
ফেনী প্রতিনিধি

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির গ্রাম সরকার বিষয়ক সহ-সম্পাদক বেলাল আহমদ বলেছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে চতুর্মুখী ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। কোন ষড়যন্ত্র থেমে নাই। বিএনপির বিরুদ্ধে এসব ষড়যন্ত্র চলছে। বিগত ১৬ বছর বিএনপি নেতাকর্মীরা একটি সুষ্ঠু ভোটের অধিকার আদায়ের জন্য রাজপথে রক্ত দিয়েছে জেল জুলুম খেটেছে। এখন একটি গোষ্টি নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য ষড়যন্ত্র করছে। কিন্তু কোন ষড়যন্ত্রই কাঙ্ক্ষিত নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। সকল ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটের মাধ্যমে জনগণের অধিকার জনগণকে ফেরত দেয়া হবে।
শুক্রবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে ফেনী জেলা বিএনপি কর্তৃক আয়োজিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, সম্প্রতি একটি গোষ্ঠী বিএনপিকে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, বিএনপি হুমকি-ধমকিতে পালানোর দল নয়, এটি শহীদ জিয়ার আদর্শিক রাজনৈতিক দল। আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতে আমাদের জন্ম তাই আমাদের ভয় দেখিয়ে লাভ হবে না। আপনারা আমাদের ভয় দেখাবেন আর আমরা বসে বসে আঙ্গুল চুষবো এমনটি ভাববেন না। জাতীয় নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত সকল বিএনপি নেতাকর্মী রাজপথে থেকে নির্বাচন আদায় করে তবেই ঘরে ফিরবে।
তিনি বলেন, ৭ নভেম্বরের চেতনা হচ্ছে গণতন্ত্র ও দেশের স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা। বিএনপি তাই ৭ নভেম্বরের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে দেশ গড়ায় আত্ম-নিয়োগ করছে। ৭ নভেম্বর যখন বাংলাদেশ এলোমেলো ছিল। দেশে যখন রক্ত ঝরছে তখন সিপাহি জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে জিয়াউর ক্ষমতায় আসেন। কোন বাঁকা পথে নয়, তাকে জেল থেকে সিপাহি জনতা মুক্ত করে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করেন। তখন তিনি দিকহারা
একটা জাতিকে দিক প্রদর্শন করে দেশ গড়ায় আত্মনিয়োগ করেন। তার নির্মম মৃত্যুর পর বেগম খালেদা জিয়া দেশের হাল ধরে দেশকে উন্নতির সোপানে পৌঁছে দেন।
ফেনী জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ বাহারের সভাপতি ও পৌর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় এতে অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অধ্যাপক জয়নাল আবেদিন ভিপি, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মশিউর রহমান বিপ্লব, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল, যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ খালেক, গাজী হাবিবুল্লাহ মানিক, ইয়াকুব নবী, আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী, ফেনীর সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফজলুর রহমান বকুল, সদস্য সচিব আমান উদ্দিন কায়সার সাব্বির, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন বাবুল, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন খন্দকার, সদস্য সচিব নঈমুল্লাহ চৌধুরী বরাত, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সাইদুর রহমান জুয়েল, সাধারণ সম্পাদক এস এম কায়সার এলিন, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালাউদ্দিন মামুন, সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আলম মিলন সহ বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির গ্রাম সরকার বিষয়ক সহ-সম্পাদক বেলাল আহমদ বলেছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে চতুর্মুখী ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। কোন ষড়যন্ত্র থেমে নাই। বিএনপির বিরুদ্ধে এসব ষড়যন্ত্র চলছে। বিগত ১৬ বছর বিএনপি নেতাকর্মীরা একটি সুষ্ঠু ভোটের অধিকার আদায়ের জন্য রাজপথে রক্ত দিয়েছে জেল জুলুম খেটেছে। এখন একটি গোষ্টি নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য ষড়যন্ত্র করছে। কিন্তু কোন ষড়যন্ত্রই কাঙ্ক্ষিত নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। সকল ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটের মাধ্যমে জনগণের অধিকার জনগণকে ফেরত দেয়া হবে।
শুক্রবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে ফেনী জেলা বিএনপি কর্তৃক আয়োজিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, সম্প্রতি একটি গোষ্ঠী বিএনপিকে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, বিএনপি হুমকি-ধমকিতে পালানোর দল নয়, এটি শহীদ জিয়ার আদর্শিক রাজনৈতিক দল। আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতে আমাদের জন্ম তাই আমাদের ভয় দেখিয়ে লাভ হবে না। আপনারা আমাদের ভয় দেখাবেন আর আমরা বসে বসে আঙ্গুল চুষবো এমনটি ভাববেন না। জাতীয় নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত সকল বিএনপি নেতাকর্মী রাজপথে থেকে নির্বাচন আদায় করে তবেই ঘরে ফিরবে।
তিনি বলেন, ৭ নভেম্বরের চেতনা হচ্ছে গণতন্ত্র ও দেশের স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা। বিএনপি তাই ৭ নভেম্বরের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে দেশ গড়ায় আত্ম-নিয়োগ করছে। ৭ নভেম্বর যখন বাংলাদেশ এলোমেলো ছিল। দেশে যখন রক্ত ঝরছে তখন সিপাহি জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে জিয়াউর ক্ষমতায় আসেন। কোন বাঁকা পথে নয়, তাকে জেল থেকে সিপাহি জনতা মুক্ত করে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করেন। তখন তিনি দিকহারা
একটা জাতিকে দিক প্রদর্শন করে দেশ গড়ায় আত্মনিয়োগ করেন। তার নির্মম মৃত্যুর পর বেগম খালেদা জিয়া দেশের হাল ধরে দেশকে উন্নতির সোপানে পৌঁছে দেন।
ফেনী জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ বাহারের সভাপতি ও পৌর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় এতে অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অধ্যাপক জয়নাল আবেদিন ভিপি, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মশিউর রহমান বিপ্লব, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল, যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ খালেক, গাজী হাবিবুল্লাহ মানিক, ইয়াকুব নবী, আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী, ফেনীর সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফজলুর রহমান বকুল, সদস্য সচিব আমান উদ্দিন কায়সার সাব্বির, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন বাবুল, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন খন্দকার, সদস্য সচিব নঈমুল্লাহ চৌধুরী বরাত, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সাইদুর রহমান জুয়েল, সাধারণ সম্পাদক এস এম কায়সার এলিন, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালাউদ্দিন মামুন, সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আলম মিলন সহ বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।

শনিবার (১৫ আগস্ট) রাতে নগরের ডবলমুরিং থানার মনসুরাবাদ এলাকার ওয়াপদা কলোনি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
১ দিন আগে
যাত্রীবাহী একটি পিকআপ রাঙ্গামাটি শহর থেকে কুতুকছড়ি বাজারের দিকে যাচ্ছিল। গাড়িটি মানিকছড়ি এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন কয়েকজন যাত্রী। আহতদের উদ্ধার করে রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
১ দিন আগে
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মাদক কারবারিদের একটি দল অস্ত্রসহ ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রেললাইনের ইসদাইর এলাকায় মহড়া দিচ্ছিল। খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালায় ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ। পুলিশকে দেখেই মাদক কারবারিরা গুলি ও ইট-পাটকেল ছুড়তে থাকে। এ সময় ফতুল্লা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রফিক ও
২ দিন আগে
পরিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার প্রায় চার ঘণ্টা পরও জাহাজের ভেতরে হাইড্রোজেন সালফাইডের মাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৮ পিপিএম। দুর্ঘটনার সময় এর মাত্রা ১০০ পিপিএমেরও বেশি ছিল বলে ধারণা করছেন তারা। বলছেন, এত বেশি মাত্রার হাইড্রোজেন সালফাইডের সংস্পর্শে এলে এক থেকে তিন মিনিটের মধ্যেই আক্রান্ত ব্যক্তির
২ দিন আগে