
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

কুমিল্লা-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে বাহার উদ্দিন রায়হান নামের এক সাংবাদিক ৷ তিনি সময় টেলিভিশনের সাংবাদিক। মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) কুমিল্লার চিফ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১নং আমলি আদালতে মামলাটি দায়ের করেন তিনি। পরে মামলাটি গ্রহণ করে বিচারক মো. আব্বাস উদ্দিন।
মামলার আসামিরা হলেন- কুমিল্লা ৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হাজী আ ক ম বাহা উদ্দিন বাহর, স্বেচ্ছাসেবক লীগের কুমিল্লা মহানগর শাখার সভাপতি জহিরুল ইসলাম রিন্টু, সংসদ সদস্য বাহারের দেহরক্ষী দুলালসহ ১৫০ জন।
মামলার আইনজীবী কাইমুল হক রিংকু ও বাদী বাহার উদ্দিন রায়হান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ২০১৫ সালে ১৫ জানুয়ারি ২০ দলীয় জোটের হরতাল কর্মসূচিতে হামলা করে আ.লীগ নেতাকর্মীরা। এসময় হামলায় উপস্থিত থেকে নেতৃত্ব দেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহারসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী। তারা বিএনপি ও ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
তারা জানান, হামলার ঘটনায় পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন সময় টিভির কুমিল্লা প্রতিনিধি বাহার উদ্দিন রায়হান। ভিডিও ধারণ করা ও ছবি তোলা অবস্থায় তাকে দেখে হামলা করে সাবেক এমপি বাহার ও আ.লীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় বেদম মারধরে তিনি গুরুতর আহত হন। সেসময় তার ক্যামেরা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। তিনি আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেলে সেখানেও বাধা দেন আ.লীগ নেতাকর্মীরা। এ ছাড়াও বিভিন্ন সময় তাকে হামলা ও সংবাদ প্রকাশের জেরে ফোনে হুমকি দেন বাহা উদ্দিন বাহার ও তার নেতাকর্মীরা। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করেন সাংবাদিক বাহার। বিচারক মো. আব্বাস উদ্দিন মামলাটি আমলে নিয়ে সিআইডিকে তদন্তের দায়িত্ব দেন।
সাংবাদিক বাহার রায়হান আরও জানান, এমপি বাহার কুমিল্লার সাংবাদিকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে, নির্যাতন ও নিপীড়নের মাধ্যমে কণ্ঠরোধ করেছেন। পেশাদার সাংবাদিকরা তার কাছে জিম্মি ছিল।

কুমিল্লা-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে বাহার উদ্দিন রায়হান নামের এক সাংবাদিক ৷ তিনি সময় টেলিভিশনের সাংবাদিক। মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) কুমিল্লার চিফ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১নং আমলি আদালতে মামলাটি দায়ের করেন তিনি। পরে মামলাটি গ্রহণ করে বিচারক মো. আব্বাস উদ্দিন।
মামলার আসামিরা হলেন- কুমিল্লা ৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হাজী আ ক ম বাহা উদ্দিন বাহর, স্বেচ্ছাসেবক লীগের কুমিল্লা মহানগর শাখার সভাপতি জহিরুল ইসলাম রিন্টু, সংসদ সদস্য বাহারের দেহরক্ষী দুলালসহ ১৫০ জন।
মামলার আইনজীবী কাইমুল হক রিংকু ও বাদী বাহার উদ্দিন রায়হান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ২০১৫ সালে ১৫ জানুয়ারি ২০ দলীয় জোটের হরতাল কর্মসূচিতে হামলা করে আ.লীগ নেতাকর্মীরা। এসময় হামলায় উপস্থিত থেকে নেতৃত্ব দেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহারসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী। তারা বিএনপি ও ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
তারা জানান, হামলার ঘটনায় পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন সময় টিভির কুমিল্লা প্রতিনিধি বাহার উদ্দিন রায়হান। ভিডিও ধারণ করা ও ছবি তোলা অবস্থায় তাকে দেখে হামলা করে সাবেক এমপি বাহার ও আ.লীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় বেদম মারধরে তিনি গুরুতর আহত হন। সেসময় তার ক্যামেরা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। তিনি আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেলে সেখানেও বাধা দেন আ.লীগ নেতাকর্মীরা। এ ছাড়াও বিভিন্ন সময় তাকে হামলা ও সংবাদ প্রকাশের জেরে ফোনে হুমকি দেন বাহা উদ্দিন বাহার ও তার নেতাকর্মীরা। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করেন সাংবাদিক বাহার। বিচারক মো. আব্বাস উদ্দিন মামলাটি আমলে নিয়ে সিআইডিকে তদন্তের দায়িত্ব দেন।
সাংবাদিক বাহার রায়হান আরও জানান, এমপি বাহার কুমিল্লার সাংবাদিকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে, নির্যাতন ও নিপীড়নের মাধ্যমে কণ্ঠরোধ করেছেন। পেশাদার সাংবাদিকরা তার কাছে জিম্মি ছিল।

তিনি বলেছেন, ‘সন্ত্রাসীদের তালিকা হালনাগাদ সব সময় হচ্ছে। শীর্ষ সন্ত্রাসী তেমন নেই। যারা আছে, তারা শীর্ষ সন্ত্রাসীর সহযোগী বা তাদের নাম ভাঙিয়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।’
১১ ঘণ্টা আগে
ঈশ্বরদী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জামাল উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ব্যায়াম করতে গিয়ে তিনি হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করেন। এ সময় তার সহকর্মীরা তাকে গ্রীনসিটি আবাসিক এলাকার মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যান।
১৫ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দুর্গাপুর থেকে ছেড়ে আসা ময়মনসিংহগামী একটি বাসের সঙ্গে শ্যামগঞ্জ থেকে দুর্গাপুরগামী একটি সিএনজির বমুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই সিএনজির যাত্রী আইনুল হক নিহত হন।
১৫ ঘণ্টা আগে
আহত সাংবাদিক ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত সোয়া ১০টার দিকে বাতেন খাঁ মোড়ে চা পান করছিলেন দুই সাংবাদিক। এ সময় পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী রাব্বির নেতৃত্বে ৬ থেকে ৭ জনের একটি দল তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
১ দিন আগে