
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

খাগড়াছড়িতে ঢলের পানিতে ডুবে যাওয়া বাঘাইহাট-সাজেক সড়কের পানি সরে যাওয়ায় সাজেক পর্যটনকেন্দ্রে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। এতে সাজেকে আটকা পড়া দুই শতাধিক পর্যটক নিরাপদে ফিরে গেছেন। শুক্রবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে পর্যটকদের বহনকারী গাড়িগুলো সাজেক থেকে খাগড়াছড়ির উদ্দেশে ছেড়ে গেছে বলে জানা গেছে।
এর আগে, বৃহস্পতিবার বৃষ্টি থেমে যাওয়ায় কাচালং নদীর পাহাড়ি ঢলও কমে যায়। ফলে বাঘাইহাট-সাজেক সড়কের তলিয়ে যাওয়া তিন স্থানের পানি কমে গিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। এরপর গত তিন দিনে আটকে পড়া ২৬০ জন পর্যটক খাগড়াছড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন।
শুক্রবার দুপুরে পর্যটকদের বহনকারী জিপ, মাহিন্দ্রা, মোটরসাইকেল সাজেকের রুইলুই পর্যটনকেন্দ্রের প্রবেশমুখে লাইন ধরে দাঁড়ায়। পরে দুপুরে ১৩টি জিপ ও ৬০টি মাহিন্দ্রা-মোটরসাইকেলে ওই পর্যটকরা খাগড়াছড়ির উদ্দেশে রওনা দেন।
গত মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে বাঘাইহাট থেকে সাজেকে এসব পর্যটক বেড়াতে যান। ওই দিন দুপুর ১২টার দিকে ভারী বৃষ্টি হলে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কাচালং নদী উপচে বাঘাইহাট-সাজেক সড়কের বাঘাইহাট এলাকায় দুটি স্থান এবং মাচালং বাজার এলাকা ডুবে যায়। এতে এই সড়কে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তারপর থেকে পর্যটকরা সাজেকে আটকা পড়েন।
সাজেক পর্যটনকেন্দ্রের গাড়ির লাইন ম্যান মো. ইয়াছিন আরাফাত বলেন, আটকে পড়া পর্যটকরা আজ (শুক্রবার) দুপুরে সাজেক থেকে খাগড়াছড়ির উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন।
সাজেক রিসোর্ট-কটেজ মালিক সমিতির সভাপতি সুপর্ণ দেব বর্মণ বলেন, আটকে পড়া পর্যটকরা আজ (শুক্রবার) নিরাপদে ফিরে গেছেন। রিসোর্ট-কটেজে আটকে পড়া পর্যটকরা যতদিন ছিলেন, কোনো কক্ষের ভাড়া নেওয়া হয়নি। শুধু পানির বিল নেওয়া হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে আটকে পড়লে পর্যটকদের এ সুযোগ দেওয়া হয়।

খাগড়াছড়িতে ঢলের পানিতে ডুবে যাওয়া বাঘাইহাট-সাজেক সড়কের পানি সরে যাওয়ায় সাজেক পর্যটনকেন্দ্রে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। এতে সাজেকে আটকা পড়া দুই শতাধিক পর্যটক নিরাপদে ফিরে গেছেন। শুক্রবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে পর্যটকদের বহনকারী গাড়িগুলো সাজেক থেকে খাগড়াছড়ির উদ্দেশে ছেড়ে গেছে বলে জানা গেছে।
এর আগে, বৃহস্পতিবার বৃষ্টি থেমে যাওয়ায় কাচালং নদীর পাহাড়ি ঢলও কমে যায়। ফলে বাঘাইহাট-সাজেক সড়কের তলিয়ে যাওয়া তিন স্থানের পানি কমে গিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। এরপর গত তিন দিনে আটকে পড়া ২৬০ জন পর্যটক খাগড়াছড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন।
শুক্রবার দুপুরে পর্যটকদের বহনকারী জিপ, মাহিন্দ্রা, মোটরসাইকেল সাজেকের রুইলুই পর্যটনকেন্দ্রের প্রবেশমুখে লাইন ধরে দাঁড়ায়। পরে দুপুরে ১৩টি জিপ ও ৬০টি মাহিন্দ্রা-মোটরসাইকেলে ওই পর্যটকরা খাগড়াছড়ির উদ্দেশে রওনা দেন।
গত মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে বাঘাইহাট থেকে সাজেকে এসব পর্যটক বেড়াতে যান। ওই দিন দুপুর ১২টার দিকে ভারী বৃষ্টি হলে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কাচালং নদী উপচে বাঘাইহাট-সাজেক সড়কের বাঘাইহাট এলাকায় দুটি স্থান এবং মাচালং বাজার এলাকা ডুবে যায়। এতে এই সড়কে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তারপর থেকে পর্যটকরা সাজেকে আটকা পড়েন।
সাজেক পর্যটনকেন্দ্রের গাড়ির লাইন ম্যান মো. ইয়াছিন আরাফাত বলেন, আটকে পড়া পর্যটকরা আজ (শুক্রবার) দুপুরে সাজেক থেকে খাগড়াছড়ির উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন।
সাজেক রিসোর্ট-কটেজ মালিক সমিতির সভাপতি সুপর্ণ দেব বর্মণ বলেন, আটকে পড়া পর্যটকরা আজ (শুক্রবার) নিরাপদে ফিরে গেছেন। রিসোর্ট-কটেজে আটকে পড়া পর্যটকরা যতদিন ছিলেন, কোনো কক্ষের ভাড়া নেওয়া হয়নি। শুধু পানির বিল নেওয়া হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে আটকে পড়লে পর্যটকদের এ সুযোগ দেওয়া হয়।

তিনি বলেছেন, ‘সন্ত্রাসীদের তালিকা হালনাগাদ সব সময় হচ্ছে। শীর্ষ সন্ত্রাসী তেমন নেই। যারা আছে, তারা শীর্ষ সন্ত্রাসীর সহযোগী বা তাদের নাম ভাঙিয়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।’
৯ ঘণ্টা আগে
ঈশ্বরদী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জামাল উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ব্যায়াম করতে গিয়ে তিনি হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করেন। এ সময় তার সহকর্মীরা তাকে গ্রীনসিটি আবাসিক এলাকার মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যান।
১২ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দুর্গাপুর থেকে ছেড়ে আসা ময়মনসিংহগামী একটি বাসের সঙ্গে শ্যামগঞ্জ থেকে দুর্গাপুরগামী একটি সিএনজির বমুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই সিএনজির যাত্রী আইনুল হক নিহত হন।
১২ ঘণ্টা আগে
আহত সাংবাদিক ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত সোয়া ১০টার দিকে বাতেন খাঁ মোড়ে চা পান করছিলেন দুই সাংবাদিক। এ সময় পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী রাব্বির নেতৃত্বে ৬ থেকে ৭ জনের একটি দল তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
১ দিন আগে