
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নোয়াখালী-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও মার্কেন্টাইল ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোরশেদ আলমের মালিকানাধীন ‘মোরশেদ আলম কমপ্লেক্স’র নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। পুলিশের গুলিতে নিহত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) কোটা বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আবু সাঈদের নামে কমপ্লেক্সের নামকরণ করা হয়েছে। কমপ্লেক্সেটির নতুন নাম রাখা হয়েছে ‘শহীদ আবু সাইদ কমপ্লেক্স’। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নতুন নামটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
বুধবার (৭ আগস্ট) বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী মোরশেদ আলম কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা গেছে, গত কয়েকদিনের আন্দোলন ঘিরে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সংঘর্ষে মার্কেটটি হামলার শিকার হয়। ভবনটির সামনের অংশের গ্লাস ও বিভিন্ন অবকাঠামোতে ভাঙচুর করা হয়। আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতার একাংশ আজকে মোরশেদ আলম কমপ্লেক্সের সাইনবোর্ড খুলে সেখানে শহীদ আবু সাইদ কমপ্লেক্স লিখিত সাইনবোর্ড টানিয়ে দেয়।
জানা যায়, গত ১৬ জুলাই দুপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান কোটাবিরোধী আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে শহরের লালবাগ এলাকায় থেকে ক্যাম্পাসের দিকে যান। এরপর ক্যাম্পাসে প্রবেশের চেষ্টা করলে পুলিশ ও ছাত্রলীগ তাদের বাধা দেয়। একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়। তখন পুলিশ শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে রাবার বুলেট, টিয়ারশেলসহ কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। পুলিশ ও ছাত্রলীগের সঙ্গে সংঘর্ষে মিছিলের সম্মুখ থেকে বুক পেতে দেওয়া আবু সাঈদ পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
স্থানীয় ব্যবসায়ী মুনীম ফয়সাল বলেন, সংসদ সদস্য মোরশেদ আলম মালিক হলেও অনেকে দোকান আছে এই কমপ্লেক্সে। তাই বলা যায় উনি একা মালিক নন। মালিকানা যেই হোক আবু সাঈদের নাম থাকলে আমরা খুশি হব। তার ত্যাগের কথা স্মরণ থাকবে।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নোয়াখালীর সমন্বয়ক মো. ফরহাদুল ইসলাম বলেন, মোরশেদ আলম কমপ্লেক্সের নাম পরিবর্তন করে শহীদ আবু সাইদ কমপ্লেক্স নামকরণ করেছে স্থানীয় ছাত্র-জনতা। এমন ছবি দিয়ে নামকরণ করার দাবি জানিয়ে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দেন।

নোয়াখালী-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও মার্কেন্টাইল ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোরশেদ আলমের মালিকানাধীন ‘মোরশেদ আলম কমপ্লেক্স’র নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। পুলিশের গুলিতে নিহত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) কোটা বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আবু সাঈদের নামে কমপ্লেক্সের নামকরণ করা হয়েছে। কমপ্লেক্সেটির নতুন নাম রাখা হয়েছে ‘শহীদ আবু সাইদ কমপ্লেক্স’। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নতুন নামটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
বুধবার (৭ আগস্ট) বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী মোরশেদ আলম কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা গেছে, গত কয়েকদিনের আন্দোলন ঘিরে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সংঘর্ষে মার্কেটটি হামলার শিকার হয়। ভবনটির সামনের অংশের গ্লাস ও বিভিন্ন অবকাঠামোতে ভাঙচুর করা হয়। আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতার একাংশ আজকে মোরশেদ আলম কমপ্লেক্সের সাইনবোর্ড খুলে সেখানে শহীদ আবু সাইদ কমপ্লেক্স লিখিত সাইনবোর্ড টানিয়ে দেয়।
জানা যায়, গত ১৬ জুলাই দুপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান কোটাবিরোধী আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে শহরের লালবাগ এলাকায় থেকে ক্যাম্পাসের দিকে যান। এরপর ক্যাম্পাসে প্রবেশের চেষ্টা করলে পুলিশ ও ছাত্রলীগ তাদের বাধা দেয়। একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়। তখন পুলিশ শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে রাবার বুলেট, টিয়ারশেলসহ কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। পুলিশ ও ছাত্রলীগের সঙ্গে সংঘর্ষে মিছিলের সম্মুখ থেকে বুক পেতে দেওয়া আবু সাঈদ পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
স্থানীয় ব্যবসায়ী মুনীম ফয়সাল বলেন, সংসদ সদস্য মোরশেদ আলম মালিক হলেও অনেকে দোকান আছে এই কমপ্লেক্সে। তাই বলা যায় উনি একা মালিক নন। মালিকানা যেই হোক আবু সাঈদের নাম থাকলে আমরা খুশি হব। তার ত্যাগের কথা স্মরণ থাকবে।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নোয়াখালীর সমন্বয়ক মো. ফরহাদুল ইসলাম বলেন, মোরশেদ আলম কমপ্লেক্সের নাম পরিবর্তন করে শহীদ আবু সাইদ কমপ্লেক্স নামকরণ করেছে স্থানীয় ছাত্র-জনতা। এমন ছবি দিয়ে নামকরণ করার দাবি জানিয়ে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াত-এনসিপি নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের নেত্রকোনা-২ (সদর–বারহাট্টা) আসনের প্রার্থী ও এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মো. ফাহিম রহমান খান পাঠান তার কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
২০ ঘণ্টা আগে
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত দুইটা থেকে তিনটার মধ্যে দুর্বৃত্তরা এসব অগ্নিসংযোগ ঘটায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নেত্রকোনা জেলা পুলিশের মিডিয়া শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) হাফিজুল ইসলাম।
২১ ঘণ্টা আগে
চা-বাগান, হাওর, টিলা ও পাহাড়ঘেরা বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলা নিয়ে গঠিত মৌলভীবাজার-১ সংসদীয় আসন দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারে মরিয়া বিএনপি, সংগঠিত শক্তি নিয়ে এগোচ্ছে জামায়াতে ইসলামী, স্বতন্ত্র প্রার্থীও রয়েছেন আলোচনায়।
১ দিন আগে
ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনের বিএনপি প্রার্থী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, তিনি কোনো দলের বিরুদ্ধে প্রতিশোধের রাজনীতিতে বিশ্বাসী নন। নির্বাচিত হলে ভিন্ন দলের কারও বিরুদ্ধে গায়েবি মামলা হবে না। সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে নান্দাইলকে পরিপূর্ণভাবে গড়ে তুলব।
১ দিন আগে