
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

কাস্টমসের সার্ভার হ্যাকিং করে ভুয়া নথিতে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানি করা মদ ও সিগারেট খালাসের চেষ্টা মামলার শেখ সেজান নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট। গত বুধবার ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশের সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ বলছে, গ্রেপ্তার শেখ সেজানের বাড়ি নড়াইলের লোহাগাড়া উপজেলায়। একসময় জন্ম নিবন্ধন সনদ জালিয়াতিতে সম্পৃক্ত ছিলেন তিনি। এখন হ্যাকিং করে কাস্টমসের সার্ভারে প্রবেশের মাধ্যমে বিভিন্ন জালিয়াতিতে জড়িত।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেলে চট্টগ্রাম নগর পুলিশ (সিএমপি) সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে কথা বলেন অতিরিক্ত কমিশনার ফয়সাল আহম্মেদ। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে অবৈধভাবে কাস্টমসের সার্ভারে অনুপ্রবেশের মাধ্যমে মিথ্য ঘোষণায় শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা ১১ হাজার ৬৭৬ লিটার বিদেশি মদ ও সিগারেট খালাসের চেষ্টার ঘটনায় এক মামলায় আসামি শেখ সেজান।
পুলিশ কর্মকর্তা ফয়সাল আহম্মেদ আরও বলেন, ওই বছর ২ ডিসেম্বর চট্টগ্রামের বন্দর থানায় হওয়া মামলাটির তদন্ত করতে গিয়ে শেখ সেজানের সম্পৃক্ততা পায় পুলিশ। সেজান ২০২৩ সালে চট্টগ্রামে জন্ম নিবন্ধন জালিয়াতি মামলায়ও গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। বুধবার বাংলাদেশ থেকে নেপাল যাওয়ার সময় শাহজালাল বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন পুলিশের সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার সেজান একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য বলে জানান অতিরিক্ত কমিশনার ফয়সাল আহম্মেদ। বলেন, এ চক্র চীন থেকে বন্ডের আওতায় শুল্কমুক্ত সুবিধায় ফেব্রিক্স আমদানির মিথ্যা ঘোষণার আড়ালে ১১ হাজার ৬৭৬ লিটার বিদেশি মদ আমদানি করেছিল। অন্তত ১২ কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে আনা মদ একজন কাস্টমস কর্মকর্তার ইউজার আইডি হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে সার্ভারে ঢুকে চালানটি খালাসের চেষ্টা করে তারা। এ ঘটনায় হওয়া মামলায় আগেও সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তাদের এক জনের জবানবন্দিতে সেজানের সম্পৃক্ততার বিষয়টি উঠে আসে।
সিএমপির তথ্য বলেছে, ২০২৩ সালের শুরুতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন ওয়ার্ডে দায়িত্বপ্রাপ্তদের অগোচরে কয়েক হাজার জন্ম নিবন্ধনের ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে তদন্ত করতে গিয়ে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট একটি চক্রের সন্ধান পায়; যারা অবৈধভাবে সার্ভারে প্রবেশ করে জন্ম নিবন্ধন করত। সে ঘটনায় মামলা হওয়ার পর ২০২৩ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট শেখ সেজানকে গ্রেপ্তার করে।
কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের এক কর্মকর্তা বলেন, জন্ম নিবন্ধন জালিয়াতির ঘটনায় বেশকিছুদিন কারাগারে ছিলেন সেজান। এ সময় তার সঙ্গে কাস্টমসের সার্ভার হ্যাকিং চক্রের সখ্য গড়ে ওঠে। জামিনে ছাড়া পেয়ে সে কাস্টমস সার্ভার হ্যাকিংয়ের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে।
এদিকে কাস্টমস সার্ভার হ্যাকিংয়ে সেজানের সম্পৃক্ততা পেয়ে গত বছর নড়াইলে তার বাড়িতে অভিযান চালান হয়েছিল তথ্য দিয়ে মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, যে মোবাইল ব্যবহার করে সেজান কাস্টমস কর্মকর্তার আইডি হ্যাক করেছিল, সেটা জব্দ করা হয়। সে সময় সেজানকে না পেয়ে তার পাসপোর্ট জব্দ করা হয়েছিল।
ওই পাসপোর্ট নম্বর দিয়ে সেজানের বিদেশ যাত্রা আটকাতে ইমিগ্রেশন পুলিশকে সে সময় চিঠি দেওয়া হয়। বেশ কিছু দিন পালিয়ে থাকার পর সেজান নতুনভাবে পাসপোর্ট তৈরি করে সেটি দিয়ে গত বুধবার নেপাল যাওয়ার চেষ্টা করে।

কাস্টমসের সার্ভার হ্যাকিং করে ভুয়া নথিতে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানি করা মদ ও সিগারেট খালাসের চেষ্টা মামলার শেখ সেজান নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট। গত বুধবার ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশের সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ বলছে, গ্রেপ্তার শেখ সেজানের বাড়ি নড়াইলের লোহাগাড়া উপজেলায়। একসময় জন্ম নিবন্ধন সনদ জালিয়াতিতে সম্পৃক্ত ছিলেন তিনি। এখন হ্যাকিং করে কাস্টমসের সার্ভারে প্রবেশের মাধ্যমে বিভিন্ন জালিয়াতিতে জড়িত।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেলে চট্টগ্রাম নগর পুলিশ (সিএমপি) সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে কথা বলেন অতিরিক্ত কমিশনার ফয়সাল আহম্মেদ। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে অবৈধভাবে কাস্টমসের সার্ভারে অনুপ্রবেশের মাধ্যমে মিথ্য ঘোষণায় শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা ১১ হাজার ৬৭৬ লিটার বিদেশি মদ ও সিগারেট খালাসের চেষ্টার ঘটনায় এক মামলায় আসামি শেখ সেজান।
পুলিশ কর্মকর্তা ফয়সাল আহম্মেদ আরও বলেন, ওই বছর ২ ডিসেম্বর চট্টগ্রামের বন্দর থানায় হওয়া মামলাটির তদন্ত করতে গিয়ে শেখ সেজানের সম্পৃক্ততা পায় পুলিশ। সেজান ২০২৩ সালে চট্টগ্রামে জন্ম নিবন্ধন জালিয়াতি মামলায়ও গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। বুধবার বাংলাদেশ থেকে নেপাল যাওয়ার সময় শাহজালাল বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন পুলিশের সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার সেজান একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য বলে জানান অতিরিক্ত কমিশনার ফয়সাল আহম্মেদ। বলেন, এ চক্র চীন থেকে বন্ডের আওতায় শুল্কমুক্ত সুবিধায় ফেব্রিক্স আমদানির মিথ্যা ঘোষণার আড়ালে ১১ হাজার ৬৭৬ লিটার বিদেশি মদ আমদানি করেছিল। অন্তত ১২ কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে আনা মদ একজন কাস্টমস কর্মকর্তার ইউজার আইডি হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে সার্ভারে ঢুকে চালানটি খালাসের চেষ্টা করে তারা। এ ঘটনায় হওয়া মামলায় আগেও সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তাদের এক জনের জবানবন্দিতে সেজানের সম্পৃক্ততার বিষয়টি উঠে আসে।
সিএমপির তথ্য বলেছে, ২০২৩ সালের শুরুতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন ওয়ার্ডে দায়িত্বপ্রাপ্তদের অগোচরে কয়েক হাজার জন্ম নিবন্ধনের ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে তদন্ত করতে গিয়ে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট একটি চক্রের সন্ধান পায়; যারা অবৈধভাবে সার্ভারে প্রবেশ করে জন্ম নিবন্ধন করত। সে ঘটনায় মামলা হওয়ার পর ২০২৩ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট শেখ সেজানকে গ্রেপ্তার করে।
কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের এক কর্মকর্তা বলেন, জন্ম নিবন্ধন জালিয়াতির ঘটনায় বেশকিছুদিন কারাগারে ছিলেন সেজান। এ সময় তার সঙ্গে কাস্টমসের সার্ভার হ্যাকিং চক্রের সখ্য গড়ে ওঠে। জামিনে ছাড়া পেয়ে সে কাস্টমস সার্ভার হ্যাকিংয়ের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে।
এদিকে কাস্টমস সার্ভার হ্যাকিংয়ে সেজানের সম্পৃক্ততা পেয়ে গত বছর নড়াইলে তার বাড়িতে অভিযান চালান হয়েছিল তথ্য দিয়ে মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, যে মোবাইল ব্যবহার করে সেজান কাস্টমস কর্মকর্তার আইডি হ্যাক করেছিল, সেটা জব্দ করা হয়। সে সময় সেজানকে না পেয়ে তার পাসপোর্ট জব্দ করা হয়েছিল।
ওই পাসপোর্ট নম্বর দিয়ে সেজানের বিদেশ যাত্রা আটকাতে ইমিগ্রেশন পুলিশকে সে সময় চিঠি দেওয়া হয়। বেশ কিছু দিন পালিয়ে থাকার পর সেজান নতুনভাবে পাসপোর্ট তৈরি করে সেটি দিয়ে গত বুধবার নেপাল যাওয়ার চেষ্টা করে।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) দিবাগত রাতে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার বড়জোড়া গ্রামের ধ্বংসের মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে চক্রের ফেলে যাওয়া একটি মোটরসাইকেল ও খুঁটি অপসারণের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়।
২১ ঘণ্টা আগে
এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, “এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করছি এবং সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করছি।”
১ দিন আগে
শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে বেড়া মডেল থানার পাশের কাগমাইরপাড়া স্টেডিয়াম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
১ দিন আগে
শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে চুরির অভিযোগ তুলে ১৮ বছর বয়সী এক তরুণীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর, গলায় জুতার মালা পরানো ও মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে তাকে আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়। এ সময় তার ১২ বছর বয়সী ছোট বোনকেও একটি খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়।
১ দিন আগে