
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

খাগড়াছড়িতে জেলা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অপ্রীতিকর অবস্থা এড়াতে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৪টায় অনুষ্ঠিত বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিশেষ মতবিনিময় সভা থেকে সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ ছাড়াও আহতদের সব চিকিৎসা খরচ প্রশাসন থেকে দেওয়ারও সিদ্ধান্ত হয়।
এর আগে সভায় পরিস্থিতি উত্তরণে প্রয়োজনে ১৪৪ ধারা জারি, অভিযান চালিয়ে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, ঘন ঘন টহল দেওয়া, হতাহতদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া এবং জেলার প্রত্যেক উপজেলায় সম্প্রীতি কমিটি গঠনের প্রস্তাব করেন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি সেনা রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শরীফ মো. আমান হাসান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘খাগড়াছড়িবাসীকে গুজব থেকে দূরে থাকতে হবে। কেউ কিছু বললো বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করলে বিশ্বাস করা যাবে না। প্রকৃত তথ্য জানতে হবে এবং সবাইকে জানাতে হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গুজব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেই প্রতিরোধ করতে হবে।’
এ সময় খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মো. সহিদুজ্জামান, পুলিশ সুপার মো. আরেফিন জুয়েল, জেলা বিএনপি সভাপতি ওয়াদুদ ভুঁইয়া, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রোজলিন শহিদ, সদর জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসনাত, মারমা সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি রাসাথোয়াই মারমা, চাকমা সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি অনিমেষ চাকমা, খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মিনহাজুর রহমান, জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি তরুণ কুমার ভট্টাচার্য্য, সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন মজুমদারসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, ২০১০ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি খাগড়াছড়িতে সংগঠিত পাহাড়ি এবং বাঙালি দাঙ্গার পর প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
প্রসঙ্গত, জেলার দীঘিনালায় পাহাড়ি ও বাঙালির সংঘর্ষের জের ধরে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতভর জেলা সদরে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে সদরসহ পুরো জেলায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। রাতের গোলাগুলি ও বিকালের সংঘর্ষের ঘটনায় তিন জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন।

খাগড়াছড়িতে জেলা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অপ্রীতিকর অবস্থা এড়াতে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৪টায় অনুষ্ঠিত বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিশেষ মতবিনিময় সভা থেকে সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ ছাড়াও আহতদের সব চিকিৎসা খরচ প্রশাসন থেকে দেওয়ারও সিদ্ধান্ত হয়।
এর আগে সভায় পরিস্থিতি উত্তরণে প্রয়োজনে ১৪৪ ধারা জারি, অভিযান চালিয়ে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, ঘন ঘন টহল দেওয়া, হতাহতদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া এবং জেলার প্রত্যেক উপজেলায় সম্প্রীতি কমিটি গঠনের প্রস্তাব করেন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি সেনা রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শরীফ মো. আমান হাসান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘খাগড়াছড়িবাসীকে গুজব থেকে দূরে থাকতে হবে। কেউ কিছু বললো বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করলে বিশ্বাস করা যাবে না। প্রকৃত তথ্য জানতে হবে এবং সবাইকে জানাতে হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গুজব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেই প্রতিরোধ করতে হবে।’
এ সময় খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মো. সহিদুজ্জামান, পুলিশ সুপার মো. আরেফিন জুয়েল, জেলা বিএনপি সভাপতি ওয়াদুদ ভুঁইয়া, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রোজলিন শহিদ, সদর জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসনাত, মারমা সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি রাসাথোয়াই মারমা, চাকমা সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি অনিমেষ চাকমা, খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মিনহাজুর রহমান, জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি তরুণ কুমার ভট্টাচার্য্য, সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন মজুমদারসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, ২০১০ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি খাগড়াছড়িতে সংগঠিত পাহাড়ি এবং বাঙালি দাঙ্গার পর প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
প্রসঙ্গত, জেলার দীঘিনালায় পাহাড়ি ও বাঙালির সংঘর্ষের জের ধরে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতভর জেলা সদরে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে সদরসহ পুরো জেলায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। রাতের গোলাগুলি ও বিকালের সংঘর্ষের ঘটনায় তিন জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন।

সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলে টানা বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে ফসলরক্ষা বাঁধ ভেঙে তলিয়ে যাচ্ছে ফসলি জমি। কৃষকের চোখের সামনে পানির নিচে ডুবে যাচ্ছে পাকা ও আধাপাকা বোরো ধান। কষ্টে ফলানো বোরো ফসল রক্ষায় শেষ মুহূর্তের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন হাওরপাড়ের কৃষকরা।
২ দিন আগে
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা থেকে শুরু হওয়া টানা ঝড়-বৃষ্টির কারণে মিঠামইন, ইটনা ও অষ্টগ্রাম উপজেলার কৃষকরা বাড়ির আঙিনায় ও খলায় রাখা ধান নিরাপদ জায়গায় সরাতে পারেননি। বুধবার ভোরে দেখা যায়, অধিকাংশ খলায় রাখা ধান পানিতে ভেসে যাচ্ছে। অনেক কৃষকের ঘরে সারা রাত ধরে কান্নার শব্দ শোনা গেছে।
২ দিন আগে
রাজশাহীর চারঘাটে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাত প্রায় ১টার দিকে উপজেলার সরদহ রেলস্টেশন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এসময় এ দম্পতিকে মারধরের ঘটনাও ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী স্বামী আজ বুধবার দুপুরে চারঘাট মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
৩ দিন আগে
চুয়াডাঙ্গায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে কলা, পেঁপে ও ধানসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কৃষকদের দাবি, প্রায় ৫০ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়ে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ কোটি টাকা। এই বিপর্যয় থেকে ঘুরে দাঁড়াতে তারা সরকারি সহায়তা চেয়েছেন।
৩ দিন আগে