
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

খাগড়াছড়িতে স্থানীয় কৃষকদের উৎপাদিত আমসহ বিভিন্ন ফসলের উপর একই সঙ্গে তিনটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অবৈধভাবে চাঁদাবাজি ও অতিরিক্ত টোল আদায় বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে খাগড়াছড়ি ফলদ বাগান মালিক সমবায় সমিতি।
সোমবার (১০জুন) সকাল ১০ টায় শহরের শাপলাচত্বরে মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসক মো.সহিদুজ্জামানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর এ স্মারকলিপি প্রদান করে।
মানববন্ধন থেকে অতিরিক্ত টোল আদায় বন্ধসহ চার দফা আদায় না হলে খাগড়াছড়ি বাজার বয়কট ও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় মানববন্ধন থেকে। এ সময় টোল কেন্দ্র জেলা পরিষদ থেকে শুরু করে প্রশাসনিক কার্যালয় ঘেরাও হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।
বক্তারা আরো অভিযোগ করে বলেন, খাগড়াছড়ি থেকে এক গাড়ি আম অন্য জেলায় পাঠাতে অতিরিক্ত দশ থেকে বারো হাজার টাকা ব্যয় হয়। অতিরিক্ত টোল আদায়ের কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ব্যবসায়ীরা এখানে আসতে অনীহা প্রকাশ করছেন। ফলে আম বাগানিরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।
এতে বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি ফলদ বাগান মালিক সমবায় সমিতির উপদেষ্টা অনিমেষ চাকমা রিংকু, সভাপতি তরুণ আলো দেওয়ান, খাগড়াছড়ি মারমা ফলদ বাগান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাবুশি চৌধুরী, সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট জ্ঞান জ্যোতি চাকমা, খাগড়াছড়ি পার্বত্য ফল উৎপাদন ও বিপণন সমবায় সমতিরি সাধারণ সম্পাদক মো. তসলিম উদ্দিন, দক্ষিণ খাগড়াছড়ি ফলদ বাগান মালিক সমিতির সভাপতি আবু তাহের ও পানছড়ি ফলদ বাগান মালিক সমিতির সভাপতি দেবাশীষ চাকমা।
মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়। এ সময় জেলা প্রশাসন এ বিষয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বসে অতিরিক্ত টোল আদায়ের ব্যাপারে সমাধানের আশ্বাস দেন।

খাগড়াছড়িতে স্থানীয় কৃষকদের উৎপাদিত আমসহ বিভিন্ন ফসলের উপর একই সঙ্গে তিনটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অবৈধভাবে চাঁদাবাজি ও অতিরিক্ত টোল আদায় বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে খাগড়াছড়ি ফলদ বাগান মালিক সমবায় সমিতি।
সোমবার (১০জুন) সকাল ১০ টায় শহরের শাপলাচত্বরে মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসক মো.সহিদুজ্জামানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর এ স্মারকলিপি প্রদান করে।
মানববন্ধন থেকে অতিরিক্ত টোল আদায় বন্ধসহ চার দফা আদায় না হলে খাগড়াছড়ি বাজার বয়কট ও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় মানববন্ধন থেকে। এ সময় টোল কেন্দ্র জেলা পরিষদ থেকে শুরু করে প্রশাসনিক কার্যালয় ঘেরাও হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।
বক্তারা আরো অভিযোগ করে বলেন, খাগড়াছড়ি থেকে এক গাড়ি আম অন্য জেলায় পাঠাতে অতিরিক্ত দশ থেকে বারো হাজার টাকা ব্যয় হয়। অতিরিক্ত টোল আদায়ের কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ব্যবসায়ীরা এখানে আসতে অনীহা প্রকাশ করছেন। ফলে আম বাগানিরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।
এতে বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি ফলদ বাগান মালিক সমবায় সমিতির উপদেষ্টা অনিমেষ চাকমা রিংকু, সভাপতি তরুণ আলো দেওয়ান, খাগড়াছড়ি মারমা ফলদ বাগান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাবুশি চৌধুরী, সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট জ্ঞান জ্যোতি চাকমা, খাগড়াছড়ি পার্বত্য ফল উৎপাদন ও বিপণন সমবায় সমতিরি সাধারণ সম্পাদক মো. তসলিম উদ্দিন, দক্ষিণ খাগড়াছড়ি ফলদ বাগান মালিক সমিতির সভাপতি আবু তাহের ও পানছড়ি ফলদ বাগান মালিক সমিতির সভাপতি দেবাশীষ চাকমা।
মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়। এ সময় জেলা প্রশাসন এ বিষয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বসে অতিরিক্ত টোল আদায়ের ব্যাপারে সমাধানের আশ্বাস দেন।

শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উপজেলার ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন শেরপুর হাইওয়ে থানার ওসি আনিসুর রহমান।
১৩ ঘণ্টা আগে
ভোমরা স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সজীব বালা বলেন, ভারতের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ মরদেহ হস্তান্তর করতে কিছুটা সময় নিয়েছে। তারা দুপুর ১২টার দিকে তাদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করে। এরপর ১৫ মিনিটের মধ্যে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
১৪ ঘণ্টা আগে
সিলেটের বিয়ানীবাজারের সোনাই নদীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ আয়োজনে বাধ সেধেছে ‘তৌহিদী জনতা’ নামে একটি গোষ্ঠী। তারা প্রতিযোগিতা বন্ধের দাবি জানালেও আয়োজকরা ২৮ আগস্ট নৌকাবাইচ আয়োজনের প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছেন। এ অবস্থায় জেলা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া কোনো নৌকাবাইচ হতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১৫ ঘণ্টা আগে
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস হোসেন শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বলেন, কলকাতা থেকে রওনা দেওয়ার পর দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যে মরদেহ ৫টি বেনাপোলে পৌঁছাতে পারে। তবে ঠিক কখন মরদেহগুলো সীমান্তে পৌঁছাবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
১৬ ঘণ্টা আগে