
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং ১ নাম্বার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট কাজ করছে। মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরের দিকে এই অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়া যায়।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, কুতুপালং ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এই মুহূর্তে ফায়ার সার্ভিসে আগুন নেভাতে কাজ করছে। কিন্তু বাতাসের কারণে চারদিকে আগুন ছড়িয়ে পড়ছে। তবে কিভাবে আগুন ধরেছে, সেটি এখনো জানা যায়নি। আমাদের পুলিশের টিম ঘটনাস্থলে গেছে।
কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এনজিও কর্মী কামাল বলেন, আমরা অফিসে কাজ করছিলাম। হঠাৎ দেখি মানুষের চিৎকার। পরে দেখি আগুন। পলিথিনের ঘর হাওয়ায় আগুন দ্রুত চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। রোহিঙ্গারা আতঙ্কে এদিক ওদিক ছোটাছুটি করছে।

কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং ১ নাম্বার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট কাজ করছে। মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরের দিকে এই অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়া যায়।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, কুতুপালং ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এই মুহূর্তে ফায়ার সার্ভিসে আগুন নেভাতে কাজ করছে। কিন্তু বাতাসের কারণে চারদিকে আগুন ছড়িয়ে পড়ছে। তবে কিভাবে আগুন ধরেছে, সেটি এখনো জানা যায়নি। আমাদের পুলিশের টিম ঘটনাস্থলে গেছে।
কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এনজিও কর্মী কামাল বলেন, আমরা অফিসে কাজ করছিলাম। হঠাৎ দেখি মানুষের চিৎকার। পরে দেখি আগুন। পলিথিনের ঘর হাওয়ায় আগুন দ্রুত চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। রোহিঙ্গারা আতঙ্কে এদিক ওদিক ছোটাছুটি করছে।

চুয়াডাঙ্গায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে কলা, পেঁপে ও ধানসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কৃষকদের দাবি, প্রায় ৫০ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়ে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ কোটি টাকা। এই বিপর্যয় থেকে ঘুরে দাঁড়াতে তারা সরকারি সহায়তা চেয়েছেন।
২১ ঘণ্টা আগে
রংপুরের একটি বেসরকারি ক্লিনিক থেকে চিকিৎসা শেষে মাইক্রোবাসযোগে বাড়ি ফিরছিলেন ভুরুঙ্গামারীর একই এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা। পথিমধ্যে কুড়িগ্রাম-ভুরুঙ্গামারী সড়কের বাঁশেরতল এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে মাইক্রোবাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই দুই জন
১ দিন আগে
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বর্ষণে কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে আবারও দেখা দিয়েছে ফসলহানির শঙ্কা। ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রায় ২ হাজার হেক্টর পাকা বোরো ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে, ফসল হারিয়ে আহাজারি করছেন অনেকে।
২ দিন আগে
টানা বৃষ্টি, পানির চাপ ও বজ্রপাতের আতঙ্কে হাওর এলাকার কৃষকরা দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। শ্রমিক সংকট, যন্ত্রচালিত হারভেস্টর ব্যবহারে প্রতিবন্ধকতা এবং ধান শুকানোর সুযোগ না থাকায় সংকট আরও তীব্র হয়েছে। অনেক স্থানে খলায় রাখা ধানও পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে।
২ দিন আগে