
ফেনী প্রতিনিধি

আধুনিক প্রযুক্তির প্রসারে ক্রিকেট ম্যাচে গত কয়েক বছর ধরে 'রিভিউ' পরিণত হয়েছে নিয়মিত অনুষঙ্গে। এ সুযোগ চালু হওয়ার পর আম্পায়ারের দেওয়া সিদ্ধান্তকে হরহামেশাই চ্যালেঞ্জ করছেন ক্রিকেটাররা। এবার রাজনীতির মাঠে সেই 'রিভিউ' নিয়ে হাজির হলেন ফেনীর বিএনপি নেতা আলাল উদ্দিন আলাল। ফেনী সদর তথা ফেনী-২ আসন থেকে দল তাকে মনোনয়ন না দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সে সিদ্ধান্তকেই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে 'রিভিউ' নিয়েছেন তিনি!
ফেনী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল ঘটনাটি ঘটিয়েছেন শুক্রবার (৭ নভেম্বর) সকালে। এ দিন কালো ট্রাউজার আর সাদা টি-শার্ট পরে ধানক্ষেত গিয়ে দাঁড়ান তিনি। চোখে সানগ্লাস, মাথায় ক্যাপ। বাঁহাত ভূমির সমান্তরালে রেখে ডান হাতটি তার নিচে উলম্বভাবে রেখে ছবি তোলেন তিনি, ঠিক যে ভঙ্গিতে আম্পায়ারের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে 'রিভিউ' নিয়ে থাকেন ক্রিকেটাররা।
আলাল তার ফেসবুক আইডিতে 'রিভিউ' নেওয়ার ভঙ্গিতে তোলা এ ছবি প্রকাশ করলে তা 'ভাইরাল' হতে সময় নেয়নি। তার অনুসারীরা তো বটেই, সারা দেশ থেকেই ফেসবুকে সক্রিয় নানা মানুষ সে ছবি শেয়ার করেছেন নিজের প্রোফাইলে, আলালকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন, তার মনোনয়নবঞ্চিত হওয়ার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে 'রিভিউ' নেওয়ার জন্য।
নেটিজেনরা বলছেন, আলাল নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার। কেননা বিএনপি গত সপ্তাহে ২৩৭ আসনের যে প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে তাতে মনোনয়ন না পাওয়া অনেক নেতার কাছ থেকেই এসেছে বিরূপ প্রতিক্রিয়া। কেউ কেউ দল মনোনীত প্রার্থীর পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিলেও অনেক নেতার অনুসারীরা রীতিমতো সড়ক অবরোধ করে ভাঙচুর পর্যন্ত করেছেন।
নেটিজেনরা আরও বলছেন, মনোনয়নবঞ্চিত হয়েও দলীয় প্রার্থীর পাশে থাকাটা উত্তম রাজনৈতিক চর্চা হলেও তা নতুন কিছু নয়। কিন্তু আলাল যেভাবে দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছেন, সেটি তাকে সবার থেকে আলাদা করেছে। আনুষ্ঠানিকভাবে দল একে 'রিভিউ' হিসেবে গ্রহণ করুক বা না করুক, আলাল দারুণভাবেই তার অবস্থান প্রকাশ করতে পেরেছেন বলে মনে করছেন নেটিজেনরা।
আলালের ঘনিষ্ঠজনরা বলছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হিসেবে দলের সব আদেশ-নির্দেশ ও কর্মসূচি সুচারুরূপে বাস্তবায়ন করেছেন আলাল। বহু হামলা-মামলার শিকার হয়েছেন, নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। স্বাভাবিকভাবেই এবারের নির্বাচনে দলের মনোনয়ন আশা করেছিলেন তিনি। প্রাথমিক তালিকায় মনোনয়ন না পেয়েও 'রিভিউ' নিয়ে ভিন্ন নজির স্থাপন করলেন।
আলাল নিজে কী বলছেন এ বিষয়ে? কেন বা কোন ভাবনা থেকে রাজনীতির মাঠে ক্রিকেটের 'রিভিউ' নিয়ে হাজির হয়েছেন তিনি? সত্যি সত্যিই কি তিনি মনোনয়ন নিয়ে দলীয় হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তের 'রিভিউ' চান?
জানতে চাইলে আলাল উদ্দিন আলাল বলেন, জয়নাল হাজারীর সময় ফেনী সারা দেশে পরিচিত ছিল 'লেবানন' হিসেবে। এরপর এলেন নিজাম হাজারী, তার সময়ের নির্বাচন 'ফেনী স্টাইল' নামে পরিচিত ছিল। আমরা সেসব যুগ পেরিয়ে এসেছি। এখন সুস্থতার চর্চা করতে হবে। আমি জানাতে চেয়েছি, এই সময়ে এসে ভিন্ন ভাষাতেও প্রতিবাদ জানানো যায়, ফেনীর মানুষ ভিন্নভাবে প্রতিবাদ জানাতে পারে।
ফেনী-২ আসন নিয়ে দলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা চান জানিয়ে ফেনী জেলা বিএনপির এই সদস্য সচিব বলেন, আমি চাই, এ প্রতিবাদের মধ্য দিয়ে ফেনী-২ আসন নিয়ে দলের হাইকমান্ড আবার বিবেচনা করুক। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমান যেন ফেনী-২ আসনটি 'রিভিউ' করেন, এটাই প্রত্যাশা।

আধুনিক প্রযুক্তির প্রসারে ক্রিকেট ম্যাচে গত কয়েক বছর ধরে 'রিভিউ' পরিণত হয়েছে নিয়মিত অনুষঙ্গে। এ সুযোগ চালু হওয়ার পর আম্পায়ারের দেওয়া সিদ্ধান্তকে হরহামেশাই চ্যালেঞ্জ করছেন ক্রিকেটাররা। এবার রাজনীতির মাঠে সেই 'রিভিউ' নিয়ে হাজির হলেন ফেনীর বিএনপি নেতা আলাল উদ্দিন আলাল। ফেনী সদর তথা ফেনী-২ আসন থেকে দল তাকে মনোনয়ন না দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সে সিদ্ধান্তকেই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে 'রিভিউ' নিয়েছেন তিনি!
ফেনী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল ঘটনাটি ঘটিয়েছেন শুক্রবার (৭ নভেম্বর) সকালে। এ দিন কালো ট্রাউজার আর সাদা টি-শার্ট পরে ধানক্ষেত গিয়ে দাঁড়ান তিনি। চোখে সানগ্লাস, মাথায় ক্যাপ। বাঁহাত ভূমির সমান্তরালে রেখে ডান হাতটি তার নিচে উলম্বভাবে রেখে ছবি তোলেন তিনি, ঠিক যে ভঙ্গিতে আম্পায়ারের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে 'রিভিউ' নিয়ে থাকেন ক্রিকেটাররা।
আলাল তার ফেসবুক আইডিতে 'রিভিউ' নেওয়ার ভঙ্গিতে তোলা এ ছবি প্রকাশ করলে তা 'ভাইরাল' হতে সময় নেয়নি। তার অনুসারীরা তো বটেই, সারা দেশ থেকেই ফেসবুকে সক্রিয় নানা মানুষ সে ছবি শেয়ার করেছেন নিজের প্রোফাইলে, আলালকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন, তার মনোনয়নবঞ্চিত হওয়ার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে 'রিভিউ' নেওয়ার জন্য।
নেটিজেনরা বলছেন, আলাল নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার। কেননা বিএনপি গত সপ্তাহে ২৩৭ আসনের যে প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে তাতে মনোনয়ন না পাওয়া অনেক নেতার কাছ থেকেই এসেছে বিরূপ প্রতিক্রিয়া। কেউ কেউ দল মনোনীত প্রার্থীর পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিলেও অনেক নেতার অনুসারীরা রীতিমতো সড়ক অবরোধ করে ভাঙচুর পর্যন্ত করেছেন।
নেটিজেনরা আরও বলছেন, মনোনয়নবঞ্চিত হয়েও দলীয় প্রার্থীর পাশে থাকাটা উত্তম রাজনৈতিক চর্চা হলেও তা নতুন কিছু নয়। কিন্তু আলাল যেভাবে দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছেন, সেটি তাকে সবার থেকে আলাদা করেছে। আনুষ্ঠানিকভাবে দল একে 'রিভিউ' হিসেবে গ্রহণ করুক বা না করুক, আলাল দারুণভাবেই তার অবস্থান প্রকাশ করতে পেরেছেন বলে মনে করছেন নেটিজেনরা।
আলালের ঘনিষ্ঠজনরা বলছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হিসেবে দলের সব আদেশ-নির্দেশ ও কর্মসূচি সুচারুরূপে বাস্তবায়ন করেছেন আলাল। বহু হামলা-মামলার শিকার হয়েছেন, নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। স্বাভাবিকভাবেই এবারের নির্বাচনে দলের মনোনয়ন আশা করেছিলেন তিনি। প্রাথমিক তালিকায় মনোনয়ন না পেয়েও 'রিভিউ' নিয়ে ভিন্ন নজির স্থাপন করলেন।
আলাল নিজে কী বলছেন এ বিষয়ে? কেন বা কোন ভাবনা থেকে রাজনীতির মাঠে ক্রিকেটের 'রিভিউ' নিয়ে হাজির হয়েছেন তিনি? সত্যি সত্যিই কি তিনি মনোনয়ন নিয়ে দলীয় হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তের 'রিভিউ' চান?
জানতে চাইলে আলাল উদ্দিন আলাল বলেন, জয়নাল হাজারীর সময় ফেনী সারা দেশে পরিচিত ছিল 'লেবানন' হিসেবে। এরপর এলেন নিজাম হাজারী, তার সময়ের নির্বাচন 'ফেনী স্টাইল' নামে পরিচিত ছিল। আমরা সেসব যুগ পেরিয়ে এসেছি। এখন সুস্থতার চর্চা করতে হবে। আমি জানাতে চেয়েছি, এই সময়ে এসে ভিন্ন ভাষাতেও প্রতিবাদ জানানো যায়, ফেনীর মানুষ ভিন্নভাবে প্রতিবাদ জানাতে পারে।
ফেনী-২ আসন নিয়ে দলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা চান জানিয়ে ফেনী জেলা বিএনপির এই সদস্য সচিব বলেন, আমি চাই, এ প্রতিবাদের মধ্য দিয়ে ফেনী-২ আসন নিয়ে দলের হাইকমান্ড আবার বিবেচনা করুক। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমান যেন ফেনী-২ আসনটি 'রিভিউ' করেন, এটাই প্রত্যাশা।

হঠাৎ করে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় টার্মিনালে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও গন্তব্যে যেতে পারেননি অনেকে। পরে বাধ্য হয়ে কেউ ট্রেন, কেউ মাইক্রোবাস কিংবা স্থানীয় পরিবহনে ভেঙে ভেঙে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।
১ দিন আগে
পুলিশ সুপার বলেন, প্রাথমিকভাবে এ হত্যাকাণ্ড কোনো ডাকাতি বা দস্যুতা ওই রকম ঘটনা মনে হচ্ছে না। ঘটনাটি পরিবার সংক্রান্ত বা জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে হতে পারে। যে গৃহবধূ মারা গেছে তার কানে এখনো গহনা (দুল) রয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট একযোগে কাজ করছে। দ্রুতই ঘটনার রহস্য উ
১ দিন আগে
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন-উপজেলার পলাশকান্দা গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে মো. ইউনুছ আলী ওরফে ইন্নছ আলী (৬২), তার ভাই মোহাম্মদ আলী (৫২), মো. গোলাম হোসেন ওরফে গুলু (৫১) ও শামছুল হক (৪৪), মো. গোলাম হোসেনের ছেলে আসিফ রানা নাঈম (২৪), হাজী আব্দুল মান্নানের ছেলে মো. আব্দুল হেলিম (৫১), মোহাম্মদ আলীর ছেলে মো. ফ
১ দিন আগে
চট্টগ্রামের সরকারি সিটি কলেজে দেয়ালে লেখা পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে এক দফা সংঘর্ষের পর বিকেলে আবারও সংঘর্ষে জড়ায় দুই পক্ষ।
১ দিন আগে