
বান্দরবান প্রতিনিধি

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের দুর্নীতিবাজ চেয়ারম্যান ও সদস্যদের অপসারণের দাবিতে গত ৩ দিন ধরে চলতে থাকা অবস্থান ধর্মঘটের অবসান ঘটেছে। ফলে কার্যালয়টিতে ফিরেছে কর্ম চঞ্চলতা।
বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় বান্দরবান জেলা প্রশাসক শাহ মোজাহিদ উদ্দিনের হস্তক্ষেপে এ অবস্থান ধর্মঘটের অবসান হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১২ আগস্ট সোমবার থেকে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের দ্রুত পরিবর্তনের দাবিতে সচেতন নাগরিক সমাজের ব্যানারে অবস্থান ধর্মঘট পালন করে বৈষম্য বিরোধী জনতা। এনিয়ে গত তিন দিন ধরে কর্মকর্তা-কর্মচারিরা অফিসের স্বাভাবিক কার্যক্রম সম্পন্ন করতে না পারায় স্থবির অবস্থা বিরাজ করছিল জেলার অন্যতম প্রধান এই কার্যালয়টিতে। এর আগে এই কার্যালয়টিতে দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে দুর্নীতিবাজ চেয়ারম্যান ক্যা শৈ হ্লাসহ সদস্যরা বৈষম্যমূলক নিয়োগ, অস্তিত্ববিহীন ভুয়া প্রকল্প বানিয়ে সরকারি টাকা আত্মসাতসহ বিভিন্ন দুর্নীতিতে লিপ্ত আছেন। এ সমস্ত অপকর্ম ও দুর্নীতি বৈধ করতে গত তিন দিন ধরে চেয়ারম্যান ক্যা শৈ হ্লা অফিসে না এসেও আত্ম-গোপন থাকা অবস্থায় সরকারি ফাইলে স্বাক্ষর করে যাচ্ছিলেন। এরুপ ফাইলে স্বাক্ষর করা বন্ধ ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের দুর্নীতিগ্রস্ত চেয়ারম্যান ও সদস্যদের দ্রুত পরিবর্তন করে নতুন চেয়ারম্যান-সদস্য নিয়োগের দাবিতে গত ১২ আগস্ট সকাল ৮টা থেকে অবস্থান ধর্মঘট করছিলেন বান্দরবানের সচেতন নাগরিক সমাজ।
এ বিষয়ে বান্দরবান সচেতন নাগরিকের পক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মো. মজিবর রহমান বলেন, জেলা প্রশাসক বাংলাদেশ সরকারের একজন প্রতিনিধি। তার কথায় আশ্বস্ত হয়ে অবস্থান ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক শাহ মোজাহিদ উদ্দিন বলেন, অবস্থান ধর্মঘটের বিষয়ে পর্যবেক্ষণ করে সময়মতো রিপোর্ট পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ও সচিবকে অবহিত করার পর এই বিষয়ে দ্রুত সমাধানের আশ্বাস পাওয়া গেছে। বান্দরবান পার্বত্য জেলাপরিষদে অতিদ্রুত পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত আসবে বলে জানান তিনি।

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের দুর্নীতিবাজ চেয়ারম্যান ও সদস্যদের অপসারণের দাবিতে গত ৩ দিন ধরে চলতে থাকা অবস্থান ধর্মঘটের অবসান ঘটেছে। ফলে কার্যালয়টিতে ফিরেছে কর্ম চঞ্চলতা।
বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় বান্দরবান জেলা প্রশাসক শাহ মোজাহিদ উদ্দিনের হস্তক্ষেপে এ অবস্থান ধর্মঘটের অবসান হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১২ আগস্ট সোমবার থেকে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের দ্রুত পরিবর্তনের দাবিতে সচেতন নাগরিক সমাজের ব্যানারে অবস্থান ধর্মঘট পালন করে বৈষম্য বিরোধী জনতা। এনিয়ে গত তিন দিন ধরে কর্মকর্তা-কর্মচারিরা অফিসের স্বাভাবিক কার্যক্রম সম্পন্ন করতে না পারায় স্থবির অবস্থা বিরাজ করছিল জেলার অন্যতম প্রধান এই কার্যালয়টিতে। এর আগে এই কার্যালয়টিতে দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে দুর্নীতিবাজ চেয়ারম্যান ক্যা শৈ হ্লাসহ সদস্যরা বৈষম্যমূলক নিয়োগ, অস্তিত্ববিহীন ভুয়া প্রকল্প বানিয়ে সরকারি টাকা আত্মসাতসহ বিভিন্ন দুর্নীতিতে লিপ্ত আছেন। এ সমস্ত অপকর্ম ও দুর্নীতি বৈধ করতে গত তিন দিন ধরে চেয়ারম্যান ক্যা শৈ হ্লা অফিসে না এসেও আত্ম-গোপন থাকা অবস্থায় সরকারি ফাইলে স্বাক্ষর করে যাচ্ছিলেন। এরুপ ফাইলে স্বাক্ষর করা বন্ধ ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের দুর্নীতিগ্রস্ত চেয়ারম্যান ও সদস্যদের দ্রুত পরিবর্তন করে নতুন চেয়ারম্যান-সদস্য নিয়োগের দাবিতে গত ১২ আগস্ট সকাল ৮টা থেকে অবস্থান ধর্মঘট করছিলেন বান্দরবানের সচেতন নাগরিক সমাজ।
এ বিষয়ে বান্দরবান সচেতন নাগরিকের পক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মো. মজিবর রহমান বলেন, জেলা প্রশাসক বাংলাদেশ সরকারের একজন প্রতিনিধি। তার কথায় আশ্বস্ত হয়ে অবস্থান ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক শাহ মোজাহিদ উদ্দিন বলেন, অবস্থান ধর্মঘটের বিষয়ে পর্যবেক্ষণ করে সময়মতো রিপোর্ট পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ও সচিবকে অবহিত করার পর এই বিষয়ে দ্রুত সমাধানের আশ্বাস পাওয়া গেছে। বান্দরবান পার্বত্য জেলাপরিষদে অতিদ্রুত পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত আসবে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেছেন, ‘সন্ত্রাসীদের তালিকা হালনাগাদ সব সময় হচ্ছে। শীর্ষ সন্ত্রাসী তেমন নেই। যারা আছে, তারা শীর্ষ সন্ত্রাসীর সহযোগী বা তাদের নাম ভাঙিয়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।’
১৫ ঘণ্টা আগে
ঈশ্বরদী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জামাল উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ব্যায়াম করতে গিয়ে তিনি হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করেন। এ সময় তার সহকর্মীরা তাকে গ্রীনসিটি আবাসিক এলাকার মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যান।
১৮ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দুর্গাপুর থেকে ছেড়ে আসা ময়মনসিংহগামী একটি বাসের সঙ্গে শ্যামগঞ্জ থেকে দুর্গাপুরগামী একটি সিএনজির বমুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই সিএনজির যাত্রী আইনুল হক নিহত হন।
১৮ ঘণ্টা আগে
আহত সাংবাদিক ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত সোয়া ১০টার দিকে বাতেন খাঁ মোড়ে চা পান করছিলেন দুই সাংবাদিক। এ সময় পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী রাব্বির নেতৃত্বে ৬ থেকে ৭ জনের একটি দল তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
১ দিন আগে