চট্টগ্রামে ১০ মামলার আসামি গ্রেপ্তার

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

চট্টগ্রামের রাউজান এবং রাঙ্গুনিয়া থানা এলাকার চাঁদাবাজ চক্রের মূলহোতা ১০ মামলার আসামি মো. জানে আলমকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটলিয়ন (র‌্যাব)।

মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) র‌্যাব-৭-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এআরএম মোজাম্মেল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

গ্রেপ্তার মো. জানে আলম রাউজান উপজেলার নোয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

র‌্যাব জানায়, ব্যবসায়ী মোহাম্মদ কামাল উদ্দিনের কাছে গত ১০ অক্টোবর জানে আলম ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে জানে আলম কামালকে পিটিয়ে জখম করে। কামালের চিৎকারে তার ভাই মো. আজিম উদ্দীন এগিয়ে এলে তাকেও রড দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে জানে আলম। এ ঘটনায় কামাল বাদী হয়ে গত ১১ অক্টোবর রাউজান থানায় মামলা করেন।

র‌্যাব কর্মকর্তা এআরএম মোজাম্মেল হোসেন জানান, সোমবার (২ নভেম্বর) রাতে চেরাগী পাহাড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম জেলার রাউজান থানায় হত্যা, অস্ত্র, নাশকতা, চাঁদাবাজি এবং হত্যাচেষ্টার মোট ১০টি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। আসামিকে রাউজান থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

ad
ad

মাঠের রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

চুয়াডাঙ্গায় কালবৈশাখীর তাণ্ডবে প্রায় ৬ কোটি টাকার ফসলহানি

চুয়াডাঙ্গায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে কলা, পেঁপে ও ধানসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কৃষকদের দাবি, প্রায় ৫০ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়ে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ কোটি টাকা। এই বিপর্যয় থেকে ঘুরে দাঁড়াতে তারা সরকারি সহায়তা চেয়েছেন।

১ দিন আগে

নাগেশ্বরীতে ট্রাক-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ৩

রংপুরের একটি বেসরকারি ক্লিনিক থেকে চিকিৎসা শেষে মাইক্রোবাসযোগে বাড়ি ফিরছিলেন ভুরুঙ্গামারীর একই এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা। পথিমধ্যে কুড়িগ্রাম-ভুরুঙ্গামারী সড়কের বাঁশেরতল এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে মাইক্রোবাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই দুই জন

১ দিন আগে

কিশোরগঞ্জে তলিয়ে গেছে ২ হাজার হেক্টর জমির ধান, কৃষকের আহাজারি

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বর্ষণে কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে আবারও দেখা দিয়েছে ফসলহানির শঙ্কা। ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রায় ২ হাজার হেক্টর পাকা বোরো ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে, ফসল হারিয়ে আহাজারি করছেন অনেকে।

২ দিন আগে

সুনামগঞ্জে অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ভেঙেছে দুটি বাঁধ, ডুবছে জমির ধান

টানা বৃষ্টি, পানির চাপ ও বজ্রপাতের আতঙ্কে হাওর এলাকার কৃষকরা দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। শ্রমিক সংকট, যন্ত্রচালিত হারভেস্টর ব্যবহারে প্রতিবন্ধকতা এবং ধান শুকানোর সুযোগ না থাকায় সংকট আরও তীব্র হয়েছে। অনেক স্থানে খলায় রাখা ধানও পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে।

২ দিন আগে