
কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লায় ট্রেন ও বাসের সংঘর্ষে ১২ জন নিহতের ঘটনায় নতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। দুর্ঘটনার রাতে পদুয়ার বাজার রেলগেটে দায়িত্বে থাকার কথা থাকলেও গেটম্যান হেলাল উদ্দিন ও ওয়েম্যান মেহেদী হাসান সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। দাপ্তরিক কাগজপত্রে তাদের নাম থাকলেও ওই রাতে সেখানে দায়িত্ব পালন করেন গেটম্যান নাজমুল হাসান ও ওয়েম্যান কাউসার।
গত শনিবার গভীর রাতের ওই দুর্ঘটনার পরপরই দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে রেলক্রসিংয়ের গেটম্যান মো. হেলাল ও মেহেদী হাসানকে বরখাস্ত করে রেলওয়ে বিভাগ। এ ছাড়া গঠন করা হয় তিনটি তদন্ত কমিটি। আহত বাসযাত্রী শেফালী আক্তার (৫৮) বাদী হয়ে লাকসাম রেলওয়ে থানায় একটি মামলাও দায়ের করেছেন।
মামলায় আসামি করা হয়েছে বরখাস্ত হওয়া গেটম্যান হেলাল উদ্দিন ও ওয়েম্যান মেহেদী হাসানকে। বাদী শেফালী আক্তার দুর্ঘটনায় নিহত সোহেল রানার খালা এবং তার বাড়ি কুমিল্লার লাকসাম উপজেলায়। ইতোমধ্যে র্যাব-১১ প্রধান আসামি হেলাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনার রাতে দায়িত্বে থাকা গেটম্যান নাজমুল হাসান দায়িত্ব পালনে অমনোযোগী হওয়ায় তাকে গুরুত্বপূর্ণ রেলগেটে দায়িত্ব দেয় না ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। তবে ওই রাতে তিনি কীভাবে সেখানে দায়িত্ব পালন করছিলেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। নাজমুল ও কাউসারের বিরুদ্ধে কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, তাও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ওই লেভেল ক্রসিংয়ে সংশ্লিষ্টদের পরিবর্তে অন্য কর্মীরা দায়িত্ব পালন করছেন। এ বিষয়ে রেলওয়ের একাধিক সূত্র জানায়, বদলি ডিউটি রেলওয়েতে একটি প্রচলিত ঘটনা। প্রায়ই একজনের স্থলে অন্যজন দায়িত্ব পালন করেন। তদারকির অভাবে বিষয়টি অনেক সময় নজরে আসে না। কোথাও কোথাও স্টেশন মাস্টাররা সহকারী স্টেশন মাস্টারদের ওপর দায়িত্ব অর্পণ করেন।
কুমিল্লা রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী (পথ) মো. আনিসুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি গভীর রাতে ঘটেছে। দিনের বেলায় হলে তদারকি আরও জোরদার করা সম্ভব হতো। গেটম্যান ও ওয়েম্যান বদলি হয়েছেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। তবে কাগজে-কলমে দায়িত্বে থাকা হেলাল ও মেহেদী কোনোভাবেই দায় এড়াতে পারেন না। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
উল্লেখ্য, গত শনিবার ঈদের দিন দিবাগত রাত আনুমানিক তিনটার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার পদুয়ার বাজার এলাকায় একটি ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। ঢাকাগামী চট্টগ্রাম মেইল ট্রেনের সঙ্গে ‘মামুন স্পেশাল’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই ১২ জন নিহত হন। এ ঘটনায় আরও অন্তত ১৫ জন গুরুতর আহত হন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও আহতদের দাবি, ট্রেন আসার সময় নির্ধারিত সময়ে লেভেল ক্রসিংয়ের গেট বন্ধ করা হয়নি। গেটম্যানদের অবহেলার কারণেই এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ ওঠে।
ঘটনার পর পদুয়ার বাজার এলাকায় দায়িত্বে থাকা গেটম্যান হেলাল উদ্দিন ও ওয়েম্যান মেহেদী হাসানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে মঙ্গলবার রাতে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার সীমান্তবর্তী শংকুচাইল এলাকা থেকে প্রধান আসামি হেলাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।

কুমিল্লায় ট্রেন ও বাসের সংঘর্ষে ১২ জন নিহতের ঘটনায় নতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। দুর্ঘটনার রাতে পদুয়ার বাজার রেলগেটে দায়িত্বে থাকার কথা থাকলেও গেটম্যান হেলাল উদ্দিন ও ওয়েম্যান মেহেদী হাসান সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। দাপ্তরিক কাগজপত্রে তাদের নাম থাকলেও ওই রাতে সেখানে দায়িত্ব পালন করেন গেটম্যান নাজমুল হাসান ও ওয়েম্যান কাউসার।
গত শনিবার গভীর রাতের ওই দুর্ঘটনার পরপরই দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে রেলক্রসিংয়ের গেটম্যান মো. হেলাল ও মেহেদী হাসানকে বরখাস্ত করে রেলওয়ে বিভাগ। এ ছাড়া গঠন করা হয় তিনটি তদন্ত কমিটি। আহত বাসযাত্রী শেফালী আক্তার (৫৮) বাদী হয়ে লাকসাম রেলওয়ে থানায় একটি মামলাও দায়ের করেছেন।
মামলায় আসামি করা হয়েছে বরখাস্ত হওয়া গেটম্যান হেলাল উদ্দিন ও ওয়েম্যান মেহেদী হাসানকে। বাদী শেফালী আক্তার দুর্ঘটনায় নিহত সোহেল রানার খালা এবং তার বাড়ি কুমিল্লার লাকসাম উপজেলায়। ইতোমধ্যে র্যাব-১১ প্রধান আসামি হেলাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনার রাতে দায়িত্বে থাকা গেটম্যান নাজমুল হাসান দায়িত্ব পালনে অমনোযোগী হওয়ায় তাকে গুরুত্বপূর্ণ রেলগেটে দায়িত্ব দেয় না ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। তবে ওই রাতে তিনি কীভাবে সেখানে দায়িত্ব পালন করছিলেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। নাজমুল ও কাউসারের বিরুদ্ধে কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, তাও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ওই লেভেল ক্রসিংয়ে সংশ্লিষ্টদের পরিবর্তে অন্য কর্মীরা দায়িত্ব পালন করছেন। এ বিষয়ে রেলওয়ের একাধিক সূত্র জানায়, বদলি ডিউটি রেলওয়েতে একটি প্রচলিত ঘটনা। প্রায়ই একজনের স্থলে অন্যজন দায়িত্ব পালন করেন। তদারকির অভাবে বিষয়টি অনেক সময় নজরে আসে না। কোথাও কোথাও স্টেশন মাস্টাররা সহকারী স্টেশন মাস্টারদের ওপর দায়িত্ব অর্পণ করেন।
কুমিল্লা রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী (পথ) মো. আনিসুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি গভীর রাতে ঘটেছে। দিনের বেলায় হলে তদারকি আরও জোরদার করা সম্ভব হতো। গেটম্যান ও ওয়েম্যান বদলি হয়েছেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। তবে কাগজে-কলমে দায়িত্বে থাকা হেলাল ও মেহেদী কোনোভাবেই দায় এড়াতে পারেন না। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
উল্লেখ্য, গত শনিবার ঈদের দিন দিবাগত রাত আনুমানিক তিনটার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার পদুয়ার বাজার এলাকায় একটি ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। ঢাকাগামী চট্টগ্রাম মেইল ট্রেনের সঙ্গে ‘মামুন স্পেশাল’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই ১২ জন নিহত হন। এ ঘটনায় আরও অন্তত ১৫ জন গুরুতর আহত হন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও আহতদের দাবি, ট্রেন আসার সময় নির্ধারিত সময়ে লেভেল ক্রসিংয়ের গেট বন্ধ করা হয়নি। গেটম্যানদের অবহেলার কারণেই এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ ওঠে।
ঘটনার পর পদুয়ার বাজার এলাকায় দায়িত্বে থাকা গেটম্যান হেলাল উদ্দিন ও ওয়েম্যান মেহেদী হাসানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে মঙ্গলবার রাতে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার সীমান্তবর্তী শংকুচাইল এলাকা থেকে প্রধান আসামি হেলাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।

শনিবার (৯ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে হত্যার শিকার শারমিন খানমের বাবা মো. সাহাদৎ মোল্লা বাদী হয়ে কাপাসিয়া থানায় মামলাটি করেন।
১ দিন আগে
বগুড়ায় একটি পুকুরের কচুরিপানার ভেতর থেকে এক নবজাতকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় শিশুটির মা ও সৎবাবাকে আটক করা হয়েছে। আজ শনিবার দুপুরে তাদের আটক করা হয়। আটক দুজন হলেন— বগুড়া সদরের শেখেরকোলা ইউনিয়নের তেলিহারা উত্তরপাড়া গ্রামের দুলাল হোসেন (২৬) ও তার স্ত্রী নিপা বেগম (২০)।
১ দিন আগে
চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় মারছা পরিবহনের দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে হতাহতদের পরিচয় মিলেছে।
১ দিন আগে
ঘটনাস্থলে মরদেহ পাঁচটির ওপর থেকে নিহত শারমিন খানমের স্বামী ফোরকান মিয়ার লেখা (কম্পিউটারে টাইপ করা) একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে, যা গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) বরাবর লেখা।
১ দিন আগে