
রাঙামাটি প্রতিনিধি

খাগড়াছড়িতে সহিংসতার উত্তাপ ছড়িয়েছে পার্বত্য শহর রাঙামাটিতেও। শহরের জিমনেসিয়াম চত্বর থেকে কয়েক হাজার পাহাড়ির একটি মিছিলে ইটপাটকেল নিক্ষেপের অভিযোগ তুলে বাঙালিদের বেশ কিছু দোকানপাটে হামলা চালানো হয়েছে। এই সংঘাতে অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৬ থেকে ৭ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক সাদিয়া আক্তার।
শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে শহরের জিমনেসিয়াম চত্বর থেকে কয়েক হাজার পাহাড়ির একটি মিছিল বের হওয়ার পর এ ঘটনা ঘটে।
এদিকে দুপুর দেড়টা থেকে রাঙামাটি পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন। বিষয়টি নিশ্চিত গণমাধ্যমকে করেছেন জেলা প্রশাসক মো. মোশাররফ হোসেন খান।
জানা যায়, জিমনেসিয়াম চত্বর থেকে বের হওয়া পাহাড়িদের মিছিলটি বনরূপায় গেলে ইটপাটকেল নিক্ষেপের অভিযোগ করা হয়। এরপর বাঙালিদের বেশ কিছু দোকানপাট ও বনরূপা মসজিদ ভাংচুর করে মিছিলকারীরা। এ সময় রাস্তায় চলাচলকারী প্রচুর বাস-ট্রাক-ট্যাক্সি ভাঙচুর করা হয়।
এরপর লাঠিসোঠা হাতে মাঠে নেমে পড়ে বাঙালিরাও। তাদের পাল্টা হামলায় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় কাঠালতলীতে অবস্থিত মৈত্রী বিহার। এতে বনরূপায় পাহাড়িদের মালিকানাধীন অন্তত দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। শহরের হ্যাপি মোড়কে কেন্দ্র করে এর দুই দিকে অবস্থান নেয় পাহাড়ি ও বাঙালিরা।
এদিকে বিক্ষোভকারীদের আগুনের ঘটনায় ফাইবার অপটিকের কেবল পুড়ে যায়। ফলে রাঙামাটি শহরে ইন্টারনেট সেবা ব্যাহত হচ্ছে। গণমাধ্যমকে এমনটি জানিয়েছেন ইয়েস নেট-এর পরিচালক মো. শাহীন। তিনি বলেন, পাহাড়ি ও বাঙালিদের মধ্যে সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এতে ফাইবার অপটিকের কেবল পুড়ে যায় এবং ইন্টারনেট সেবা ব্যহত হয়।
রাঙামাটি পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. জামালউদ্দিন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘সকালে পাহাড়িদের একটি মিছিল বনরূপায় এসে ফিরে যাওয়ার সময় বিনা উস্কানিতেই বনরূপায় বাঙালিদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং বনরূপা মসজিদে হামলা ও ভাঙচুর করে। এ সময় তারা বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে। এরপরই বাঙালি ব্যবসায়িরা সংঘবদ্ধ হয়ে তাদের পাল্টা ধাওয়া দেয়। এসময় ধাওয়া পাল্টাধাওয়া হয়।’
পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, রাঙামাটিতে সকালে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। শহরের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবির সমন্বয়ে যৌথ টহল টিম শহরে কাজ শুরু করেছে।

খাগড়াছড়িতে সহিংসতার উত্তাপ ছড়িয়েছে পার্বত্য শহর রাঙামাটিতেও। শহরের জিমনেসিয়াম চত্বর থেকে কয়েক হাজার পাহাড়ির একটি মিছিলে ইটপাটকেল নিক্ষেপের অভিযোগ তুলে বাঙালিদের বেশ কিছু দোকানপাটে হামলা চালানো হয়েছে। এই সংঘাতে অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৬ থেকে ৭ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক সাদিয়া আক্তার।
শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে শহরের জিমনেসিয়াম চত্বর থেকে কয়েক হাজার পাহাড়ির একটি মিছিল বের হওয়ার পর এ ঘটনা ঘটে।
এদিকে দুপুর দেড়টা থেকে রাঙামাটি পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন। বিষয়টি নিশ্চিত গণমাধ্যমকে করেছেন জেলা প্রশাসক মো. মোশাররফ হোসেন খান।
জানা যায়, জিমনেসিয়াম চত্বর থেকে বের হওয়া পাহাড়িদের মিছিলটি বনরূপায় গেলে ইটপাটকেল নিক্ষেপের অভিযোগ করা হয়। এরপর বাঙালিদের বেশ কিছু দোকানপাট ও বনরূপা মসজিদ ভাংচুর করে মিছিলকারীরা। এ সময় রাস্তায় চলাচলকারী প্রচুর বাস-ট্রাক-ট্যাক্সি ভাঙচুর করা হয়।
এরপর লাঠিসোঠা হাতে মাঠে নেমে পড়ে বাঙালিরাও। তাদের পাল্টা হামলায় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় কাঠালতলীতে অবস্থিত মৈত্রী বিহার। এতে বনরূপায় পাহাড়িদের মালিকানাধীন অন্তত দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। শহরের হ্যাপি মোড়কে কেন্দ্র করে এর দুই দিকে অবস্থান নেয় পাহাড়ি ও বাঙালিরা।
এদিকে বিক্ষোভকারীদের আগুনের ঘটনায় ফাইবার অপটিকের কেবল পুড়ে যায়। ফলে রাঙামাটি শহরে ইন্টারনেট সেবা ব্যাহত হচ্ছে। গণমাধ্যমকে এমনটি জানিয়েছেন ইয়েস নেট-এর পরিচালক মো. শাহীন। তিনি বলেন, পাহাড়ি ও বাঙালিদের মধ্যে সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এতে ফাইবার অপটিকের কেবল পুড়ে যায় এবং ইন্টারনেট সেবা ব্যহত হয়।
রাঙামাটি পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. জামালউদ্দিন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘সকালে পাহাড়িদের একটি মিছিল বনরূপায় এসে ফিরে যাওয়ার সময় বিনা উস্কানিতেই বনরূপায় বাঙালিদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং বনরূপা মসজিদে হামলা ও ভাঙচুর করে। এ সময় তারা বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে। এরপরই বাঙালি ব্যবসায়িরা সংঘবদ্ধ হয়ে তাদের পাল্টা ধাওয়া দেয়। এসময় ধাওয়া পাল্টাধাওয়া হয়।’
পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, রাঙামাটিতে সকালে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। শহরের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবির সমন্বয়ে যৌথ টহল টিম শহরে কাজ শুরু করেছে।

সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলে টানা বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে ফসলরক্ষা বাঁধ ভেঙে তলিয়ে যাচ্ছে ফসলি জমি। কৃষকের চোখের সামনে পানির নিচে ডুবে যাচ্ছে পাকা ও আধাপাকা বোরো ধান। কষ্টে ফলানো বোরো ফসল রক্ষায় শেষ মুহূর্তের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন হাওরপাড়ের কৃষকরা।
২ দিন আগে
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা থেকে শুরু হওয়া টানা ঝড়-বৃষ্টির কারণে মিঠামইন, ইটনা ও অষ্টগ্রাম উপজেলার কৃষকরা বাড়ির আঙিনায় ও খলায় রাখা ধান নিরাপদ জায়গায় সরাতে পারেননি। বুধবার ভোরে দেখা যায়, অধিকাংশ খলায় রাখা ধান পানিতে ভেসে যাচ্ছে। অনেক কৃষকের ঘরে সারা রাত ধরে কান্নার শব্দ শোনা গেছে।
২ দিন আগে
রাজশাহীর চারঘাটে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাত প্রায় ১টার দিকে উপজেলার সরদহ রেলস্টেশন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এসময় এ দম্পতিকে মারধরের ঘটনাও ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী স্বামী আজ বুধবার দুপুরে চারঘাট মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
৩ দিন আগে
চুয়াডাঙ্গায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে কলা, পেঁপে ও ধানসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কৃষকদের দাবি, প্রায় ৫০ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়ে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ কোটি টাকা। এই বিপর্যয় থেকে ঘুরে দাঁড়াতে তারা সরকারি সহায়তা চেয়েছেন।
৩ দিন আগে