন (৪৫) উপজেলার মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা।
এই ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। মরদেহগুলো বর্তমানে ভারতের আগরতলার একটি হাসপাতালে রয়েছে।
নিহত মোরছালিন গোপীনাথপুর ইউনিয়নের ধজনগরের বাতেনবাড়ি গ্রামের হেবজু মিয়ার ছেলে। তিনি গোপীনাথপুর শাহ আলম ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
অন্যদিকে, নবীর হোসেনের বাড়ি মধুপুর গ্রামে। দুইজনের লাশ আগরতলার জিবি হাসপাতালে রয়েছে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।
একই ঘটনায় একাধিক বাংলাদেশি তরুণ আহত হয়েছেন। তবে তাদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। চিকিৎসার জন্য তাদের কুমিল্লায় নেওয়া হয়েছে।
নিহতদের পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, কয়েকজন চোরাকারবারি রাতে মোরছালিনকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পাথারিয়াদ্বার সীমান্তে নিয়ে যায়।
একই সময়ে নবীন হোসেনসহ কয়েকজন সীমান্ত এলাকায় যায়। এ সময় বিএসএফ তাদের লক্ষ্য করে গুলি করলে ঘটনাস্থলে মুরছালিন নিহত হয়। পরে তার লাশ ভারতে নিয়ে যায়। এ সময় আহত নবীর হোসেনকেও নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. সবুর জানান, সীমান্তে গুলিতে দুইজন মারা যাওয়ার খবর পেয়েছন। এর মধ্যে নবীর হোসেনের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে তার কথা হয়েছে।
নবীর হোসেনের ছেলে মো. তপন জানান, তার বাবা সন্ধ্যা থেকেই বাড়িতে ছিলেন না। তিনি সীমান্ত এলাকায় যাওয়ার পর বিএসএফ গুলি করে লাশ নিয়ে যায়। বিভিন্ন মাধ্যমে বাবার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছেন বলে জানান।
ধজনগর গ্রামের রিপন পাঠান বলেন, ‘আমি যতটকু জানি রাতে ২০-২৫ জনের একটি দল কাঁটাতারের সামনে গেলে তাদের বিএসএফ গুলি করলে মোরছালিন গুলিবিদ্ধ হয়। বাকিরা আহত হয়ে পালিয়ে যায়। মোরছালিন এবার এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিল বলে তার বড় ভাই আমাকে জানিয়েছে।’
এ বিষয়ে চণ্ডীদ্বার বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েক সুবেদার মো. মুইনুদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, একজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।
কসবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. ছামিউল ইসলাম। জানান, বিএসএফের গুলিতে একজন মারা যাওয়ার খবর আমরা পেয়েছি। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে খোঁজ-খবর নেওয়া হচ্ছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে এক এইচএসসি পরীক্ষার্থীসহ দুইজন বাংলাদেশি নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয়রা দুইজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করলেও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এখন পর্যন্ত একজনের নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
শুক্রবার (৮মে) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের পাথারিয়াদ্বার সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে মোরছালিন (১৮) স্থানীয় গোপীনাথপুর শাহ আলম ডিগ্রি কলেজের ছাত্র ছিলেন। অন্য নিহত ব্যক্তি নবীর হোসেন (৪৫) উপজেলার মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা।
এই ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। মরদেহগুলো বর্তমানে ভারতের আগরতলার একটি হাসপাতালে রয়েছে।
নিহত মোরছালিন গোপীনাথপুর ইউনিয়নের ধজনগরের বাতেনবাড়ি গ্রামের হেবজু মিয়ার ছেলে। তিনি গোপীনাথপুর শাহ আলম ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
অন্যদিকে, নবীর হোসেনের বাড়ি মধুপুর গ্রামে। দুইজনের লাশ আগরতলার জিবি হাসপাতালে রয়েছে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।
একই ঘটনায় একাধিক বাংলাদেশি তরুণ আহত হয়েছেন। তবে তাদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। চিকিৎসার জন্য তাদের কুমিল্লায় নেওয়া হয়েছে।
নিহতদের পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, কয়েকজন চোরাকারবারি রাতে মোরছালিনকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পাথারিয়াদ্বার সীমান্তে নিয়ে যায়।
একই সময়ে নবীন হোসেনসহ কয়েকজন সীমান্ত এলাকায় যায়। এ সময় বিএসএফ তাদের লক্ষ্য করে গুলি করলে ঘটনাস্থলে মুরছালিন নিহত হয়। পরে তার লাশ ভারতে নিয়ে যায়। এ সময় আহত নবীর হোসেনকেও নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. সবুর জানান, সীমান্তে গুলিতে দুইজন মারা যাওয়ার খবর পেয়েছন। এর মধ্যে নবীর হোসেনের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে তার কথা হয়েছে।
নবীর হোসেনের ছেলে মো. তপন জানান, তার বাবা সন্ধ্যা থেকেই বাড়িতে ছিলেন না। তিনি সীমান্ত এলাকায় যাওয়ার পর বিএসএফ গুলি করে লাশ নিয়ে যায়। বিভিন্ন মাধ্যমে বাবার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছেন বলে জানান।
ধজনগর গ্রামের রিপন পাঠান বলেন, ‘আমি যতটকু জানি রাতে ২০-২৫ জনের একটি দল কাঁটাতারের সামনে গেলে তাদের বিএসএফ গুলি করলে মোরছালিন গুলিবিদ্ধ হয়। বাকিরা আহত হয়ে পালিয়ে যায়। মোরছালিন এবার এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিল বলে তার বড় ভাই আমাকে জানিয়েছে।’
এ বিষয়ে চণ্ডীদ্বার বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েক সুবেদার মো. মুইনুদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, একজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।
কসবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. ছামিউল ইসলাম। জানান, বিএসএফের গুলিতে একজন মারা যাওয়ার খবর আমরা পেয়েছি। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে খোঁজ-খবর নেওয়া হচ্ছে।

রাজধানীর কদমতলীতে একটি ফোমের মিলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট। কারখানার ভেতরে কেউ আটকা পড়ে আছেন কি না বা কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়েও তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি।
১৭ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে উন্নত, আধুনিক ও নিরাপদ নাগরিক সেবায় অভ্যস্ত। তাদের দাবি, দেশের অন্য যেকোনো আবাসিক এলাকার তুলনায় বসুন্ধরা বেশি নিরাপদ, সুরক্ষিত, পরিচ্ছন্ন এবং মাদক-সন্ত্রাসমুক্ত। এসব সেবা নিশ্চিত করে আসছে বসুন্ধরা ওয়েলফেয়ার সোসাইটি।
১৯ ঘণ্টা আগে
অনলাইন জুয়ায় জড়িয়ে দেড় কোটি টাকার ও দেনা-পাওনা নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার পর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন রাজস্ব বিভাগের আমিনুল ইসলাম নামে এক কর্মচারী। মৃত্যুর আগে দেওয়া ওই স্ট্যাটাসে তিনি এক ব্যাংক কর্মকর্তাকে দায়ী করে গেছেন।
১ দিন আগে
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নিহত রাজু রৌফাবাদে শহিদ কলোনিতে বোনের বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে কলোনির সামনের রাস্তায় চার-পাঁচজন ট্যাক্সিতে করে হাজির হয়। মূল সড়ক থেকেই তারা গুলি করতে করতে কলোনিতে প্রবেশ করেন। এরপর আবার গুলি করতে করতেই বেরিয়ে যান।
১ দিন আগে