পাহাড়ে কেএনএ'র গোপন আস্তানা, সেনাবাহিনীর অভিযানে নিহত ৩

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ২৪ নভেম্বর ২০২৪, ১৩: ৫৫

বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলায় গহীন জঙ্গলে কুকি চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএ) গোপন আস্তানার সন্ধান পেয়েছে সেনাবাহিনী।

সেনাবাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী কুকি-চিন ন্যাশনাল আর্মির (কেএনএ) তিন সদস্য নিহত হয়েছেন। রবিবার (২৪ নভেম্বর) ভোরে এ ঘটনা ঘটে।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, সংবাদের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী কেএনএর গোপন আস্তানায় অভিযানে চালায়। এ সময় সেনাবাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে তিন কেএনএ সদস্য নিহত হয়েছেন। সেখান থেকে অস্ত্র ও অন্যান্য সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়। ওই এলাকায় অভিযান চলমান রয়েছে।

জানা যায়, বান্দরবান কেন্দ্রিক তৎপরতা চালানো বিচ্ছিন্নতাবাদী আঞ্চলিক সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) সশস্ত্র শাখা কেএনএ। বেশ কিছুদিন ধরেই ওই অঞ্চলে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে তারা। নিরাপত্তা বাহিনী সাঁড়াশি অভিযান চালানোর পর বেশ কিছুদিন নিরব থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে আবারও তাদের তৎপরতা বেড়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ad
ad

মাঠের রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

চুয়াডাঙ্গায় কালবৈশাখীর তাণ্ডবে প্রায় ৬ কোটি টাকার ফসলহানি

চুয়াডাঙ্গায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে কলা, পেঁপে ও ধানসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কৃষকদের দাবি, প্রায় ৫০ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়ে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ কোটি টাকা। এই বিপর্যয় থেকে ঘুরে দাঁড়াতে তারা সরকারি সহায়তা চেয়েছেন।

১ দিন আগে

নাগেশ্বরীতে ট্রাক-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ৩

রংপুরের একটি বেসরকারি ক্লিনিক থেকে চিকিৎসা শেষে মাইক্রোবাসযোগে বাড়ি ফিরছিলেন ভুরুঙ্গামারীর একই এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা। পথিমধ্যে কুড়িগ্রাম-ভুরুঙ্গামারী সড়কের বাঁশেরতল এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে মাইক্রোবাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই দুই জন

২ দিন আগে

কিশোরগঞ্জে তলিয়ে গেছে ২ হাজার হেক্টর জমির ধান, কৃষকের আহাজারি

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বর্ষণে কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে আবারও দেখা দিয়েছে ফসলহানির শঙ্কা। ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রায় ২ হাজার হেক্টর পাকা বোরো ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে, ফসল হারিয়ে আহাজারি করছেন অনেকে।

২ দিন আগে

সুনামগঞ্জে অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ভেঙেছে দুটি বাঁধ, ডুবছে জমির ধান

টানা বৃষ্টি, পানির চাপ ও বজ্রপাতের আতঙ্কে হাওর এলাকার কৃষকরা দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। শ্রমিক সংকট, যন্ত্রচালিত হারভেস্টর ব্যবহারে প্রতিবন্ধকতা এবং ধান শুকানোর সুযোগ না থাকায় সংকট আরও তীব্র হয়েছে। অনেক স্থানে খলায় রাখা ধানও পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে।

২ দিন আগে