
কক্সবাজার প্রতিনিধি

যাত্রী চাহিদার প্রেক্ষিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে পাঁচ দিন বিশেষ ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। আগামী ২৩ থেকে ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত এই বিশেষ ট্রেন চলবে বলে জানান কক্সবাজার আইকনিক রেল স্ট্রেশনের স্টেশন কর্মকর্তা মো. গোলাম রব্বানী।
তিনি বলেন, নিয়মিত দুই জোড়া বিশেষ ট্রেনের পাশাপাশি এই বিশেষ ট্রেন সার্ভিস চালু করা হচ্ছে। ঢাকার কমলাপুর স্টেশন থেকে ২৩ অক্টোবর রাত ১১টায় প্রথম বিশেষ ট্রেনটি ছেড়ে পরদিন সকাল সাড়ে ৭টায় কক্সবাজার পৌঁছাবে। ২৪ অক্টোবর দুপুর ১টা ৪০ মিনিটের ট্রেনটি কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেবে। আর ট্রেনটি ঢাকায় পৌঁছাবে রাত ১০টায়।
একইভাবে ২৫ ও ২৬ অক্টোবর রাত ১১টায় ঢাকা থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে এই ট্রেন। যেটি ২৬ ও ২৭ অক্টোবর দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশ্যে কক্সবাজার ছেড়ে যাবে।
গোলাম রব্বানী আরও বলেন, মোট ১৮টি কোচের বিশেষ এই ট্রেনটিতে আসন সংখ্যা ৬৩৪। সাধারণ যাত্রীদের পাশাপাশি পর্যটকদের চাহিদার প্রেক্ষিতে এই বিশেষ ট্রেন সার্ভিসটি চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।
এতে কক্সবাজার যাতায়াত ও ভ্রমণকে নিরাপদ আর স্বাচ্ছন্দ্যময় করবে বলে মনে করেন তিনি।

যাত্রী চাহিদার প্রেক্ষিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে পাঁচ দিন বিশেষ ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। আগামী ২৩ থেকে ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত এই বিশেষ ট্রেন চলবে বলে জানান কক্সবাজার আইকনিক রেল স্ট্রেশনের স্টেশন কর্মকর্তা মো. গোলাম রব্বানী।
তিনি বলেন, নিয়মিত দুই জোড়া বিশেষ ট্রেনের পাশাপাশি এই বিশেষ ট্রেন সার্ভিস চালু করা হচ্ছে। ঢাকার কমলাপুর স্টেশন থেকে ২৩ অক্টোবর রাত ১১টায় প্রথম বিশেষ ট্রেনটি ছেড়ে পরদিন সকাল সাড়ে ৭টায় কক্সবাজার পৌঁছাবে। ২৪ অক্টোবর দুপুর ১টা ৪০ মিনিটের ট্রেনটি কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেবে। আর ট্রেনটি ঢাকায় পৌঁছাবে রাত ১০টায়।
একইভাবে ২৫ ও ২৬ অক্টোবর রাত ১১টায় ঢাকা থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে এই ট্রেন। যেটি ২৬ ও ২৭ অক্টোবর দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশ্যে কক্সবাজার ছেড়ে যাবে।
গোলাম রব্বানী আরও বলেন, মোট ১৮টি কোচের বিশেষ এই ট্রেনটিতে আসন সংখ্যা ৬৩৪। সাধারণ যাত্রীদের পাশাপাশি পর্যটকদের চাহিদার প্রেক্ষিতে এই বিশেষ ট্রেন সার্ভিসটি চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।
এতে কক্সবাজার যাতায়াত ও ভ্রমণকে নিরাপদ আর স্বাচ্ছন্দ্যময় করবে বলে মনে করেন তিনি।

চাঁদাবাজির অভিযোগে আটক নারায়ণগঞ্জ-৩ আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপির সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের ছেলে খাইরুল ইসলাম সজীবকে আটকের কয়েক ঘণ্টা পর রাতেই ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। গতকাল রোববার দুপুরে আটকের পর মুচলেকা নিয়ে তাকে রাতেই ছেড়ে দেওয়া হয়।
১ দিন আগে
যে ঘর লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছে, সেটি রামগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব ও লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুস সাত্তার মজুমদারের। গুলি ছোড়া যুবকের নাম সুমন মজুমদার। তিনি যুবদল নেতা আবদুস সাত্তার মজুমদারের ছোট ভাই। এলাকায় তিনি পৃথক ঘরে বসবাস করেন।
১ দিন আগে
রোববার (২১ জুন) দুপুরে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসা থেকে ডিবি পুলিশের সহযোগিতায় তাকে আটক করে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ। পরে সন্ধ্যায় যুবদলের দপ্তরের দায়িত্বে থাকা সহসভাপতি নুরুল ইসলাম সোহেলের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাকে যুবদল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
২ দিন আগে
এ সময় তাকে তার মায়ের সামনেই মারধর করা হয় বলে স্বজনদের অভিযোগ। তবে ডিবি পুলিশের দাবি, ওই যুবককে কোনো নির্যাতন করা হয়নি। বরং তার সঙ্গে ভালো আচরণ করা হয়েছে এবং তাকে খাবারও দেওয়া হয়েছিল।
২ দিন আগে