
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

পরিবারের ১৩ জন সদস্যের মধ্যে ৯ জনেই দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। তবে কারও কাছে হাত পেতে নয়, গান গেয়ে পাঁচ দশক ধরে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে পরিবারটি। এখন তাদের গান গাইতেই নিষেধ করে দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, ভিক্ষা করে যেন তারা জীবিকা নির্বাহ করেন।
এ ঘটনা ঘটেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরে। সেখানে পৌর মুক্তমঞ্চে ছেলেমেয়েদের নিয়ে গান গেয়ে জীবিকা উপর্জন করেন হেলাল মিয়া (৬৫)।
বুধবার (২৬ নভেম্বর) কিছু লোক তাদের গান গাইতে নিষেধ করে দেওয়ার পর থেকে আর গান গাইতে পারছেন না তারা। তবে কে বা কারা তাকে গান গাইতে নিষেধ করে গেছেন, সে বিষয়ে কিছু বলতে পারেননি তিনি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার রাজঘর গ্রামে বাড়ি হেলাল মিয়ার। তিনি নিজেসহ চার ছেলে ও এক মেয়ে বয়সের দিক থেকে উপার্জনক্ষম হলেও তাদের কেউই চোখে দেখেন না। ১৩ সদস্যের এই পরিবারের বাকি সাতজনের মধ্যেও তিনজন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী।
চোখে না দেখলেও হেলাল মিয়া বা তার পরিবারের সদস্যদের কেউ ভিক্ষাবৃত্তি করেন না। হেলাল মিয়া ছোটবেলায় সদর উপজেলার ভাটপাড়া গ্রামের শিল্পী শাহনূর শাহের কাছে তালিম নেন। কিশোর বয়স থেকেই গান করে বেড়ান তিনি। পরে ছেলেমেয়েদেরও গান শেখান। গান গেয়ে যা আয় হয়, তা দিয়েই সংসার চালান।
হেলাল মিয়া বলেন, অন্যান্য দিনের মতো বুধবারও তারা গান করছিলেন। পরে কয়েকজন গিয়ে তাদের গান গাইতে বাধা দেন। তারা বলেন, যে দলই ক্ষমতায় আসুক, মুক্তমঞ্চে তাদের গান গাইতে দেওয়া হবে না। বাউল শিল্পী আবুল সরকারের প্রসঙ্গ টেনে বলা হয়, তারা যেন ভিক্ষা করে সংসার চালান। কারা বাধা দিয়েছেন, তাদের চিনতে পারেননি বলে জানান তিনি।
হেলাল মিয়া বলেন, ভয়ে এখন গান করছি না। এখন এমন কোনো জায়গাও পাচ্ছি না যে গান গাইব। গান না গাইতে পারলে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়বে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র ও জেলা বিএনপির সভাপতি হাফিজুর রহমান মোল্লা জানিয়েছেন, তিনি পরিবারটিকে সহযোগিতা করেছেন। তাদের আবার গান গাওয়ার জন্য বসতে বলেছি।

পরিবারের ১৩ জন সদস্যের মধ্যে ৯ জনেই দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। তবে কারও কাছে হাত পেতে নয়, গান গেয়ে পাঁচ দশক ধরে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে পরিবারটি। এখন তাদের গান গাইতেই নিষেধ করে দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, ভিক্ষা করে যেন তারা জীবিকা নির্বাহ করেন।
এ ঘটনা ঘটেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরে। সেখানে পৌর মুক্তমঞ্চে ছেলেমেয়েদের নিয়ে গান গেয়ে জীবিকা উপর্জন করেন হেলাল মিয়া (৬৫)।
বুধবার (২৬ নভেম্বর) কিছু লোক তাদের গান গাইতে নিষেধ করে দেওয়ার পর থেকে আর গান গাইতে পারছেন না তারা। তবে কে বা কারা তাকে গান গাইতে নিষেধ করে গেছেন, সে বিষয়ে কিছু বলতে পারেননি তিনি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার রাজঘর গ্রামে বাড়ি হেলাল মিয়ার। তিনি নিজেসহ চার ছেলে ও এক মেয়ে বয়সের দিক থেকে উপার্জনক্ষম হলেও তাদের কেউই চোখে দেখেন না। ১৩ সদস্যের এই পরিবারের বাকি সাতজনের মধ্যেও তিনজন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী।
চোখে না দেখলেও হেলাল মিয়া বা তার পরিবারের সদস্যদের কেউ ভিক্ষাবৃত্তি করেন না। হেলাল মিয়া ছোটবেলায় সদর উপজেলার ভাটপাড়া গ্রামের শিল্পী শাহনূর শাহের কাছে তালিম নেন। কিশোর বয়স থেকেই গান করে বেড়ান তিনি। পরে ছেলেমেয়েদেরও গান শেখান। গান গেয়ে যা আয় হয়, তা দিয়েই সংসার চালান।
হেলাল মিয়া বলেন, অন্যান্য দিনের মতো বুধবারও তারা গান করছিলেন। পরে কয়েকজন গিয়ে তাদের গান গাইতে বাধা দেন। তারা বলেন, যে দলই ক্ষমতায় আসুক, মুক্তমঞ্চে তাদের গান গাইতে দেওয়া হবে না। বাউল শিল্পী আবুল সরকারের প্রসঙ্গ টেনে বলা হয়, তারা যেন ভিক্ষা করে সংসার চালান। কারা বাধা দিয়েছেন, তাদের চিনতে পারেননি বলে জানান তিনি।
হেলাল মিয়া বলেন, ভয়ে এখন গান করছি না। এখন এমন কোনো জায়গাও পাচ্ছি না যে গান গাইব। গান না গাইতে পারলে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়বে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র ও জেলা বিএনপির সভাপতি হাফিজুর রহমান মোল্লা জানিয়েছেন, তিনি পরিবারটিকে সহযোগিতা করেছেন। তাদের আবার গান গাওয়ার জন্য বসতে বলেছি।

মন্ত্রণালয়ের সিটি করপোরেশন-১ শাখা থেকে যুগ্মসচিব মাহবুবা আইরিনের সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’-এর ধারা ২৫ক-এর উপধারা (১) অনুযায়ী পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সুরাইয়া আক্তার জাহান এই সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
৭ ঘণ্টা আগে
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে শেষ মুহূর্তেও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নির্বাচন বানচালের নানা ষড়যন্ত্র করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহসম্পাদক ও রাজশাহী-৩ (পবা–মোহনপুর) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন।
৮ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনের বিএনপি প্রার্থী প্রকৌশলী লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু বলেছেন, ঈশ্বরগঞ্জে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি হবে না। এ উপজেলার চাকরিপ্রত্যাশী তরুণদের চাকরির জন্য ঘুস দিতে হবে না। শিক্ষা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থা ঢেলে সাজানো হবে।
১২ ঘণ্টা আগে