
কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষে এক চেয়ারম্যান প্রার্থীর সফুর আলম (৩৫) সমর্থককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ঈদগাঁও ইউনিয়নের পশ্চিম পোকখালীতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সফুর আলম পোকখালী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মামমোরাপাড়ার নুর উদ্দিনের ছেলে। তিনি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী ও ঈদগাঁও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আবু তালেবের (টেলিফোন) সমর্থক।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চেয়ারম্যান প্রার্থী ও সৌদি আরবের মক্কা আওয়ামী লীগের সভাপতি শামসুল আলমের (মোটরসাইকেল) কয়েকজন সমর্থক ভোটগ্রহণ শেষে আবু তালেবের সমর্থক দেলোয়ার হোসেনকে ধরে নিয়ে একটি ঘরে আটকে রাখেন। এ ঘটনায় দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
দেলোয়ার হোসেন বলেন, ভোটগ্রহণ শেষে তিনি একটি বাড়িতে খাবার খেতে গেলে মোটরসাইকেল প্রতীকের কর্মী-সমর্থকেরা তাকে আটকে রাখেন। খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করতে ঘটনাস্থলে গেলে সফুর আলমকে ছুরিকাঘাত করা হয়। গুরুতর আহত সফুরকে বিকেল পাঁচটার দিকে ঈদগাঁও হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
প্রার্থী আবু তালেব বলেন, তার প্রতিদ্বন্দ্বী চেয়ারম্যান প্রার্থী শামসুল আলমের কর্মীরা পরিকল্পিতভাবে সফুর আলমকে ছুরিকাঘাতে খুন করেছেন। এ হত্যাকাণ্ডের বিচার চান তিনি।
এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগ করেও চেয়ারম্যান প্রার্থী শামসুল আলমের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার মুঠোফোন বন্ধ রয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শুভ রঞ্জন চাকমা বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের আটকের চেষ্টা চলছে।

কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষে এক চেয়ারম্যান প্রার্থীর সফুর আলম (৩৫) সমর্থককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ঈদগাঁও ইউনিয়নের পশ্চিম পোকখালীতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সফুর আলম পোকখালী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মামমোরাপাড়ার নুর উদ্দিনের ছেলে। তিনি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী ও ঈদগাঁও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আবু তালেবের (টেলিফোন) সমর্থক।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চেয়ারম্যান প্রার্থী ও সৌদি আরবের মক্কা আওয়ামী লীগের সভাপতি শামসুল আলমের (মোটরসাইকেল) কয়েকজন সমর্থক ভোটগ্রহণ শেষে আবু তালেবের সমর্থক দেলোয়ার হোসেনকে ধরে নিয়ে একটি ঘরে আটকে রাখেন। এ ঘটনায় দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
দেলোয়ার হোসেন বলেন, ভোটগ্রহণ শেষে তিনি একটি বাড়িতে খাবার খেতে গেলে মোটরসাইকেল প্রতীকের কর্মী-সমর্থকেরা তাকে আটকে রাখেন। খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করতে ঘটনাস্থলে গেলে সফুর আলমকে ছুরিকাঘাত করা হয়। গুরুতর আহত সফুরকে বিকেল পাঁচটার দিকে ঈদগাঁও হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
প্রার্থী আবু তালেব বলেন, তার প্রতিদ্বন্দ্বী চেয়ারম্যান প্রার্থী শামসুল আলমের কর্মীরা পরিকল্পিতভাবে সফুর আলমকে ছুরিকাঘাতে খুন করেছেন। এ হত্যাকাণ্ডের বিচার চান তিনি।
এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগ করেও চেয়ারম্যান প্রার্থী শামসুল আলমের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার মুঠোফোন বন্ধ রয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শুভ রঞ্জন চাকমা বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের আটকের চেষ্টা চলছে।

শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উপজেলার ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন শেরপুর হাইওয়ে থানার ওসি আনিসুর রহমান।
১৪ ঘণ্টা আগে
ভোমরা স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সজীব বালা বলেন, ভারতের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ মরদেহ হস্তান্তর করতে কিছুটা সময় নিয়েছে। তারা দুপুর ১২টার দিকে তাদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করে। এরপর ১৫ মিনিটের মধ্যে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
১৫ ঘণ্টা আগে
সিলেটের বিয়ানীবাজারের সোনাই নদীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ আয়োজনে বাধ সেধেছে ‘তৌহিদী জনতা’ নামে একটি গোষ্ঠী। তারা প্রতিযোগিতা বন্ধের দাবি জানালেও আয়োজকরা ২৮ আগস্ট নৌকাবাইচ আয়োজনের প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছেন। এ অবস্থায় জেলা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া কোনো নৌকাবাইচ হতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১৬ ঘণ্টা আগে
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস হোসেন শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বলেন, কলকাতা থেকে রওনা দেওয়ার পর দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যে মরদেহ ৫টি বেনাপোলে পৌঁছাতে পারে। তবে ঠিক কখন মরদেহগুলো সীমান্তে পৌঁছাবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
১৭ ঘণ্টা আগে