
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

বেসরকারি সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) ফেলো ও এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফরমের আহ্বায়ক ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেছেন, আগেও কোন সরকার কথা রাখেননি। নির্বাচনের ইশতিহারে ঘোষণা দিয়েও বাস্তবায়ন করেনি। আগের সরকার ইশতিহারে বলেছিল পরিবারের সবার সম্পদ ঘোষণা করা হবে। কিন্তু করেন নি। এছাড়া বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারও ঘোষণা দিয়েছিল সম্পদের বিবরণী দিবে উপদেষ্টারাও কিন্তু বাস্তবে দেয়নি।
বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে চট্টগ্রামের একটি হোটেলে নাগরিক প্ল্যাটফরমের প্রাক-নির্বাচনি উদ্যেগ শীর্ষক আঞ্চলিক পরামর্শ সভা এসব কথা বলেছেন তিনি।
সভায় বিভিন্ন শ্রেণি পেশার প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। এতে ডিজিটাল প্ল্যাটফরমে বিভিন্ন প্রশ্নের ভোটিং জরিপ অনুষ্ঠিত হয়।
ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, এর আগে আমরা দেখেছি, সর্বোচ্চ পর্যায়ে থেকে রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রতিশ্রুতি দিয়ে কাজ করে না। আমরা এই নীতি থেকে এখনও বের হয়ে আসতে পারিনি। আমরা এখন প্রতিশ্রুতি নয় বাস্তবায়ন চাই। সৎ চিন্তা করে কাজ করতে হবে। দেশের মানুষকে দায়িত্ব নিতে হবে। সব দায়িত্ব সরকারের নয়, নাগরিকদের দায়িত্ব রয়েছে।
আগামীতে অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক উন্নয়ন, রাষ্ট্রীয় উন্নয়ন, রাজনৈতিক উন্নয়ন সব কিছুর চাবিকাঠি হলো নাগরিকরা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করা। রাজনীতিবিদরা তাদের মতো কাজ করবে, আমলারা তাদের মতো কাজ করবেন, ব্যবসায়ীরা তাদের মতো কাজ করবেন। কিন্তু নাগারিকরা সৎ চিন্তা করে কাজ করতে হবে। নাগরিকরা দায়িত্ব নিতে হবে, কথা বলতে হবে, জবাবদিহিতা দাবি করতে হবে।
বিচার, সংস্কার, নির্বাচন তিনটিই গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিচার সংস্কার নির্বাচন এ তিনটি বিষয়ের উপর আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।
জবাবদিহিতা থাকলে দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব। জবাবদিহিতা থাকলে দক্ষ প্রশাসনের কথা আগে আসে। ন্যায় বিচারের কথা সামনে আসে। সুশাসনের কথা এগিয়ে আসে।
অনুষ্ঠানে ইস্ট ডেলটা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর সেকান্দর খান বলেছেন, সব দোষ রাজনৈতিক নেতাদের উপর দিলে চলবে না। সরকারি কর্মকর্তা কার্মচারীদের উপর দিলে চলবে না। সবচেয়ে বড় দায়িত্ব রয়েছে আমাদের নিজের উপর। আমরা নাগরিকরা যদি সঠিকভাবে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারি তাহলে দেশ থেকে নানা অনিয়ন দুর্নীতি বন্ধ হয়ে যাবে।
সভায় নির্বাচন পরবর্তী সরকারের কাছে আপনার প্রত্যাশা কি? এ বিষয়ে উপর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভোটাররা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা কথা উল্লেখ করেছেন। রাজনৈতিক স্থিরতা, দুর্নীতিমুক্ত দেশ, স্বাধীন বিচার বিভাগ, বাক্স্বাধীনতা, সংখ্যালঘু নিরাপত্তা, নাগরিক অধিকার, বৈষম্য দুর করা, সুশাসন, ন্যায় বিচার, স্বাধীন বিচার বিভাগ, আইনের শাসন, নাগরিক নিরাপত্তা, কর্মসংস্থানের কথা, ন্যায় বিচার, নৈতিক শিক্ষা সংস্কার সমতার কথা বলা হয়েছে।
এসব বিষয়ের উপর বক্তারা আলোচনা করেন। বক্তব্য রাখেন সেভেন সিস শিপিংয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আলী আকবর, ডা. নাজিম উদ্দিন, সাইফুদ্দিন খালেদ চৌধুরী, সেলিম জাহাঙ্গীরসহ আরও অনেকেই।

বেসরকারি সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) ফেলো ও এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফরমের আহ্বায়ক ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেছেন, আগেও কোন সরকার কথা রাখেননি। নির্বাচনের ইশতিহারে ঘোষণা দিয়েও বাস্তবায়ন করেনি। আগের সরকার ইশতিহারে বলেছিল পরিবারের সবার সম্পদ ঘোষণা করা হবে। কিন্তু করেন নি। এছাড়া বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারও ঘোষণা দিয়েছিল সম্পদের বিবরণী দিবে উপদেষ্টারাও কিন্তু বাস্তবে দেয়নি।
বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে চট্টগ্রামের একটি হোটেলে নাগরিক প্ল্যাটফরমের প্রাক-নির্বাচনি উদ্যেগ শীর্ষক আঞ্চলিক পরামর্শ সভা এসব কথা বলেছেন তিনি।
সভায় বিভিন্ন শ্রেণি পেশার প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। এতে ডিজিটাল প্ল্যাটফরমে বিভিন্ন প্রশ্নের ভোটিং জরিপ অনুষ্ঠিত হয়।
ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, এর আগে আমরা দেখেছি, সর্বোচ্চ পর্যায়ে থেকে রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রতিশ্রুতি দিয়ে কাজ করে না। আমরা এই নীতি থেকে এখনও বের হয়ে আসতে পারিনি। আমরা এখন প্রতিশ্রুতি নয় বাস্তবায়ন চাই। সৎ চিন্তা করে কাজ করতে হবে। দেশের মানুষকে দায়িত্ব নিতে হবে। সব দায়িত্ব সরকারের নয়, নাগরিকদের দায়িত্ব রয়েছে।
আগামীতে অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক উন্নয়ন, রাষ্ট্রীয় উন্নয়ন, রাজনৈতিক উন্নয়ন সব কিছুর চাবিকাঠি হলো নাগরিকরা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করা। রাজনীতিবিদরা তাদের মতো কাজ করবে, আমলারা তাদের মতো কাজ করবেন, ব্যবসায়ীরা তাদের মতো কাজ করবেন। কিন্তু নাগারিকরা সৎ চিন্তা করে কাজ করতে হবে। নাগরিকরা দায়িত্ব নিতে হবে, কথা বলতে হবে, জবাবদিহিতা দাবি করতে হবে।
বিচার, সংস্কার, নির্বাচন তিনটিই গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিচার সংস্কার নির্বাচন এ তিনটি বিষয়ের উপর আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।
জবাবদিহিতা থাকলে দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব। জবাবদিহিতা থাকলে দক্ষ প্রশাসনের কথা আগে আসে। ন্যায় বিচারের কথা সামনে আসে। সুশাসনের কথা এগিয়ে আসে।
অনুষ্ঠানে ইস্ট ডেলটা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর সেকান্দর খান বলেছেন, সব দোষ রাজনৈতিক নেতাদের উপর দিলে চলবে না। সরকারি কর্মকর্তা কার্মচারীদের উপর দিলে চলবে না। সবচেয়ে বড় দায়িত্ব রয়েছে আমাদের নিজের উপর। আমরা নাগরিকরা যদি সঠিকভাবে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারি তাহলে দেশ থেকে নানা অনিয়ন দুর্নীতি বন্ধ হয়ে যাবে।
সভায় নির্বাচন পরবর্তী সরকারের কাছে আপনার প্রত্যাশা কি? এ বিষয়ে উপর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভোটাররা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা কথা উল্লেখ করেছেন। রাজনৈতিক স্থিরতা, দুর্নীতিমুক্ত দেশ, স্বাধীন বিচার বিভাগ, বাক্স্বাধীনতা, সংখ্যালঘু নিরাপত্তা, নাগরিক অধিকার, বৈষম্য দুর করা, সুশাসন, ন্যায় বিচার, স্বাধীন বিচার বিভাগ, আইনের শাসন, নাগরিক নিরাপত্তা, কর্মসংস্থানের কথা, ন্যায় বিচার, নৈতিক শিক্ষা সংস্কার সমতার কথা বলা হয়েছে।
এসব বিষয়ের উপর বক্তারা আলোচনা করেন। বক্তব্য রাখেন সেভেন সিস শিপিংয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আলী আকবর, ডা. নাজিম উদ্দিন, সাইফুদ্দিন খালেদ চৌধুরী, সেলিম জাহাঙ্গীরসহ আরও অনেকেই।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগর আংশিক) আসনে হাঁস প্রতীক নিয়ে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোটের প্রার্থী মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবের চেয়ে ৩৭ হাজার ৫৬৮ ভোট বেশি পেয়েছেন তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে
শাহাদাত হোসেন সেলিম বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (বিএলডিপি) চেয়ারম্যান ছিলেন। এই দলটি বিএনপির শরিক দল হিসেবে দীর্ঘ দিন ধরে রাজনীতি করেছে। এবারের নির্বাচনে দল বিলুপ্ত করে নেতাকর্মীদের নিয়ে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন।
৪ ঘণ্টা আগে
ফলাফলে দেখা যায়, ১১০টি কেন্দ্রের সবগুলোর ফলে এহছানুল হক মিলন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন এক লাখ ৩৩ হাজার ১৬২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী মুহাদ্দিস আবু নছর আশরাফী পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৭৭ ভোট। সে হিসাবে মিলন তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ৬৬ হাজারেরও বেশি ভোট পেয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনা-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আল হেলালের চেয়ে তিনি ১ লাখ ২০ হাজার ৯৬১ ভোট বেশি পেয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে