অপহর‍ণের ৩ দিন পর ব্যবসায়ীকে উদ্ধার, সাবেক সেনা সদস্যসহ আটক ৬

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬: ৩৭
(ওপরের সারির বাঁ থেকে) সুমন মুন্সি, মিজানুর রহমান ও জয়নাল উদ্দিন এবং (নিচের সারির বাঁ থেকে) আব্বাস উদ্দিন, ছলিম ওরফে সেলিম ও দেলোয়ার হোসেন। ছবি: সংগৃহীত
(ওপরের সারির বাঁ থেকে) সুমন মুন্সি, মিজানুর রহমান ও জয়নাল উদ্দিন এবং (নিচের সারির বাঁ থেকে) আব্বাস উদ্দিন, ছলিম ওরফে সেলিম ও দেলোয়ার হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে অপহরণের তিন দিন পর মোহাম্মদ এহছান (৩৬) নামের এক ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ ঘটনায় সাবেক সেনা ও র‍্যাব (বর্তমানে এসআরবি) সদস্য সুমন মুন্সিসহ ছয়জনকে আটক করা হয়েছে। পুলিশের অভিযোগ, সুমন এই অপহরণকারী চক্রের মূলহোতা।

বুধবার (২১ অক্টোবর) চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের বরাতে পুলিশ সদর দপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে। পুলিশ জানায়, কক্সবাজারের টেকনাফের আলীখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প (লেদা ক্যাম্প-২৫) থেকে এহছানকে উদ্ধার করা হয়। তাকে বাঁশখালীর পশ্চিম পুইছড়ি এলাকায় আটকে রাখা হয়েছিল।

এ ঘটনায় আটক অন্য পাঁচজন হলেন— মিজানুর রহমান (২৯), জয়নাল উদ্দিন (২৮), আব্বাস উদ্দিন (৩১), ছলিম ওরফে সেলিম (৩০) ও দেলোয়ার হোসেন (৪০)।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৭ অক্টোবর রাত সাড়ে ৮টার দিকে এহছানকে তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে তুলে নেওয়া হয়। এ সময় সাবেক সেনা ও র‍্যাব সদস্য সুমন মুন্সিসহ অজ্ঞাতনামা পাঁচ থেকে ছয়জন এসআরবির (সাবেক র‍্যাব) পোশাক পরা ছিলেন। তারা এহছানকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রাখেন।

এরপর অপহরণকারীরা বিভিন্ন মোবাইল নম্বর থেকে এহছানের স্ত্রী ও দোকানের ব্যবস্থাপক মোজাফফর উদ্দিনের কাছে ফোন করেন। এহছানকে মুক্তি দেওয়ার বিনিময়ে তারা ২০ লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে তাকে হত্যা করার হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ ঘটনায় গত ১৯ অক্টোবর বাঁশখালী থানায় মামলা হয়। পুলিশ জানায়, আটক সুমন মুন্সির বাড়ি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায়। অন্যদের বাড়ি চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায়। আটক ব্যক্তিদের একজন কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা।

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad